সাবের হোসেন চৌধুরী : দক্ষ মানবসম্পদ গড়ে তুলতে হবে

শনিবার, ৯ নভেম্বর ২০১৯

কাগজ প্রতিবেদক : ঢাকা-৯ আসনের সাংসদ এবং বন, পরিবেশ ও জলবায়ু পরিবর্তন সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি সাবের হোসেন চৌধুরী বলেছেন, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বপ্নের সোনার বাংলা গড়তে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা অক্লান্ত পরিশ্রম করে যাচ্ছেন। যার বড় প্রমাণ পোশাক শিল্পে বাংলাদেশের দ্বিতীয় অবস্থান, খাদ্য, মাছ ও সবজি উৎপাদনে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জন, আইটি খাতের বিপ্লব। এত কিছুর পরও বাংলাদেশকে সত্যিকার অর্থে সফলতার চূড়ায় নিয়ে যাবে আমাদের দেশের মানবসম্পদ। জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বপ্ন বাস্তবায়নে দক্ষ মানবসম্পদ গড়তে হবে। তাই রাজনৈতিক নেতাসহ সবার উচিত, ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে মানবসম্পদ হিসেবে গড়ে তোলা।

গতকাল শুক্রবার সকালে রাজধানীর খিলগাঁওয়ে সবুজ মতি ভবনে সালমা উশু একাডেমির সহযোগিতায় বাংলাদেশ উশু নারী উন্নয়ন কমিটি আয়োজিত নারীদের সুস্বাস্থ্য ও আত্মরক্ষায় স্কুল ও কলেজভিত্তিক চায়নিজ মার্শাল আট উশু প্রশিক্ষণবিষয়ক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। সালমা উশু একাডেমির প্রতিষ্ঠাতা শারমিন সালতানা সালমার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের ধর্মবিষয়ক সম্পাদক এ এফ এম আবদুল্লাহ, উপ-প্রচার সম্পাদক মামুনুর রশিদ শুভ্র, বাংলাদেশ উশু একাডেমির সাধারণ সম্পাদক মো. দুলাল হোসেনসহ ঢাকা-৯ আসনের বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক, থানা ও ওয়ার্ড পর্যায়ের আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। সাবের হোসেন চৌধুরী বলেন, ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে মানবসম্পদ হিসেবে গড়ে তুলতে হলে শ্রেণিকক্ষে পাঠ্যপুস্তকের সঙ্গে বাইরের পাঠদানগুলোতেও গুরুত্ব দিতে হবে। কারণ শুধু পাঠ্যপুস্তকের মাধ্যমে কারো সম্পূর্ণ বিকাশ ঘটে না। তাকে শারীরিক ও মানসিকভাবেও বিকশিত করে তুলতে হবে। আর এর জন্য সবচেয়ে ভালো উপায় চায়নিজ মার্শাল আর্ট উশু। এটি যে শুধু আত্মরক্ষা ও মানসিক বিকাশে সহায়তা করবে তা নয়, এটি সবাইকে একজন ব্যক্তি হিসেবে গড়ে তুলতে সাহায্য করবে। সবাইকে শৃঙ্খলা দ্বারা পরিচালিত হতে শেখাবে। যেটি ছাড়া আমরা কাক্সিক্ষত লক্ষ্যে পৌঁছতে পারব না।

তিনি বলেন, অতীতে আমরা এই নির্বাচনী এলাকার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে সংস্কৃতি চর্চার ওপর জোর দিয়েছি। এখন থেকে প্রত্যেক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে উশু প্রশিক্ষণের জন্য একজন করে প্রশিক্ষকের ব্যবস্থা করব। একই সঙ্গে সামনের প্রতি বিজয় ও স্বাধীনতা দিবসে আন্তঃস্কুল প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হবে। সেখানে যারা ভালো করবে তাদের

স্কলারশিপ দিয়ে চীনের সবচেয়ে নাম করা স্কুলগুলোতে পাঠানোর ব্যবস্থা করা হবে। যাতে উশু প্রতিযোগিতায় ভবিষ্যতে বাংলাদেশ নেতৃত্ব দিতে পারে আর বাংলাদেশের পক্ষে নেতৃত্ব দেবে এই এলাকার শিক্ষার্থীরা।

রাজনৈতিক নেতাদের উদ্দেশ করে তিনি বলেন, প্রতিষ্ঠিত ধারা অনুযায়ী শুধু নিজ দল ও কর্মী নিয়ে আমরা রাজনীতি করি। কিন্তু উশুর মাধ্যমে আমাদের প্রত্যেক বাড়িতে যাওয়ার সুুযোগ রয়েছে। মনে রাখতে হবে রাজনীতি শুধু সম্মান নেয়ার জন্য নয়। আমি সমাজকে কী দিলাম, ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য কী করলাম সেটি ভাববার বিষয়। সুতরাং সবার প্রতি আহ্বান জানাচ্ছি, নিজ নিজ অবস্থান থেকে উশুর মতো কার্যক্রম পরিচালনা করতে।

শেষ পাতা'র আরও সংবাদ
Bhorerkagoj