ইস্পাত খাতে চীনের বিনিয়োগে সক্ষমতা বাড়বে ৫ কোটি টন

শনিবার, ৯ নভেম্বর ২০১৯

কাগজ ডেস্ক : বিশ্বের শীর্ষ ইস্পাত উৎপাদক ও ব্যবহারকারী দেশ চীন। দ্রুত অগ্রসরমান অবকাঠামো খাতের উন্নয়নের কারণে বৈশ্বিক ইস্পাতের উৎপাদন ও ব্যবহারের অর্ধেকের বেশি দেশটির দখলে। তবে দেশটি এখন ইস্পাতের বৈশ্বিক বাজার মোকাবেলায় উৎপাদন বাড়াতে জোরালভাবে কাজ করে যাচ্ছে। যার অংশ হিসেবে ইন্দোনেশিয়া, মালয়েশিয়ার মতো দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশগুলোয় ইস্পাত খাতে বিনিয়োগ বাড়াচ্ছে চীন। ফলে এ অঞ্চলে ইস্পাতের উৎপাদন সক্ষমতা পাঁচ কোটি টন বাড়বে বলে মনে করা হচ্ছে।

ওয়ার্ল্ড স্টিল এসোসিয়েশনের তথ্য অনুযায়ী, চীনে আগামী বছর ইস্পাতের চাহিদার প্রবৃদ্ধিতে শ্লথগতি থাকবে। এ সময় দেশটিতে ইস্পাতের চাহিদা ৭ দশমিক ৮ শতাংশ বৃদ্ধির পূর্বাভাস থাকলেও সেটি কমে ১ শতাংশে আসতে পারে। তবে এর বিপরীত চিত্র দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার বাজারে। আগামীতে ইস্পাতের বৈশ্বিক ব্যবহারের সবচেয়ে বেশি হতে পারে এ অঞ্চলের দেশগুলোয়। প্রতিষ্ঠানটির দেয়া তথ্য অনুযায়ী, আগামী বছর দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশগুলোয় ইস্পাতের চাহিদা বাড়বে ৫ দশমিক ৬ শতাংশ। যেখানে আগের প্রাক্কলনে ৩ দশমিক ১ শতাংশ বৃদ্ধির কথা জানানো হয়। এ অঞ্চলে অবকাঠামো খাতের দ্রুত প্রসারের কারণে ইস্পাতের চাহিদা বাড়বে। এ কারণেই উদীয়মান এসব বাজার ধরতে চীন এখন এ অঞ্চলের ইস্পাত খাতে বিনিয়োগ বাড়াতে চলেছে। সাউথ-ইস্ট এশিয়া আয়রন এন্ড স্টিল ইনস্টিটিউটের (এসইএআইএসআই) মহাসচিব তান আ ইয়ং জানান, দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশগুলোর ইস্পাত খাতে মেগা প্রকল্পে চীনের বিনিয়োগ বাড়ানোর পরিকল্পনা রয়েছে। এরই মধ্যে গত দু-তিন বছর দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশগুলোয় বিশেষ করে ফিলিপাইন, মালয়েশিয়া ও ইন্দোনেশিয়ায় বিনিয়োগ বাড়িয়েছে চীন।

২০০৭ সালে এসইএআইএসআইয়ের মহাসচিবের দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন তান আ ইয়ং। চলতি মাসেই তার অবসরে যাওয়ার কথা রয়েছে। তার বিদায় উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, আশিয়ানভুক্ত দেশগুলোয় বর্তমানে চীনের বিনিয়োগ রয়েছে। এখন পর্যন্ত অল্প পরিসরে উৎপাদন সক্ষম ছোট প্রকল্পে বিনিয়োগ করছে চীন।

অর্থ-শিল্প-বাণিজ্য'র আরও সংবাদ
Bhorerkagoj