আদা-রসুনের দাম কমেছে কেজিতে ৪০-৬০ টাকা

সোমবার, ৯ ডিসেম্বর ২০১৯

কাগজ প্রতিবেদক : ভোগ্যপণ্যের বাজারে দীর্ঘদিন ধরে ঊর্ধ্বমুখী বেশির ভাগ পণ্যের দাম। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি অস্থির হয়ে উঠেছিল পেঁয়াজ, আদা, রসুন, এলাচসহ কয়েকটি মসলা পণ্যের বাজার। এর মধ্যে এখনো ঊর্ধ্বমুখী রয়েছে পেঁয়াজের দাম। তবে কয়েক দিনে স্বস্তি এসেছে আদা-রসুনের বাজারে। টানা কয়েক মাস ঊর্ধ্বমুখী থাকার পর গত সপ্তাহে পণ্য ২টির দাম কেজিতে ৪০-৬০ টাকা কমেছে। চাহিদার চেয়ে আমদানি বৃদ্ধি ও দেশীয় পণ্যের মৌসুম হওয়ায় সরবরাহ বেড়ে পণ্য ২টির দাম কমেছে বলে জানিয়েছেন ব্যবসায়ীরা।

দেশে ভোগ্যপণ্যের সবচেয়ে বড় পাইকারি বাজার চট্টগ্রামের খাতুনগঞ্জের বিভিন্ন আড়ত ও দোকানে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, কয়েক দিন ধরে পাইকারি পর্যায়ে প্রতি কেজি আদা বিক্রি হচ্ছে ৬০-১১০ টাকা দামে। এর মধ্যে দেশি আদা ৬০-৮০ টাকা, আমদানিকৃত চীনা আদা ১০০-১১০ টাকা, মিয়ানমারের আদা ৬০-৭০ টাকা এবং কেরালার আদা ৭০-৮০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। এক সপ্তাহ আগেও পাইকারি পর্যায়ে দেশি আদা ১০০-১২০ টাকায়, চীনা আদা ১৫০-১৮০ টাকা, মিয়ানমারের আদা ১০০-১২০ টাকা এবং কেরালার আদা ১০০-১২০ টাকায় বিক্রি হয়েছে। সেই হিসাবে এক সপ্তাহের ব্যবধানে পাইকারি পর্যায়ে প্রতি কেজি আদার দাম ৪০-৬০ টাকা কমেছে।

এদিকে গত এক সপ্তাহে পাইকারি পর্যায়ে রসুনের দামও কেজিতে ৪০-৬০ টাকা পর্যন্ত কমে এসেছে। গত সপ্তাহ পর্যন্ত পাইকারি বাজারে প্রতি কেজি আমদানিকৃত চীনা রসুন বিক্রি হয়েছে ১৫০-১৮০ টাকার মধ্যে। এক সপ্তাহের ব্যবধানে কেজিতে ৬০ টাকা পর্যন্ত কমে বর্তমানে প্রতি কেজি চীনা রসুন বিক্রি হচ্ছে ১১০-১২০ টাকায়। বাজারে সরবরাহ বেশি না থাকলেও বর্তমানে প্রতি কেজি দেশি রসুন বিক্রি হচ্ছে ৮০-১০০ টাকায়, যা ঊর্ধ্বমুখী বাজারে ১২০-১৪০ টাকায় বিক্রি হয়েছে।

অর্থ-শিল্প-বাণিজ্য'র আরও সংবাদ
Bhorerkagoj