ক্লাব পরিচিতি : তুরিনো এফসি

মঙ্গলবার, ২৬ নভেম্বর ২০১৯

তুরিনো এফসি ইতালির তুরিন শহরের একটি পেশাদার ফুটবল ক্লাব। ১৯০৬ সালে ক্লাবটি প্রতিষ্ঠিত হয়। ইতালির ফুটবল ইতিহাসে তুরিনো অন্যতম একটি সফল দল। স্থানীয়ভাবে ক্লাবটি পরিচিত তোরু নামে। যার বাংলা অর্থ ষাঁড়। বর্তমান ইতালিয়ান জায়ান্ট জুভেন্টাসের প্রধান প্রতিপক্ষ তারা। জুভেন্টাস ক্লাবটিও তুরিন শহরভিত্তিক। তাই এই দুই দলের লড়াইকে তুরিন ডার্বি নামে ডাকা হয়। তুরিনো এখন পর্যন্ত সাতবার লিগ কাপের শিরোপা, পাঁচবার কোপা ইতালিয়ার শিরোপা ও একবার মিতরোপা কাপের শিরোপা জিতেছে। ১৯১-৯২ মৌসুমে উয়েফা ইউরোপা কাপের ফাইনালে খেলেছিল তারা। কিন্তু তাদের শিরোপা ছাড়াই ঘরে ফিরতে হয়েছিল। ১৯৪০ সালের দিকে তুরিনো ছিল ইতালির সবচেয়ে শক্তিশালী দল। কিন্তু ১৯৪৯ সালে একটি বিমান দুর্ঘটনায় দলের সবাই মারা গেলে অনেকটা দুর্বল হয়ে পড়ে ক্লাবটি। বেনেফিকার বিপক্ষে একটি প্রীতি ম্যাচ খেলে ফেরার সময় এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনার শিকার হন ক্লাবের ৩১ জন খেলোয়াড় ও কর্মকর্তা। তুরিনো স্তাদিও অলিম্পিকো স্টেডিয়ামকে তাদের হোম গ্রাউন্ড হিসেবে ব্যবহার করে। ২০১১-১২ মৌসুম পর্যন্ত এই স্টেডিয়ামকে জুভেন্টাসও তাদের হোম গ্রাউন্ড হিসেবে ব্যবহার করেছে। কিন্তু এরপর জুভেন্টাস আলিয়ানজ স্টেডিয়ামে চলে গেলে এককভাবে অলিম্পিকো স্টেডিয়ামকে নিজেদের হোম গ্রাউন্ড হিসেবে ব্যবহার করছে তুরিনো। বর্তমানে স্টেডিয়ামটিতে ২৭ হাজার লোক একসঙ্গে বসে খেলা দেখতে পারে। তবে ২০০৬ সালের আগে এটি আরো বেশি ছিল। ২০০৬ সালে শীতকালীন অলিম্পিকের জন্য স্টেডিয়ামটি পুনর্নির্মাণ করা হয়। তখন এটির আসন সংখ্যা কিছুটা কমে আসে। তবে ১৯৯০ সাল থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত স্টেডিয়ামটি পরিত্যক্ত অবস্থায় ছিল। ১৯৯০ সালে তুরিনো ও জুভেন্টাস উভয়েই এই স্টেডিয়ামটি ছেড়ে স্তাদিও দেল্লে আল্পি নামক একটি স্টেডিয়ামে চলে গিয়েছিল। এরপর ২০০৬ সালে আবার তারা এখানে ফিরে আসে। তুরিনো হোমজার্সি হিসেবে খয়েরি রঙের জার্সি ও হাফপ্যান্ট পরে খেলে।

:: মোহাম্মদ তানভীরুল ইসলাম

গ্যালারি'র আরও সংবাদ
Bhorerkagoj