বলিরেখা দূর করতে ফায়ার থেরাপি!

মঙ্গলবার, ১৯ নভেম্বর ২০১৯

কাগজ ডেস্ক : রূপচর্চা বিষয়টা খুব চলতি। মুখের বলিরেখা দূর করতে, ত্বক টানটান করতে কিংবা নিজেকে ¯্রফে সুন্দর করে তুলতে রূপচর্চা করেন না, এমন মানুষ বিরল। পার্লারে কিংবা বাড়িতে, যেখানেই হোক, রূপচর্চা চলছে চলবে। তাই বলে এই কাজ করতে গিয়ে মুখে আগুন জ্বালানোর কথা ভেবেছেন কেউ! না, সরাসরি মুখের ত্বকে আগুন ধরিয়ে দেয়া হচ্ছে না। প্রথমে মুখ ঢেকে দেয়া হচ্ছে হালকা তোয়ালে দিয়ে। তারপর এই তোয়ালেতে আগুন লাগিয়ে দেয়া হচ্ছে। কিছুক্ষণ পর আরেকটি ভারী তোয়ালে দিয়ে চাপা দিয়ে আগুন নিভিয়ে ফেলা হচ্ছে। আগুন দিয়ে রূপচর্চার এই অদ্ভুত পদ্ধতির নাম ফায়ার থেরাপি। এই থেরাপি ভিয়েতনামে রীতিমতো জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে।

ভিয়েতনামের হো চি মিন শহরের প্রায় প্রতিটি পার্লারে এই থেরাপিতে মুখের বলিরেখা দূর করা হয়। সেই সঙ্গে সৌন্দর্য চর্চাও করা হয়। কিন্তু রূপচর্চার ক্ষেত্রে এই ফায়ার থেরাপি কীভাবে প্রয়োগ করা হয়? প্রথমে অ্যালকোহলে ভেজানো তোয়ালে দিয়ে মুখ ঢেকে দেয়া হয়। তারপর ওই তোয়ালেতে ধরিয়ে দেয়া হয় আগুন। ৩০ সেকেন্ড থেকে বড়জোর এক মিনিট পর এর ওপর অন্য একটি ভারী তোয়ালে চাপা দিয়ে আগুন নিভিয়ে ফেলা হয়। ভিয়েতনামের থেরাপিস্টদের দাবি, এই থেরাপির সাহায্যে মুখের বলিরেখা যেমন দূর হয়, তেমনই ত্বক হয় উজ্জ্বল, যৌবনদীপ্ত। শুধুই রূপচর্চার ক্ষেত্রে নয়, আরো নানা কাজে উপকারী এই থেরাপি। যেমন পেশির ব্যথা, মাথাব্যথা, অনিদ্রার মতো একাধিক সমস্যা দূর করা যায় এই থেরাপির সাহায্যে।

কিন্তু এই পদ্ধতিকে চিকিৎসা বিজ্ঞান সমর্থন করে না। এই থেরাপি যে স্বাস্থ্যের পক্ষে উপকারী, এমন কোনো প্রমাণ চিকিৎসা বিজ্ঞানের পরীক্ষা থেকে জানা যায়নি। আমেরিকান ক্যানসার সোসাইটির পক্ষ থেকেও এই পদ্ধতিকে কোনো মান্যতা দেয়া হয়নি। তবে আধুনিক চিকিৎসা বিজ্ঞান একে সমর্থন না করলেও হো চি মিন শহরে ফায়ার থেরাপিকে রদ করে কার সাধ্য!

প্রথম পাতা'র আরও সংবাদ
Bhorerkagoj