মানুষ ছাড়া খ্যাপারে তুই মূল হারাবি

বুধবার, ২০ নভেম্বর ২০১৯

দেশ নির্বিশেষে বিশেষভাবে আমাদের দেশে নিত্যপ্রয়োজনীয় খাদ্যদ্রব্যের লাগামহীন মূল্যবৃদ্ধি ও সংকটের ব্যাপারে মানুষ খুবই স্পর্শকাতর এবং তা রাজনীতিকে গভীরভাবে প্রভাবিত করে। নি¤œবিত্ত গরিব মেহনতি মানুষের খাদ্য সংকট ও মূল্যবৃদ্ধিতে সরাসরি আঘাত করে এবং দিশাহারা হয়ে পড়ে। মধ্যবিত্তরা ক্ষতিগ্রস্ত হয়, তাদের দুশ্চিন্তা বাড়ে। ধনী ও উচ্চবিত্তদের সরাসরি আঘাত না করলেও মানসিকভাবে তাদেরও প্রতিক্রিয়া হয়। সার্বিকভাবে পাগলা ঘোড়ার মতো খাদ্য সংকট ও মূল্যবৃদ্ধিতে শ্রেণি-পেশা নির্বিশেষে মানুষ ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করে। উৎপাদনে ঘাটতি থাকা বা উৎপাদন কোনো প্রাকৃতিক কারণে ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে পণ্যের ঘাটতি হলে মানুষ যতটা ক্ষুব্ধ হয়, তা প্রচণ্ডভাবে বেড়ে যায় যদি এর সঙ্গে অসৎ ব্যবসায়ী সিন্ডিকেটের কোনো সংযোগ আর সেই সঙ্গে ঘাটতি মোকাবেলায় সরকারের আগাম আমদানি পরিকল্পনায় বা ব্যবস্থাপনার কোনো সমস্যা থাকে। বলাই বাহুল্য, এই ক্ষুব্ধতা হয় সরকারের ওপর এবং তা রাজনৈতিক ইস্যু হয়ে দাঁড়ায়। রাজনৈতিক সংকট আসে দৈনন্দিন জীবনের অর্থনৈতিক সংকটের পিছু পিছু। প্রসঙ্গত, রাজনৈতিক সংকট যদি সুপ্ত বা ঘুমন্ত অবস্থায় থাকে আর অর্থনৈতিক সংকট দানা বেঁধে ওঠে; তবে তা রাজনৈতিক সংকটকে জাগ্রত করতে পারে। তখন এক সংকট আরেক সংকটের সঙ্গে মিলে দেশকে অশান্ত-অস্থির-অরাজক করে তোলার সম্ভাবনা জোগায়। আমরা যদি আমাদের অতীত ইতিহাসের দিকে তাকাই তবে দেখতে পাব, কীভাবে আমাদের রাজনৈতিক ইতিহাসকে জনজীবনের অর্থনৈতিক সংকট আবার উল্টোদিকে অর্থনৈতিক সংকট রাজনীতিকে প্রচণ্ডভাবে প্রভাবিত করে বিভিন্ন মোড় পরিবর্তনে ভূমিকা রেখেছে।

১৯৪৭-এ পাকিস্তান প্রতিষ্ঠার পরপরই ভাষা, নির্বাচন, জাতীয় স্বাধিকার ও শাসনতন্ত্র নিয়ে রাজনৈতিক সংকট গভীরতর হয়। এরই মধ্যে খাদ্য সংকট ক্রমেই বাড়তে থাকে। এরই প্রতিক্রিয়ায় ‘সাধের পাকিস্তান’ প্রতিষ্ঠার দুই বছরেরও কম সময়ের মধ্যে মুসলিম লীগের অভ্যন্তর থেকেই বিরোধী দল হিসেবে মওলানা ভাসানী, শামসুল হক ও শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বে ১৯৪৯ সালের ২৩ জুন আওয়ামী মুসলিম লীগ গঠিত হয়। দলটি প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পরপরই যে ইস্যু সামনে আসে তা হলো খাদ্য সংকট ও মূল্যবৃদ্ধি। মাত্র ৪ মাস পর নবপ্রতিষ্ঠিত এই দলের উদ্যোগে আরমানিটোলা ময়দান থেকে গভর্নর হাউস অভিমুখে ভুখা মিছিল ১৪৪ ধারা ভঙ্গ করে সংঘটিত হয়। ওই মিছিলের পর পরই প্রথমে গ্রেপ্তার হন মওলানা ভাসানী এবং শেখ মুজিবুর রহমান। ওই যে গণআন্দোলন শুরু হয়েছিল তা আর শেষ হয় না। ধারাবাহিকভাবে জোয়ার-ভাটার মধ্য দিয়ে চলতে থাকে। কেননা রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক দুই সংকটই ওতপ্রোতভাবে জড়িয়ে ছিল। বায়ান্নর ভাষা আন্দোলন, যুক্তফ্রন্টের নির্বাচন ও ষাটের দশকের গণজাগরণে ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থানে তাই চাল-লবণ-তেল প্রভৃতির লাগামহীন মূল্যবৃদ্ধি ও খাদ্য সংকট যেমন, তেমনি পাটসহ কৃষিজ দ্রব্যের মূল্য হ্রাস ভূমিকা রেখেছে।

