সাইকেলে চড়ে ইউরোপের ইতিহাস দেখা

শনিবার, ৯ নভেম্বর ২০১৯

কাগজ ডেস্ক : প্রায় ৫০ বছর ইউরোপ ছিল পূর্ব আর পশ্চিমে বিভক্ত। চরম বৈরী দুই অংশের বিভাজনরেখার প্রতীকী নাম ছিল ‘দ্য আয়রন কার্টেল ট্রেল’ বা লৌহ যবনিকা। সেই রেখা এখন সাইকেলে ইউরোপ ঘুরে দেখার পথ। চলুন দেখে আসি…

কির্কেনেস, নরওয়ে

ঠাণ্ডা যুদ্ধের সেই সময়ের স্মৃতি ফিরিয়ে আনতে যাত্রা শুরু করতে হবে নরওয়ের কির্কেনেস শহরের কাছের এই রাস্তা থেকে। বন-জঙ্গলের ভেতর দিয়ে, হৃদের তীর ঘেঁষে এই পথ গিয়ে মিলেছে রাশিয়ার সীমান্তে।

সেন্ট পিটার্সবার্গ, রাশিয়া

এই পথে প্রথম শহরের দেখা পাওয়া যাবে রাশিয়ার সেন্ট পিটার্সবার্গে পৌঁছালে। ১৯২৪ থেকে ১৯৯১ সাল পর্যন্ত শহরটির নাম ছিল লেনিনগ্রাদ। এ শহরে নেভার নদীর তীরে রয়েছে দ্য হার্মিটেজ জাদুঘর। জাদুঘরটি ইউনেস্কোর বিশ্ব ঐতিহ্যের তালিকায় স্থান পেয়েছে।

তালিন, এস্তোনিয়া

সেন্ট পিটার্সবার্গ থেকে এস্তোনিয়ার রাজধানী তালিনে গেলে মুগ্ধ হবেন টাউন হল দেখে। এটিও ইউনেস্কোর বিশ্ব ঐতিহ্যের তালিকাভুক্ত।

রিগা, লাটভিয়া

বাল্টিক অঞ্চলের সবচেয়ে বড় শহর লাটভিয়ার রাজধানী রিগা। এই শহরের আর্ট নুভৌকেও বিশ্ব ঐতিহ্যের স্বীকৃতি দিয়েছে ইউনেস্কো।

গদানস্কে, পোল্যান্ড

বাল্টিক সাগরের তীর ধরে ধরেই এগিয়ে যায় সাইকেল। তাই পোলান্ডের গদানস্কে পৌঁছানোর পর মন চাইলে পানিতে ডুব দিয়ে আসতে পারেন। ভালোই লাগবে! এ শহর থেকেই শুরু হয়েছিল লৌহ যবনিকার পতন।

ল্যুবেক, জার্মানি

গদান্স্ক থেকে চলে আসুন জার্মানির ল্যুবেকে। এ শহরে গেলে হল্সটেন্টর গেটটা দেখতে ভুলবেন না কিন্তু!

ব্রাতি¯øাভা, ¯েøাভাকিয়া

সাইকেল নিয়ে এরপরে চলে যান ¯েøাভাকিয়ার ব্রাতি¯øাভে। এ শহরের সবচেয়ে দর্শনীয় স্থান ব্রাতি¯øাভা ক্যাসল। ১৯৯২ সালে এখানেই চূড়ান্ত হয়েছিল ¯েøাভাকিয়ার সংবিধান।

পয়েন্ট আলফা, জার্মানি

ঠাণ্ডা যুদ্ধের সময় পয়েন্ট আলফা নামটি নিয়মিতই স্থান পেতো খবরে। জার্মানির হেসে আর টুরিঙ্গিয়ার এই সীমান্ত অঞ্চলে সব সময়ই থাকত টানটান উত্তেজনা।

চেব, চেক প্রজাতন্ত্র

জার্মানির বাভারিয়া এবং স্যাক্সনির কাছেই চেক প্রজাতন্ত্রের শহর চেব। ৩০ হাজার অধিবাসীর এই শহরের কিছু স্থাপত্য দেখলে মনে হবে যেন মধ্য যুগের ফিরে গেছেন।

এদির্নে, তুরস্ক

দ্য আয়রন কার্টেন ট্রেল-এর ইতিহাস দর্শন শেষ হবে তুরস্কের এই শহরে গেলে। রোমানদের প্রতিষ্ঠা করা এই শহরের পাশেই বুলগেরিয়ার সীমান্ত।

দূরের জানালা'র আরও সংবাদ
Bhorerkagoj