এই বাজারে কেউ ক্ষতির বাইরে নয় : আহমেদ রশিদ লালী

রবিবার, ৮ ডিসেম্বর ২০১৯

ডিএসই ব্রোকারেজ এসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ডিবিএ) সাবেক সভাপতি আহমেদ রশিদ লালী বলেন, ব্যাংক সেক্টরে টাকার সংকট, সঞ্চয়পত্রের উচ্চ সুদ এবং ডলারের বাজার অস্থিতিশীলতার প্রভাব পড়েছে পুঁজিবাজারে। গত দেড় বছর ধরে বিনিয়োগকারীরা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন, ব্রোকাররা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন। এই বাজারে কেউ ক্ষতির বাইরে নয়। ব্রোকারদের অনেকে পুঁজি ভেঙে খাচ্ছেন। প্রায় সব স্টেকহোল্ডারেরই ক্ষতি হচ্ছে। তারপরও আশা করছি আগামী এক-দুই মাসের মধ্যে একটা সাহায্য পাব। এতে বাজার পরিস্থিতি স্বাভাবিক হবে। মার্চেন্ট ব্যাংকাররা একটা আবেদন করেছে ১০ হাজার কোটি টাকার। এক বছর পর তারা পরিশোধ শুরু করবে। এতে করে বাজারের যে তারল্য সংকট রয়েছে তার কিছুটা সমাধান হবে। আশা করছি, আগামী বছরের শুরুতেই বাজারের গতি ফিরতে শুরু করবে।

তিনি আরো বলেন, ব্যাংক খাতের সংকটও পুঁজিবাজারের ওপর প্রভাব ফেলেছে। এ ছাড়া মুদ্রাবাজারে গত ১০-১২ বছরেও কোনো সংস্কার হয়নি। মুদ্রাবাজার পরিচালনায় কোনো নীতিও তৈরি হয়নি। শুধু সার্কুলার দিয়ে বছরের পর বছর চলছে। এটা কোনো স্থায়ী সমাধান নয়। এ অবস্থায় দরপতনের কবল থেকে কোনোভাবেই মার্কেটকে উঠানো যাচ্ছে না। ফলে পুঁজি হারাচ্ছেন ছোট ও মাঝারি বিনিয়োগকারীরা।

গ্রামীণফোনের সঙ্গে সরকারের যে সমস্যা, আন্তর্জাতিক কোম্পানিগুলো বন্ধ হয়ে যাওয়া পুঁজিবাজারে অনেক বড় প্রভাব ফেলেছে। গ্রামীণফোনের সমস্যার কারণে বিদেশি বিনিয়োগকারীদের ওপর প্রভাব ফেলেছে। তাদের অনেকেই বিনিয়োগ গুটিয়ে নিয়েছে। এসব মার্কেটের ওপর অনেক বড় চাপ সৃষ্টি করেছে। এ জন্য সবাই মিলে একটি শক্তিশালী মার্কেটিং ডিপার্টমেন্ট থাকা দরকার। মার্কেটে ভালো শেয়ার আনার প্রয়োজন। করপোরেট গভর্নেন্স বাড়ানো দরকার। একটি মার্কেটিং ডিপার্টমেন্ট থাকলে তারা ঘুরে ঘুরে দেখবে, মার্কেটে কি ধরনের সমস্যা আছে। কি ভালো আছে, সরকার কি দিচ্ছে তাদের, কি প্রয়োজন আছে ইত্যাদি।

প্রথম পাতা'র আরও সংবাদ
Bhorerkagoj