‘আমরা বাঙালি ভুট্টা খাই না’ কিংবা ‘কেউ খাবে তো কেউ খাবে না/তা হবে না তা হবে না’ ¯েøাগান এমনি এমনি জনপ্রিয় হয়নি। ৬ দফা থেকে ১১ দফাকে মানুষ মুক্তি সনদ বা প্রাণের দাবি মনে করেছে পেটে ভাত ছিল না বলেই। সর্বোপরি দিন আনা দিন খাওয়া কিংবা না খাওয়া গরিব ও মেহনতি মানুষ ঢাকা শহরে গভীর রাতে কারফিউ ভেঙে সেনা-পুলিশের গুলির সামনে বুক পেতে দিয়েছে তীব্র অর্থ সংকটের কারণেই। দৈনন্দিন অর্থ সংকট তথা অন্ন-বস্ত্র-চিকিৎসা-বাসস্থান-কাজ তথা জনজীবনের মৌলিক প্রাপ্তি বা অধিকার নিশ্চিত ছিল না বলেই স্বাধীনতার পর জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বলেছিলেন, ‘এ স্বাধীনতা আমার ব্যর্থ হয়ে যাবে যদি আমার বাংলার মানুষ পেট ভরে ভাত না খায়। এই স্বাধীনতা আমার পূর্ণ হবে না যদি বাংলার মা-বোনেরা কাপড় না পায়। এ স্বাধীনতা আমার পূর্ণ হবে না যদি এ দেশের মানুষ যারা আমার যুবক শ্রেণি তারা চাকরি না পায় বা কাজ না পায়।’ বঙ্গবন্ধুর এই উক্তিটি এখনো প্রাসঙ্গিক বলেই আওয়ামী লীগের নির্বাচনী ইশতেহার ২০১৮-এর শুরুতেই তা স্থান পেয়েছে।

উল্লিখিত আলোচনা থেকে এটা সুস্পষ্ট, পাকিস্তানি ঔপনিবেশিক আমলে রাজনৈতিক সংকটের সঙ্গে জনজীবনের দৈনন্দিন অর্থনৈতিক সংকট মানুষের মনে যে হতাশা ও ক্ষুব্ধতা জাগ্রত হয়েছিল, তাতে বাঙালি জাতি লাভবান হয়েছিল। সশস্ত্র মুক্তিযুদ্ধের ভেতর দিয়ে ছিনিয়ে এনেছিল হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ অর্জন স্বাধীনতা। কিন্তু স্বাধীনতার পর জনজীবনের সেই খাদ্য সংকট ও লাগামহীন মূল্যবৃদ্ধিই পরিণামে তীব্র হতাশা ও ক্ষুব্ধতা সৃষ্টি করে রাজনৈতিক সংকটকে গভীরতর করেছিল। ‘চাটার দল’, ‘রাতের বাহিনী’র সঙ্গে উগ্র বাম-ডান শক্তি গণতন্ত্রের সুযোগ নিয়ে পরিস্থিতিকে অশান্ত অস্থির ও অরাজক করে তুলেছিল। যার পরিণতিতে জাতি সংসদীয় গণতন্ত্রে থাকতে পারেনি, একদল বাকশাল হয়েছিল। পরিণামে জাতির পিতা ও জাতীয় চার নেতাকে আমরা বাঁচিয়ে রাখতে পারিনি। ক্ষমতার রাজনীতির পটপরিবর্তনের মাধ্যমে পাকিস্তানি তথা সাম্প্রদায়িক প্রত্যক্ষ-পরোক্ষ সামরিক শাসনের ধারা ফিরে এসেছিল।

