ইইউ-বাংলাদেশ ষষ্ঠ সভা : জিএসপি প্লাস সুবিধা চাইলেন বাণিজ্যমন্ত্রী

সোমবার, ৯ ডিসেম্বর ২০১৯

কাগজ প্রতিবেদক : ইউরোপিয়ন ইউনিয়ন (ইইউ) বাংলাদেশের বড় ব্যবসায়িক অংশীদার এবং রপ্তানি বাজার। অ্যাভরিথিং বাট আর্মস প্রকল্পের আওতায় ইইউ-এর দেয়া বাণিজ্য সুবিধায় বাংলাদেশ উপকৃত হয়েছে বলে উল্লেখ করেছেন বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি। এ জন্য ইউরোপিয়ন ইউনিয়নের কাছে কৃতজ্ঞতা স্বীকার করে বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, গত অর্থবছরে ইউরোপিয়ন ইউনিয়নের দেশগুলোতে বাংলাদেশ ২২ বিলিয়ন ডলারের পণ্য রপ্তানি করেছে, যা মোট রপ্তানির প্রায় ৫৮ শতাংশ। বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ আগামী ২০২৪ সালে উন্নয়নশীল দেশে পরিণত হবে। এর ৩ বছর পর বাংলাদেশ এলডিসিভুক্ত দেশের সুবিধাগুলো আর পাবে না। এ সময় বাংলাদেশ আশা করে ইউরোপিয়ন ইউনিয়ন বাংলাদেশকে জিএসপি প্লাস নামে বাণিজ্য সুবিধা প্রদান করবে।

বাণিজ্যমন্ত্রী গতকাল রবিবার বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে ‘ইইউ-বাংলাদেশ বিজনেস ক্লাইমেট ডায়ালগের ষষ্ঠ রাউন্ডের সভায় বাংলাদেশ পক্ষের প্রতিনিধিদলের প্রধানের বক্তৃতায় এসব কথা বলেন। বাণিজ্যমন্ত্রীর নেতৃত্বে বাংলাদেশ পক্ষে সভায় বাণিজ্য সচিব ড. মো. জাফর উদ্দিনসহ ২০ সদস্যের প্রতিনিধি অংশ নেন। ইউরোপিয়ন ইউনিয়নের রাষ্ট্রদূত মিস রেনেসি তেরিংকসহ জার্মানি, নেদারল্যান্ডস, ডেনমার্ক, সুইডেন, ফ্রান্স, যুক্তরাজ্য এবং ইতালির রাষ্ট্রদূতসহ ৪১ জন প্রতিনিধি সভায় উপস্থিত ছিলেন।

বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, ইউরোপিয়ন ইউনিয়নের সঙ্গে বাণিজ্য করতে উদ্ভূত সমস্যা চিহ্নিত করে তা আলোচনার মাধ্যমে সমাধান করাই এ ডায়ালগের উদ্দেশ্য। এটি একটি চলমান প্রক্রিয়া। নিয়মিতভাবেই এ সভা করা হয়। ইতোমধ্যে আলোচনার মাধ্যমে অনেক সমস্যার সমাধান করা হয়েছে। এতে করে উভয়পক্ষই উপকৃত হয়েছে। ২০১৬ সালের ২২ তারিখ এর প্রথম সভা অনুষ্ঠিত হয়। ৫টি সেক্টরে কাজ করার জন্য ৫টি ওয়ার্কিং গ্রুপ গঠন করা হয়েছে। এগুলো হলো- কাস্টমস, ফার্মাসিউটিকেলস, ট্যাং, ফাইন্যান্সিয়াল ফ্লোস এবং বিনিয়োগ। ইউরোপিয়ন ইউনিয়ন এবং বাংলাদেশ বাণিজ্য পরিধি আরো বৃদ্ধি করতে আগ্রহী। এ জন্য উভয়পক্ষ কাজ করে যাচ্ছে। আগামী দিনগুলোতে ইউরোপিয়ন ইউনিয়নের সঙ্গে বাংলাদেশের বাণিজ্য ও বিনিয়োগ বাড়বে।

অর্থ-শিল্প-বাণিজ্য'র আরও সংবাদ
Bhorerkagoj