রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ প্রকল্প : বালিশকাণ্ডের আরো ৭ জনকে দুদকের জিজ্ঞাসাবাদ

শুক্রবার, ৮ নভেম্বর ২০১৯

কাগজ প্রতিবেদক : নির্মাণাধীন রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ প্রকল্পে বালিশকাণ্ডসহ অন্যান্য দুর্নীতির অভিযোগ অনুসন্ধানের অংশ হিসেবে ৭ জন প্রকৌশলীকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। সংস্থাটির উপপরিচালক নাসির উদ্দিনের নেতৃত্বে একটি অনুসন্ধান টিম তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করেন। গতকাল বৃহস্পতিবার দুদকের প্রধান কার্যালয়ে সকাল ১০টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হয় বলে নিশ্চিত করেছেন কমিশনের জনসংযোগ কর্মকর্তা প্রণব কুমার ভট্টাচার্য।

জিজ্ঞাসাবাদ করা ব্যক্তিরা হলেন- পাবনা গণপূর্ত বিভাগের সহকারী প্রকৌশলী আমিনুল ইসলাম, পাবনা গণপূর্ত বিভাগের উপসহকারী প্রকৌশল শফিকুল ইসলাম, সুমন কুমার নন্দি, রাজশাহী গণপূর্ত সার্কেলের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী এ কে এম জিল্লুর রহমান, পাবনা গণপূর্ত বিভাগের উপবিভাগীয় প্রকৌশলী আহমেদ সাজ্জাদ খান, পাবনা গণপূর্ত বিভাগের উপসহকারী প্রকৌশলী শাহীন উদ্দিন ও জাহিদুল করিম। গত ৩ নভেম্বর রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক শৌকত আকবর ও উপপ্রকল্প পরিচালক হাসিনুর রহমানসহ মোট ৩৩ প্রকৌশলীকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তলব করে দুদক। যাদের ৬, ৭, ১১, ১২ ও ১৩ নভেম্বর জিজ্ঞাসাবাদের জন্য হাজির হতে বলা হয়েছে।

আগামী সোমবার যাদের তলব করা হয়েছে তারা হলেন- রাজশাহী গণপূর্ত অঞ্চলের অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী নজিবুর রহমান, সাবেক অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী শফিকুর রহমান, পাবনা গণপূর্ত সার্কেলের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী দেবাশীষ চন্দ্র সাহা, সহকারী প্রকৌশলী রাকিবুল ইসলাম, রওশন আলী, রাজশাহী সার্কেলের উপসহকারী প্রকৌশলী আহসানুল হক ও খোরশেদা ইয়াছরিবা।

এ ছাড়া ১২ নভেম্বর তলব করা ব্যক্তিরা হলেন- রাজশাহী গণপূর্ত অঞ্চলের নির্বাহী প্রকৌশলী আশরাফুল ইসলাম, সাবেক নির্বাহী প্রকৌশলী নুরুল ইসলাম, উপসহকারী প্রকৌশলী আলমগীর হোসেন, শাহনাজ আক্তার, পাবনা গণপূর্ত বিভাগের উপসহকারী প্রকৌশলী মো. শফিউজ্জামান ও রওশন আলী এবং রাজশাহী গণপূর্ত অঞ্চলের সাবেক সহকারী প্রকৌশলী মকলেছুর রহমান। ১৩ নভেম্বর যাদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে তারা হলেন- রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক শৌকত আকবর, উপপ্রকল্প পরিচালক হাসিনুর রহমান, উপসহকারী প্রকৌশলী মাহবুব রহমান, মেহেদী হাসান এবং পাবনা গণপূর্ত বিভাগের মো. রফিকুজ্জামান।

রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ প্রকল্পে বালিশকাণ্ডসহ দুর্নীতির বিভিন্ন অভিযোগের বিষয়ে গত ১৭ অক্টোবর দুদক কর্মকর্তা নাসির উদ্দিনকে প্রধান করে তিন সদস্যের একটি অনুসন্ধান দল গঠন করে। অনুসন্ধান দলের অপর দুই সদস্য হলেন- দুদকের সহকারী পরিচালক আতিকুর রহমান ও উপসহকারী পরিচালক মোহাম্মদ শাহজাহান মিরাজ।

এই জনপদ'র আরও সংবাদ
Bhorerkagoj