সরকারের দৃঢ় অবস্থান নেয়ার এখনই সময়

মঙ্গলবার, ১৯ নভেম্বর ২০১৯


শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বর্তমান সরকারের ১১ মাস চলছে। বেশকিছু মন্ত্রণালয় জনগণের প্রত্যাশা পূরণে কাজ করছে- এতে কোনো সন্দেহ নেই। বিশেষত নৌপরিবহন, গণপূর্ত, পররাষ্ট্র, স্বরাষ্ট্র, জ্বালানি ও বিদ্যুৎ ইত্যাদি উল্লেখযোগ্য। শিক্ষা মন্ত্রণালয় কিছু কিছু ক্ষেত্রে দৃশ্যমান অগ্রগতি দেখালেও তাদের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা এখনো সাধারণ মানুষের কাছে স্পষ্ট নয়। তবে সাম্প্রতিক সময়ে কয়েকটি মন্ত্রণালয়ের ভূমিকা নিয়ে মানুষের মধ্যে বেশকিছু হতাশা জন্ম নিয়েছে। বিশেষত বাণিজ্য ও রেল মন্ত্রণালয়ের ব্যাপারে এই মুহূর্তে নানা প্রশ্ন মানুষের মুখে ঘুরপাক খাচ্ছে।

সম্প্রতি পেঁয়াজ কাণ্ডে মানুষ শুধু দিশাহারা তা নয়, স্বয়ং সরকারও সবচাইতে বিব্রতকর অবস্থায় পড়েছে। দুই মাস ধরে দেশে পেঁয়াজের মূল্য লাগামহীনভাবে বেড়ে এমন একটি স্তরে পৌঁছেছে যখন কার্গো বিমানে বিদেশ থেকে পেঁয়াজ আনার কথা সরকার প্রধানকে বলতে হয়েছে। বিষয়টি মন্ত্রণালয় কেন এই সময়ে সমাধান দেয়ার কার্যকর ব্যবস্থা নিতে পারেনি সেটি সব মহলকেই ভাবিয়ে তুলেছে। নিঃসন্দেহে দেশের ব্যবসায়ী মহল পেঁয়াজের সংকটকে ঘনীভূত করতে তাদের কারসাজি খেলেছে। কিন্তু বাণিজ্য মন্ত্রণালয় সেই কারসাজিতে কুপোকাত হয়েছে। তারা বিকল্প উদ্যোগগুলো আগে থেকে নিতে পারেনি। দেশের ব্যবসায়ীদের মধ্যে সিন্ডিকেট করার প্রবণতা নতুন করে বলার কিছু নেই। এটি সারাবছরই কোনো না কোনো নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য নিয়ে ব্যবসায়ীরা করে থাকেন- সেটি সবারই জানা। বাণিজ্য মন্ত্রণালয় নিশ্চয় জানে। তারপরও তারা পেঁয়াজ নিয়ে যেসব আশ্বাস দিয়েছে তার কোনোটাই বাস্তবে ভোক্তারা দেখতে পায় না। অন্যদিকে ব্যবসায়ীরা পেঁয়াজের সংকট নিয়ে প্রতিদিন নানা ধরনের তথ্য পরিবেশন করে চলছেন। তারা সরবরাহের ঘাটতিকে দুষছেন এবং পেঁয়াজের বাজার তাদের নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাওয়ার দাবি করছেন। অথচ সাধারণ মানুষও বুঝতে পারছে যে, আমদানিকারকরা নানা ধরনের কারসাজি করেছে। তাদের আমদানির প্রকৃত তথ্য মানুষের কাছে জানা নেই। সরকারের বাণিজ্য মন্ত্রণালয় কতটা জানে সেটিই প্রশ্ন।