অভিজ্ঞতা বিবেচনায় নিয়ে যদি অতীতের দিকে তাকাই তবে দেখতে পাব, যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশে খাদ্য ঘাটতি ও সংকট আর সেই সঙ্গে অবকাঠামো না থাকা ও সার্বিক অর্থনৈতিক সংকট থাকা সত্ত্বেও ১৯৭১ ও ১৯৭২ এই দুই বছর বঙ্গবন্ধুর সরকার সবটা সামালই কেবল দেয়নি, রাজনৈতিক সংকট সমাধানে দেশের ইতিহাসে প্রথম সংসদীয় গণতন্ত্র ও চারনীতি সংবলিত সংবিধান দিয়ে রাজনৈতিক সংকট সমাধান করতে প্রচেষ্টা চালিয়েছিল। সরকারবিরোধীদের থানা-ফাঁড়ি লুটসহ হত্যা-খুন-অগ্নিসংযোগ বিভিন্ন ধরনের নাশকতামূলক কাজ আর সেই সঙ্গে প্রশাসন ও সরকারি দলের চাটার দলদের কম্বল চুরি, রেশন চুরি, মজুদদারি-মুনাফাখোরি-কালোবাজারি আর আমদানির লাইসেন্স বিক্রি প্রভৃতি অপকর্ম-দুষ্কর্ম অর্থনৈতিক-রাজনৈতিক সংকটকে একসঙ্গে করে পঁচাত্তরের পটপরিবর্তনের পটভূমি সৃষ্টি করেছিল।

প্রসঙ্গত, যতটুকু মনে পড়ছে, বঙ্গবন্ধুর সরকারের সাংবিধানিক স্থিতিশীলতার আগেই ১৯৭৩ সালের শেষদিকে প্রথম কৃত্রিমভাবে সংকট সৃষ্টি করা হয় লবণ নিয়ে। কৃত্রিম সংকট সৃষ্টিতে জড়িয়ে পড়ে প্রশাসন ও ক্ষমতাসীন দল। ১৯৭৪ সালে প্রথমদিকে লবণ সংকট এতটাই মারাত্মক হয় যে, মূল্য কোনো কোনো এলাকায় প্রতি সের ৫০/৬০ টাকা কিংবা প্রাপ্তি দুরূহ হয়ে ওঠে। শুরুতেই প্রধানমন্ত্রী বঙ্গবন্ধু লবণ সংকট সমাধানে তৎপর হয়ে ওঠেন। তখন জানা যায় পরিস্থিতি সামাল দেয়ার জন্য লবণ মজুদ রয়েছে চট্টগ্রামে। রেল ওয়াগনের কারণে তা বাজারে আনা সম্ভব হচ্ছে না। বঙ্গবন্ধু সেই সমস্যার সমাধান করেন। কিন্তু ইতোমধ্যে যা বিরূপ প্রতিক্রিয়া জনগণের মধ্যে হওয়ার তা হয়ে যায়। জনগণের এই মনোভাবের প্রেক্ষাপটে স্বাধীনতাবিরোধী শক্তি রাজনীতির অঙ্গনে প্রকাশ্যে বের হয়ে পড়ে এবং তারা উগ্র বামের মধ্যে নিজেদের স্থান করে নেয়। তখন প্রশাসন ও ক্ষমতাসীন দলের উঠতি পড়তির মধ্যে পরিস্থিতি সামাল দেয়া হচ্ছিল। কিন্তু জাতির চরম দুর্ভাগ্য! তখনই আঘাত হানে প্রকৃতি, চুয়াত্তরের সর্বগ্রাসী বন্যা ও ফসলহানি পরিস্থিতিকে বেসামাল করে তোলে। এরই সুযোগ নেয় দেশি-বিদেশি পরাজিত শক্তি ও জাতিবিরোধী কায়েমি স্বার্থবাদী মহল। রাজনৈতিক সংকট গভীরতর করতে কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করে খাদ্য নিয়ে। নিতান্ত অন্ধ ও উদ্দেশ্যবাদীরা ছাড়া এটা বোধকরি এখন সবাই স্বীকার করবেন যে, তখন মানুষ বাঁচানোর জন্য ঐক্যবদ্ধ হওয়া প্রয়োজন ছিল। কিন্তু তা সম্ভব হয়নি। এই সময়েও চলতে থাকে মজুদদারি-মুনাফাখোরি-চোরাচালানি অপতৎপরতা এবং প্রকাশ্য ও অপ্রকাশ্য, সরকারের ভেতর ও বাইরে থেকে অস্থিতিশীলতা সৃষ্টির নানামুখী অপতৎপরতা।

