টুকি-টাকি

শনিবার, ১৬ নভেম্বর ২০১৯

ধরা পড়ল ৭ ‘ভূত’

কাগজ ডেস্ক : ভারতের বেঙ্গালুরুর শোবন্তপুরের শরিফ নগর এলাকায় কয়েক মাস ধরে ক্রমশ বাড়ছিল ভূতের উপদ্রব। রক্তাক্ত শরীর, গায়ে সাদা ধবধবে পোশাক, মাথা ভর্তি লম্বা রুক্ষ চুল, হাতে অস্বাভাবিক লম্বা লম্বা নখ— এলাকার ফুটপাতবাসী থেকে অন্য বাসিন্দারা মাঝে মধ্যেই দেখা পাচ্ছিলেন তাদের। ভূতের অত্যাচারে অতিষ্ঠ হয়ে অবশেষে পুলিশে পর্যন্ত অভিযোগ জানান এলাকার বাসিন্দারা। তারপরই ধরা পড়লো সাত সাতজন ‘ভূত’! প্র্যাঙ্ক ভিডিও বানানোর অপরাধে সাত ভূতকে গ্রেপ্তারও করেছে পুলিশ। দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় ভূত সেজে প্র্যাঙ্ক ভিডিও বানাচ্ছিলেন কয়েকজন যুবক। এদের প্রত্যেকেরই বয়স ২০ থেকে ২২-এর মধ্যে। এলাকার বাসিন্দাদের, ওই এলাকা দিয়ে যাওয়া ট্যাক্সি বা গাড়িগুলোকে ভয় দেখিয়ে তার ভিডিও বানাচ্ছিল এই সাত যুবক। ঘোস্ট প্র্যাঙ্ক ইন বেঙ্গালুরু নামের একটি ইউটিউব চ্যানেলের জন্য এই ভিডিওগুলো বানানো হচ্ছিল। জানা গিয়েছে, এর আগেও সোশ্যাল মিডিয়ায় দ্রুত জনপ্রিয়তা পাওয়ার লোভে এবং বিভিন্ন সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম থেকে উপার্জনের আশায় এই ধরনের ভিডিও বানানোর চেষ্টা করা হয়েছে।

মদ্যপ ছেলেকে পুড়িয়ে মারলেন বাবা-মা

কাগজ ডেস্ক : মদ্যপ ছেলের অত্যাচারে অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছিলেন মা-বাবা। দিনের পর দিন মদের জন্য বাবা মাকে মারধর, টাকাপয়সা চেয়ে অশান্তি করত ছেলে। অনেক দিন ধরেই ছেলের অত্যাচারে অতিষ্ঠ ছিলেন তারা। দীর্ঘদিন ধরে ছেলের এমন অমানবিক অত্যাচার সহ্য করতে না পেরে ছেলেকে বেঁধে জীবন্ত পুড়িয়ে মেরেছেন বাবা-মা। মঙ্গলবার রাতে এমন ঘটনা ঘটেছে ভারতের তেলঙ্গানার বরাঙ্গল গ্রামীণ জেলায়। পুলিশ জানিয়েছে, মহেশ চন্দ্র (৪২) নামের এক ব্যক্তিকে তার বাবা-মা পুড়িয়ে হত্যা করেছে। বরঙ্গল এগ্রিকালচার মার্কেটে কেরানির কাজ করতেন মহেশ। ছেলেকে খুনের অভিযোগে ওই দম্পতিকে গ্রেফতার করা হয়েছে। পুলিশ বলছে, হায়দরাবাদ মহেশ প্রায়ই মদ্যপ অবস্থায় বাড়ি ফিরতেন। তারপর বাবা-মায়ের ওপর অত্যাচার শুরু করে দিতেন। মদ খাওয়ার টাকা চেয়ে প্রায় প্রতিদিনই অশান্তি করতেন তিনি। প্রতিদিনই সে তার বাবা-মাকে মারধর করত। স্থানীয়দের দাবি, মহেশের স্ত্রীও তার অত্যাচারের শিকার ছিলেন। স্বামীর অত্যাচারে অতিষ্ঠ হয়ে দু’মাস আগেই বাপের বাড়িতে চলে যান তিনি। তারপর থেকেই ওই দম্পতির ওপর অত্যাচারের মাত্রা আরও বেড়ে যায়। পুলিশ জানিয়েছে, মঙ্গলবার রাতে মদ্যপ অবস্থায় বাড়ি ফেরার পর মা-বাবার সঙ্গে মহেশ ঝামেলা শুরু করেন। এক সময় তাদের মারতে থাকে। ছেলের মারধর সহ্য করতে না পেরে মহেশকে বেঁধে ফেলেন তারা। এরপর তার গায়ে আগুন ধরিয়ে দেন। ঘটনাস্থলেই মারা যান মহেশ। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছায় পুলিশ। মহেশের মরদেহ উদ্ধার করে নিয়ে যান তারা। পুলিশ জানিয়েছে, তার মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে।

রাইফেল হাতে বিয়ের মঞ্চে নবদম্পতি

কাগজ ডেস্ক : ভারতের নাগাল্যান্ড রাজ্যের স্বাধীনতাপন্থি এক প্রভাবশালী নেতার ছেলে ও তার নবপরিণীতা রাইফেল হাতে বিয়ের মঞ্চে দাঁড়িয়ে পোজ দেয়ার ছবি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এখন ভাইরাল। নবদম্পতির বিয়ের আসরে রাইফেল নিয়ে ঘুরতে দেখে অনেকে হকচকিয়ে যান। ভারতীয় টেলিভিশন এনডিটিভি এ নিয়ে একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করে বলেছে, গত শনিবার এই ঘটনা ঘটে। বরের বাবা বহতা কিবা ন্যাশনাল সোশালিস্ট কাউন্সিল অব নাগাল্যান্ড-ইউনিফিকেশনের (এনএসসিএন-ইউ) অন্যতম শীর্ষ নেতা। প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, ভারতের উত্তারাঞ্চলের সশস্ত্র বিদ্রোহীদের সঙ্গে ‘ঐতিহাসিক’ শান্তি চুক্তি করার চেষ্টা করছে মোদি নেতৃত্বাধীন বিজেপি সরকার। তার মধ্যেই এমন ঘটনা ঘটলো, যা উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে দেশটির সরকারের জন্য। এদিকে স¤প্রতি মণিপুর লন্ডনে তাদের স্বাধীনতা ঘোষণা করেছে। এনডিটিভি বলছে, ওই নবদম্পতি বিয়ের মঞ্চে একে৫৬ এবং এম১৬ স্বয়ংক্রিয় আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে ছবি তোলেন। মুহূর্তেই তা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে।

দূরের জানালা'র আরও সংবাদ
Bhorerkagoj