দ্বিতীয় বিষয়টি হচ্ছে বিদেশ থেকে পেঁয়াজ আমদানিতে সব ধরনের সুযোগ তাদের দেয়ার পরও তারা কেন প্রতিশ্রæতি মোতাবেক পেঁয়াজ বিদেশ থেকে আমদানি করেনি সেটি মস্তবড় প্রশ্ন। যা আমদানি করেছে তা কেন তারা বাজারে প্রবেশ করায়নি সেটিও আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন। এখানে পরিষ্কার ধারণা পাওয়া যাচ্ছে যে আমদানিকারকরা সম্পূর্ণ বিষয়টি নিয়ে ধূম্রজাল সৃষ্টি করেছে। পেঁয়াজ তারা বেশি আমদানি করে বাজার স্থিতিশীল করার কোনো মহৎ উদ্যোগে অংশ নিতে চায়নি। বরং তারা কম আমদানি করে অধিক মূল্যে বিক্রির মাধ্যমে অধিকভাবে লাভ পেতে চেয়েছে। একইভাবে আড়তদার, মধ্যকারবারি এবং বাজারের খুচরা ব্যবসায়ী পর্যায়ে ভুয়া ক্যাশমেমো প্রদান করে পেঁয়াজের যে উচ্চমূল্য দাবি করেছে সেটি সম্পূর্ণই ব্যবসায়ী সিন্ডিকেটদের অধিক মুনাফা লাভের একটি ব্যবস্থা হিসেবে কার্যকর হতে দেখা গেছে। অথচ বাজারে এই দুই মাস পেঁয়াজ ছিল, শুধু রাতারাতি কয়েকগুণ দাম হাঁকিয়ে সব স্তরের পেঁয়াজ ব্যবসায়ীরা বিপুল অঙ্কের অর্থ হাতিয়ে নিয়েছেন, সাধারণ ভোক্তাদের পকেট কেটেছে এবং চরম ভোগান্তিতে ফেলেছে। শেষ বিচারে সাধারণ ভোক্তাদের অভিযোগটি সরকারের দিকেই নিক্ষেপ করতে ব্যবসায়ীরা সম্মিলিতভাবে ভূমিকা রেখেছেন। অথচ বিদেশ থেকে যেসব পেঁয়াজ গত কয়েকদিন আগেও আমদানি করা হয়েছে তার কোনোটির মূল্যই কেজিপ্রতি শত টাকা ছাড়িয়ে গেছে এমন কোনো তথ্য আমদানিকারকরাও দেননি। কিন্তু ভুয়া ভাউচারে আড়তদার, পাইকারি কারবারি, খুচরা ব্যবসায়ী ২০০/২৫০ টাকা পর্যন্ত দাবি করেছে। এ রকম তুঘলকি কাণ্ড শুধু পেঁয়াজ নিয়ে নয় অন্য কোনো পণ্যসামগ্রী নিয়ে গত কয়েক বছরে কিংবা ২/৩ দশকেও কেউ করেছে বা হতে দেখেছে এমনটি কারো জানা নেই। বোঝাই যাচ্ছে আমাদের দেশে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সুযোগ নিয়ে অনেক আমদানিকারক ব্যবসায়ী দেশে দাঁড়িয়ে গেছেন যারা সরকারকে সামান্যই বিবেচনায় নিয়ে থাকেন, জনগণকে তারা কোন দৃষ্টিতে দেখেন তা বলার অপেক্ষা রাখে না। পেঁয়াজ নিয়ে অনেক সমালোচনাই এখন গণমাধ্যমে শিরোনাম হয়ে আছে। সাধারণ মানুষের মধ্যেও এ নিয়ে ক্ষোভ ও অভিযোগের শেষ নেই। মনে হয় বিষয়টি নিয়ে সরকারকে নতুনভাবে চিন্তাভাবনা করে দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা নিতেই হবে।