গত ১৭ নভেম্বর ‘বাংলাদেশ প্রতিদিন’-এ দুটো হেডিং ‘সবখানে সিন্ডিকেট’ ও ‘চারদিকে ষড়যন্ত্রের গন্ধ’ সংবাদ পাশাপাশি পড়লাম। ঘরপোড়া গরু এখন সিঁদুর দেখলে ভয় পাচ্ছে। সেখানের লেখা হয়েছে, ‘বাজার অস্থিতিশীল করতে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের কৃত্রিম সংকট তৈরি করে মূল্যবৃদ্ধি করা হচ্ছে। ছোটখাটো ঘটনায় বড় বড় প্রতিক্রিয়া দেখানো ষড়যন্ত্রের অংশ বলে মনে করেন অনেকে। বিরোধী রাজনৈতিক দল ও জোটের পাশাপাশি আর্থিক খাতের দুর্নীতিবাজরাও এসব ষড়যন্ত্রে ইন্ধন জোগাচ্ছে বলে অভিযোগ আছে।’ পাঠকরা স্মরণ করুন, ১৯৭৪-এর লবণসহ খাদ্য নিয়ে কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি, বাসন্তীকে জাল পরানোর ছবি প্রকাশ আর চাটার দলদের কথা। তখনো মানুষ যেমন প্রশাসন ও সরকারি দলের ‘চোর-চোট্টা-বদমাইশ’দের কথা, রাতের বাহিনীসহ অন্য অশুভ বাহিনীর ইন্ধনদাতা কে বা কারা তা আড্ডা-গালগল্পের মধ্যে বলত, এখনো বলে। মোস্তাক গংদের কর্মকাণ্ড কার না জানা ছিল! কিন্তু তার গায়ে কি টোকাটা পড়েছিল! কেন পড়েনি, কোনো ভারসাম্যের নীতি তখন কাজ করেছিল, সেসব প্রশ্নের উত্তর জানা যায় না।

বর্তমান দিনগুলোতে মানুষ আড্ডা ও গালগল্পের মধ্যে সরকারের ক্যাসিনোবিরোধী অ্যাকশনের প্রশংসা করছে। সরকারি দলের সহযোগী সংগঠনের সম্মেলনে যখন দাগি নেতারা বাদ পড়ছে, তখন আনন্দিত হচ্ছে। কিন্তু শেষ পর্যন্ত পরিস্থিতি কোন দিকে যায়, সে জন্য শঙ্কা ও ভয়ে তেমন সরব হতে পারছে না। আমরা যদি মুক্তিযুদ্ধের সপক্ষের শক্তি আর সেই সঙ্গে মুক্তিযুদ্ধবিরোধী শক্তির ক্ষমতার পটপরিবর্তনের দিকে লক্ষ করি, তবে এটা সুস্পষ্টভাবে পরিদৃষ্ট হবে জনগণ ছাড়া কখনো প্রথম পক্ষ এবং ষড়যন্ত্র-হত্যা-ক্যু ছাড়া দ্বিতীয় পক্ষ কখনো জয়ী হতে পারেনি।

জনগণকে অন্ধকারে রেখে কাজ করে অন্ধকারের শক্তি আর জনগণকে সঙ্গে নিয়ে কাজ করে আলোর শক্তি। আলো আর অন্ধকারের তফাৎ এখানেই। মানুষ সক্রিয়তার মধ্যে আছে তো সব আছে। মানুষ নেই তো কেউ নেই। মহান বাউল লালনের ‘মানুষ ভজলে সোনার মানুষ হবি, মানুষ ছাড়া খ্যাপারে তুই মূল হারাবি’ গানটি রাজনীতিতে স্বতঃসিদ্ধ। যতই লেখা বা বলা হোক মানুষ রাজনীতির ঘোরপ্যাঁচ, ভারসাম্য, সংকট ইত্যাদি কিছু বুঝতে চায় না। সময় বিশেষে সোজাসাপ্টা রাজনীতি বুঝতে চায়। কলামটা লেখার সময়ে বিশ^খ্যাত সাংবাদিক অ্যান্থনি ম্যাসকার্নহাসের ১৯৮৫ সালে প্রকাশিত ‘রক্তের ঋণ’ বইটা দেখছিলাম। সেই বইয়ের ভূমিকায় তিনি লিখেছেন, “মুজিব মৃত্যুর দশ বছর পরেও আত্মীয় পরিজনদের মতানৈক্যের জন্যে টুঙ্গীপাড়ায় মুজিবের সমাধির ওপর একটি সুযোগ্য স্মৃতিসৌধ নির্মাণ করতে পারেনি বলে, তাঁর কন্যা শেখ হাসিনা আমাকে জানান। ‘আসলে ক্ষমতায় না থাকলে সবাই এড়িয়ে চলে’ কথাচ্ছলে শেখ হাসিনা বলেন।” দুর্দিনে আত্মীয়রা না থাকলেও মানুষ কিন্তু শেখ হাসিনার পাশে ছিল। প্রকৃত বিচারে তখন বিপাকে পড়া বঙ্গবন্ধু কন্যার অভিজ্ঞতালব্ধ কথাগুলো চির সত্য। হৃদয়বিদারক ও মর্মান্তিক। বিজয়ের মাস সামনে রেখে এতটুকু বলেই আজকের কলামটার পরিসমাপ্তি টানছি।

শেখর দত্ত : রাজনীতিক ও কলাম লেখক।

মুক্তচিন্তা'র আরও সংবাদ
মো. বিল্লাল হোসেন

পথ চলতে ফোন নয়

ড. মোহাম্মদ আবদুল মজিদ

অর্থনৈতিক মুক্তির পথে বাংলাদেশ

Bhorerkagoj