কাদেরের প্রশ্ন : এমওইউকে কেন ‘চুক্তি’ বলছে বিএনপি

মঙ্গলবার, ১৯ নভেম্বর ২০১৯

কাগজ প্রতিবেদক : ভারতের সঙ্গে করা চুক্তি প্রকাশ করতে প্রধানমন্ত্রী বরাবর বিএনপির চিঠি প্রসঙ্গে আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক বলেন, বিএনপিতে অনেক বিজ্ঞ-অভিজ্ঞ ব্যক্তি আছেন। আমি অবাক হয়ে যাই, এমওইউ আর চুক্তির মধ্যে পার্থক্যটা তারা বোঝেন না। এখানে চুক্তি তো হয়নি। তিনি বলেন, মেমোরেন্ডাম অব আন্ডারস্টান্ডিং আর এগ্রিমেন্ট কিন্তু এক কথা নয়। এখন বিএনপিকে বলুন তারা এমওইউ আর চুক্তির মধ্যে পার্থক্যটা কেন বোঝে না? এটা জেনেও কি তারা না জানার ভান করছে? এমওইউকে কেন চুক্তি বলছে- এটাই আমার প্রশ্ন।

গতকাল সোমবার দুপুরে সচিবালয়ে নিজ মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে সমসাময়িক ইস্যুতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন তিনি। এসময় সড়ক পরিবহন আইনের কার্যকারিতা নিয়ে বিভিন্ন প্রশ্নেরও জবাব দেন কাদের।

ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘নাথিং সিক্রেট এভরিথিং ইজ ওপেন সিক্রেট’। এমওইউতে যা কিছু আছে, সবকিছুই ওপেন সিক্রেট। আর এখানে কোনো চুক্তি হয়নি। মেমোরেন্ডাম অব আন্ডারস্টান্ডিং হয়েছে চারটি, আর তিনটি ওপেনিং হয়েছে।

শুদ্ধি অভিযান কী থেমে গেছে, এমন প্রশ্নের জবাবে কাদের বলেন, শুদ্ধি অভিযান যে থামেনি, প্রধানমন্ত্রী পার্লামেন্টেই তা বলে দিয়েছেন। উনি বলেছেন উপজেলা লেভেল পর্যন্ত এ শুদ্ধি অভিযান চলতে থাকবে, যতক্ষণ না টার্গেট এসিভমেন্ট হয়।

শুদ্ধি অভিযানের মধ্যে ঢাকা উত্তর স্বেচ্ছাসেবক লীগে একজন বিতর্কিত কাউন্সিলর কিভাবে সাধারণ সম্পাদক পদে আসেন, এমন প্রশ্নের জবাবে আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক বলেন, যে কয়েকজন কাউন্সিলরকে নিয়ে শুদ্ধি অভিযানের সময় গণমাধ্যমে রিপোর্ট এসেছে, এর মধ্যে কিন্তু তার নামটি নেই। তারপরেও আমি বিষয়টা খতিয়ে দেখব।

সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ে জি কে শামীমের মতো কোনো প্রভাবশালী একক ঠিকাদার আছে কি না, এমন প্রশ্নের জবাবে সেতুমন্ত্রী বলেন, জি কে শামীমের মতো এরকম কেউই আমার এখানে ঢুকতে পারে না। আমার সচিবকে চায়ের প্যাকেটে করে ঘুষ দিতে এসেছিল, ফলে একটা বিদেশি কোম্পানির কার্যাদেশ আমরা বাতিল করেছি, নিষিদ্ধ করেছি। এখানে মূলত কাজগুলো করে আর্মি।

প্রথম পাতা'র আরও সংবাদ
Bhorerkagoj