পেঁয়াজের সমস্যা এখনো কাটেনি। কার্গো বিমানে করে বিদেশ থেকে আনা পেঁয়াজ এবং দেশি নতুন পেঁয়াজ আসার পর স্বাভাবিক হতে আরো অনেক সময় নেবে- এটি নির্দ্বিধায় বলা যায়। তবে এই মুহূর্তে চাল নিয়ে যা শুরু হয়েছে সেটিও মানুষকে হতবাক করছে। ক’মাস আগে কৃষক ধানের ন্যায্যমূল্য পায়নি। দেশে এ নিয়ে কৃষকের ব্যাপক ক্ষোভ ও হতাশার কথা স্বয়ং সরকারও দেখেছেন। অথচ এখন মিল মালিকরাও চালের ঘাটতির কথা বলে চালের দাম মণপ্রতি ৩০০/৪০০ টাকা করে বাড়িয়ে দিচ্ছেন। জানি না কৃষি মন্ত্রণালয় এখন কি ব্যবস্থা নেবে? দেশে ধান বা চালের ঘাটতি আছে এমন কোনো তথ্য সাধারণ মানুষের কাছেও জানা নেই। তারপরও মিল মালিকরা যেসব তথ্য দিচ্ছে সেটি যাচাই-বাছাই করা এবং চালের বাজার স্থিতিশীল করা খুবই জরুরি বিষয়। আমাদের ধারণা চাল নিয়ে তুঘলকি কাণ্ড ঘটানোর সেই সুযোগ নেই যেটি পেঁয়াজ নিয়ে আমদানিকারক, আড়তদার, কারবারি ও ব্যবসায়ীরা করতে পেরেছেন। সুতরাং সরকারের এখনই দৃঢ় অবস্থান নেয়া দরকার। অবৈধ, বেআইনি এবং অর্থ লুটপাটের উদ্দেশ্যে চালের কৃত্রিম মূল্যবৃদ্ধির সঙ্গে যারা জড়িত আছে তাদের খুঁজে বের করা এবং বাজারে চালের সরবরাহ ও মূল্য স্বাভাবিক রাখার জন্য সরকারের যা যা করা দরকার তা করতে মোটেও দেরি করা উচিত নয়। কেননা পেঁয়াজ থেকে আমাদের অভিজ্ঞতা হয়েছে যে দেশের ব্যবসায়ীদের হাত দুটো নয়, ডান হাত, বাম হাত, অজুহাত, কালো হাত, সাদা হাত, গোপন হাত… ইত্যাদিতে রূপান্তরিত হতে মোটেও দেরি হয় না। সুতরাং এমন এক পরিস্থিতিতে চালের মূল্য নিয়ে কেউ যেন দেশে আরেকটি পেঁয়াজ কাণ্ডের মতো চালকাণ্ড তৈরি করতে না পারে সে ব্যাপারে দ্রুত উদ্যোগ নেয়া।

