নভেম্বরে বৈশ্বিক খাদ্যপণ্যের দাম দুই বছরের সর্বোচ্চে

রবিবার, ৮ ডিসেম্বর ২০১৯

কাগজ প্রতিবেদক : টানা কয়েক মাস ঊর্ধ্বমুখী রয়েছে বৈশ্বিক খাদ্যপণ্যের দাম। এ ধারাবাহিকতায় চলতি বছরের নভেম্বরেও খাদ্যপণ্যের দাম ঊর্ধ্বমুখী ছিল, যা দুই বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ। জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি (এফএও) সংস্থার প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে।

প্রতি মাসে বৈশ্বিক খাদ্যপণ্যের বাজার নিয়ে মূল্যসূচক প্রতিবেদন প্রকাশ করে এফএও। গত নভেম্বরে বৈশ্বিক খাদ্যপণ্যের বাজার নিয়ে ৫ ডিসেম্বর এবার মূল্যসূচক প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে সংস্থাটি। গড় ১৭৭ দশমিক ২ পয়েন্টের ওপর ভিত্তি করে এবারের প্রতিবেদন তৈরি করা হয়েছে। প্রতিবেদন অনুযায়ী, নভেম্বরে বৈশ্বিক খাদ্যপণ্যের দাম আগের মাসের তুলনায় বেড়েছে ২ দশমিক ৭ শতাংশ। আর গত বছরের একই সময়ের তুলনায় বেড়েছে ৯ দশমিক ৫ শতাংশ। মূলত এ সময়ে ভোজ্যতেল ও মাংসের দাম বাড়ার ফলে খাদ্যপণ্যের গড় মূল্য বেড়েছে।

এফএওর মূল্যসূচক প্রতিবেদন অনুযায়ী, নভেম্বরে সবচেয়ে বেশি বেড়েছে ভোজ্যতেলের দাম। এ সময়ে ভোজ্যতেলের মূল্যসূচক বেড়েছে ১০ দশমিক ৪ শতাংশ। আগামী বছর থেকে বায়োডিজেল খাতে পাম অয়েলের ব্যবহার বৃদ্ধির ফলে ভোজ্যতেলটির সরবরাহ সংকটের আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। এ অবস্থায় ভোজ্যতেলটির আমদানি বাড়িয়েছে ভোক্তা দেশগুলো। আর এতেই চাঙ্গা হয়েছে পাম অয়েলের বাজার। পাশাপাশি বেড়েছে সয়াবিন ও সরিষা তেলের দামও। অন্যদিকে এ সময় মাংসের মূল্যসূচক আগের মাসের তুলনায় বেড়েছে ৪ দশমিক ৬ শতাংশ, যা এক দশকের মধ্যে সর্বোচ্চ। আর এ সময়ে আন্তর্জাতিক বাজারে চিনির দাম ছিল ঊর্ধ্বমুখী। নভেম্বরে চিনির মূল্যসূচক বেড়েছে ১ দশমিক ৮ শতাংশ। আগামী বছর আন্তর্জাতিক বাজারে চিনির ব্যবহার উৎপাদনকে ছাড়িয়ে যাবে- এমন পূর্বাভাসে পণ্যটির দাম বেড়েছে।

মূলত অন্যতম শীর্ষ চিনি উৎপাদক দেশ থাইল্যান্ড, ভারত, যুক্তরাষ্ট্র, ফ্রান্সে আগামী মৌসুমে চিনির উৎপাদন কমে যাওয়ার আশঙ্কা করা হচ্ছে।

অর্থ-শিল্প-বাণিজ্য'র আরও সংবাদ
Bhorerkagoj