নৌ প্রতিমন্ত্রী : নৌদুর্ঘটনায় ৪৩ বছরে ৪৭১১ জনের মৃত্যু

শুক্রবার, ১৫ নভেম্বর ২০১৯

কাগজ প্রতিবেদক : ১৯৭৬ সাল থেকে চলতি বছরের এ পর্যন্ত মোট ৬৫৭টি নৌদুর্ঘটনায় মৃত্যুবরণকারীর সংখ্যা ৪ হাজার ৭১১ জন। দুর্ঘটনায় আহতের সংখ্যা ৫৩৯ এবং নিখোঁজের সংখ্যা ৪৮২ জন বলে জানিয়েছেন নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরী। গতকাল বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদে ভোলা-৩ আসনের এমপি নুরুন্নবী চৌধুরীর এক লিখিত প্রশ্নের জবাবে তিনি এ তথ্য জানান।

মন্ত্রীর দেয়া তথ্য অনুযায়ী, নৌদুর্ঘটনায় সবচেয়ে বেশি যাত্রী মারা যান ২০০৩ সালে। এ বছর ৩১টি দুর্ঘটনায় ৪৬৪ জন মারা যান। এরপর ১৯৮৬ সালে ১১টি দুর্ঘটনায় ৪২৬ জন এবং ২০০০ সালে ৯টি দুর্ঘটনায় ৩৫৩ জন মারা যান। ১৯৯৪ সালে ২৭টি দুর্ঘটনায় ৩০৩ জন এবং ২০০২ সালে ১৭টি দুর্ঘটনায় ২৯৭ জন মারা যান।

নদীর তীরে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ অভিযান চলবে : বিএনপির রুমিন ফারহানার এক প্রশ্নের জবাবে নৌ পরিবহন প্রতিমন্ত্রী জানান, নদী দখলকারীদের উচ্ছেদ অভিযান একটি চলমান প্রক্রিয়া। ঢাকা শহরের চারদিকে বুড়িগঙ্গা, শীতলক্ষ্যা, তুরাগ ও বালু নদীর তীরে গড়ে ওঠা অবৈধ স্থাপনাদি উচ্ছেদের জন্য রাষ্ট্রপতির নির্দেশনা রয়েছে।

তারই ধারাবাহিকতায় উচ্ছেদ অভিযান চলমান রয়েছে। তিনি জানান, ঢাকা শহরের চারদিকে ১১০ কিলোমিটার নৌপথের দুই পাড়ে ২২০ কিলোমিটার নদীর তীররক্ষা বাঁধসহ ওয়াকওয়ে নির্মাণ করা হবে।

প্রতিমন্ত্রী জানান, সম্প্রতি ১৫২ একর নদীর তীরভূমি উদ্ধার করা হয়েছে, ২০ কিলোমিটার ওয়াকওয়ে, বনায়ন, সীমানা পিলার ও দুটি ইকোপার্ক নির্মাণ করা হয়েছে।

নিজাম উদ্দীন হাজারীর অপর এক প্রশ্নের জবাবে নৌ প্রতিমন্ত্রী বলেন, নৌপথের নাব্য উন্নয়নের জন্য একটি মাস্টার প্ল্যান তৈরি করা হয়েছে।

বেগম নাজমা আকতারের এক প্রশ্নের জবাবে খালিদ মাহমুদ চৌধুরী জানান, বর্তমানে বিআইডব্লিউটিসির অধীনে পাটুরিয়া সেক্টরে ২০টি, শিমুলিয়া সেক্টরে ১৯টি, চাঁদপুরে ৪টি, ভোলায় ৩টি ও লাহারহাট সেক্টরে ৪টিসহ মোট ৫০টি ফেরি চলাচল করছে।

অপর এক প্রশ্নের জবাবে তিনি জানান, দেশে মোট স্থলবন্দরের সংখ্যা ২৪টি।

দ্বিতীয় সংস্করন'র আরও সংবাদ
Bhorerkagoj