দেশে পরপর কয়েকটি রেল দুর্ঘটনা সবাইকে হতবাক করেছে। মানুষ রেলের প্রতি যেভাবে ঝুঁকে পড়েছিল পরপর ঘটে যাওয়া কয়েকটি রেল দুর্ঘটনা সবাইকে থমকে দাঁড়াতে যেন বাধ্য করেছে। বলতে দ্বিধা নেই দেশের রেল খাতকে সত্তরের দশক থেকেই ধীরে ধীরে অকার্যকর হতে সরকারের অভ্যন্তরে একটি মহল বাইরের পরিবহনসহ দেশি-বিদেশি নানা গোষ্ঠীর পৃষ্ঠপোষকতা পেয়েছিল। রেল মন্ত্রণালয় উঠে গিয়েছিল। রেলগাড়িও কমতে কমতে জীবনের শক্তি হারিয়ে ফেলছিল। রেলের কর্মকর্তাদের গোল্ডেন হ্যান্ডশেকে বিদায় করা হয়েছিল। সেই রেলকে বর্তমান প্রধানমন্ত্রী ২০০৯ সালে সরকার গঠনের পর পুনরুজ্জীবন ঘটানোর উদ্যোগ নেন। এরপর থেকে রেল অনেকটাই মানুষের আস্থায় ফিরে আসতে থাকে। এরই মধ্যে রেলে বেশকিছু ট্রেন, রাস্তাঘাট, সংস্কার যুক্ত হয়েছে। অনেকেই রেলকর্মী হিসেবে যোগ দিয়েছেন। কিন্তু দীর্ঘদিনের অব্যবস্থাপনা, অপরিকল্পনা এবং নেতৃত্বহীনতার কারণে এর ভেতরের শক্তি এতটাই ক্ষয়ে গিয়েছিল যে এক দশকের পুনরুজ্জীবনে রেল এখনো ঘুরে দাঁড়াতে পারেনি। তারপরও গত কয়েক বছর দেশের রেলওয়ের মাধ্যমে মানুষের যাতায়াত বহুগুণ বেড়ে গিয়েছিল। রেলের ওপর মানুষ আবার নির্ভরশীল হয়ে উঠেছিল। কিন্তু দুর্ঘটনাগুলো যে বিষয়টি জানান দিয়েছে তা হলো রেলকে নিরাপদ যানবাহন হিসেবে দাঁড় করাতে ডিজিটাল প্রযুক্তি, দক্ষ কর্মকর্তা, চালক, ব্যবস্থাপক, কর্মকর্তা-কর্মচারী ছাড়া মোটেও সম্ভব নয়। সে কারণে প্রয়োজন হচ্ছে দ্রুত রেলের পশ্চাৎপদতা কীভাবে কাটিয়ে ওঠা যায়, কীভাবে এটিকে নিরাপদ এবং জনগণের আস্থার বাহন হিসেবে ব্যাপকভাবে নিয়ে যাওয়া যায় সেভাবে দ্রুত ব্যবস্থা নেয়া।

দেশে বিদ্যুৎ ছিল না একসময়, সেটি শেখ হাসিনা সরকার কত সফলভাবে করতে পেরেছে তা নতুন করে বলার প্রয়োজন নেই। দেশে খাদ্য ঘাটতি ছিল সেটিও এই সরকারই দ্রুত দূর করতে পেরেছে। দেশে মানুষের কর্মসংস্থান, আয়বৃদ্ধি, দারিদ্র্র্য হ্রাস, শিক্ষার সুযোগ সৃষ্টি ইত্যাদি ক্ষেত্রে সরকার যেসব অভাবনীয় সাফল্য দেখিয়েছে তা দেখার পর রেল ব্যবস্থায় পরিবর্তন আনা যাবে না- এমনটি বিশ্বাস করার কোনো কারণ নেই। দেশে নদী দখল, ভূমি দখল, অবৈধ স্থাপনা, ক্যাসিনো ব্যবসা এসবের বিরুদ্ধে কিছু করা সম্ভব হবে তা যেখানে কিছুদিন আগেও মানুষ বিশ্বাস করত না। এখন সবাই বিশ্বাস করে যে শেখ হাসিনা সরকার চাইলে অনেক অসম্ভবকেও সম্ভব করতে পারে। বাংলাদেশ এখন আন্তর্জাতিকভাবে যেসব সমৃদ্ধি অর্জন নিয়ে প্রশংসিত হচ্ছে তা এই সরকারেরই উদ্যোগের ফলে ঘটেছে। ফলে দেশে ব্যবসা-বাণিজ্য নিয়ে যেসব সিন্ডিকেট হচ্ছে, মানুষকে ভোগান্তিতে ফেলছে, রেল ব্যবস্থায় অব্যবস্থাপনা দেখছে এসবের কোনোটিই দূরীভূত করা সম্ভব হবে না এমনটি ভাবার কোনো কারণ নেই।

দেশের অভ্যন্তরে বেশকিছু অপশক্তি বিরাজ করছে যারা রাষ্ট্রকে কঠিন চ্যালেঞ্জের মুখে ফেলতে নানাভাবে তৎপর। জঙ্গিরা একসময় মনে করেছিল তারা বাংলাদেশকে হত্যা, খুন ইত্যাদির মাধ্যমে শুধু অস্থিতিশীল নয় পরিবর্তনও করে ফেলতে পারবে। সরকার সেটি ব্যর্থ করে দিয়ে প্রমাণ করেছে যে জঙ্গিবাদের মতো সমস্যা এই সরকার সম্পূর্ণরূপে নিয়ন্ত্রণ করতে পেরেছে। আরেকটি মহল একসময় পেট্রলবোমা, হরতাল, অবরোধ, অগ্নিসংযোগ ইত্যাদির মাধ্যমে সরকার উৎখাতের চেষ্টা করেছিল সেটিও স্থিমিত হয়ে গেছে। এর কারণ হচ্ছে শেখ হাসিনা সরকার গত এগারো বছরে দেশের অর্থনৈতিক, সামাজিক এবং মানুষের জীবনযাত্রার নানা সূচকের এমন বেশকিছু অগ্রগতি ও অর্জন দেখাতে পেরেছে দেশের জনগণকে। যার ফলে সরকারের কিছু কিছু সীমাবদ্ধতা, রাজনৈতিক দল হিসেবে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে অভিযোগ থাকার পরও শেখ হাসিনার সরকারের প্রতি এক ধরনের আস্থা ও বিশ্বাস থেকে মানুষ রাজনৈতিক কোনো বিশৃঙ্খলা, কর্মকাণ্ড ইত্যাদিতে উৎসাহী হচ্ছে না। দেশ অনেকটাই সম্মুখের দিকে এগিয়ে যাওয়ার পথে চলছে। সুতরাং এমন পরিস্থিতিতে কোনো কোনো মহল যখন পেঁয়াজের মতো পণ্য নিয়ে এমন আকস্মিকভাবে দেশে তুঘলকি কাণ্ড ঘটাতে পারে, চাল, ডাল, কাঁচাবাজার ইত্যাদি নিয়ে যখন সিন্ডিকেট ঘটিয়ে মানুষকে এভাবে নাজেহাল করতে পারে, তখন বুঝতে হবে এসব অপশক্তি দেশে জনগণের মধ্যে সরকারের বিরুদ্ধে ক্ষোভ বাড়িয়ে দেয়ার কোনো অঘটন ঘটিয়ে দিতে পারে।

আমাদের দেশটি এমনিতেই আঠার কোটির মতো মানুষের এক ঘনবসতির দেশ। সম্পদের সীমাবদ্ধতা রয়েছে। মানুষের সুযোগ-সুবিধারও সমস্যা রয়েছে। এই দেশটি এমন অবস্থাতেও যে উন্নয়নের অগ্রযাত্রায় এভাবে ধাবিত হতে পারছে- সেটি অনেকের কাছেই বিস্ময়কর। কিন্তু এসব বিস্ময়কর উন্নয়ন ও অগ্রগতি মুহূর্তের মধ্যেই অপসারিত করতে, জনমনে ক্ষোভ বিক্ষোভ সৃষ্টি করতে মোটেও কার্পণ্য করা হবে না, দেরি হবে না যদি এসব সমস্যার সমাধানে আগে থেকেই সরকার ব্যবস্থা গ্রহণ না করে। সুতরাং সরকারকে পেঁয়াজ কাণ্ড, চাল কাণ্ড, রেল দুর্ঘটনাসহ আরো যেসব বিষয়ে নানা ধরনের সমস্যা মানুষকে বিষিয়ে তুলছে তা দূর করতে এখনই সাহসী দৃঢ় ভূমিকায় অবতীর্ণ হতে হবে। এর কোনো বিকল্প নেই।

মমতাজউদ্দীন পাটোয়ারী : অধ্যাপক (অবসরপ্রাপ্ত), ইতিহাসবিদ ও কলাম লেখক।

মুক্তচিন্তা'র আরও সংবাদ
মো. বিল্লাল হোসেন

পথ চলতে ফোন নয়

ড. মোহাম্মদ আবদুল মজিদ

অর্থনৈতিক মুক্তির পথে বাংলাদেশ

Bhorerkagoj