১৯৩ শতাংশ বেশি এসি বিক্রি করেছে ওয়ালটন

শুক্রবার, ৮ নভেম্বর ২০১৯

কাগজ প্রতিবেদক : এয়ার কন্ডিশনার বা এসি বিক্রিতে রেকর্ড সৃষ্টি করেছে ইলেকট্রনিক্স জায়ান্ট ওয়ালটন। চলতি বছর দেশের বাজারে ৮২ হাজার ইউনিট এসি বিক্রির লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছিল ওয়ালটন। দুই মাস বাকি থাকতে এসি বিক্রির টার্গেট ছাড়িয়েছে প্রতিষ্ঠানটি। ২০১৮ সালের তুলনায় এই বছরের জানুয়ারি থেকে অক্টোবর মাস পর্যন্ত ১৯৩ শতাংশ বেশি এসি বিক্রি হয়েছে তাদের। গবেষণার মাধ্যমে এসির মান শীর্ষে নিয়ে যাওয়ায় ওয়ালটনের প্রতি ক্রেতাদের আস্থা বেড়েছে। প্রায় ২২ শতাংশ মার্কেট শেয়ার নিয়ে দেশের এসি বাজারে এখন শীর্ষে ওয়ালটন।

এসি বিক্রির লক্ষ্যমাত্রা অর্জন উপলক্ষে গত ৬ নভেম্বর রাজধানীর ওয়ালটন করপোরেট অফিসে আয়োজন করা হয় ‘এসি সেলস অ্যাচিভমেন্ট সেলিব্রেশন’ প্রোগ্রামের। এ আয়োজনে কাটা হয় বিশাল কেক। উন্মুক্ত করা হয় ১ টনের নতুন মডেলের স্মার্ট ইনভার্টার স্পিøট এসি। পাশাপাশি এসি বিক্রিতে বিশেষ অবদান রাখায় ৩৩ জন কর্মকর্তা ও ব্যবসায়ীকে পুরস্কৃত করা হয়।

নতুন মডেলের এসি উন্মোচনের পর পুরস্কারপ্রাপ্তদের হাতে ক্রেস্ট এবং সনদ তুলে দেন ওয়ালটন হাই-টেক ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডের চেয়ারম্যান এস এম নুরুল আলম রেজভী, পরিচালক এস এম মাহবুবুল আলম এবং মাহবুব আলম মৃদুল।

এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন নির্বাহী পরিচালক এবং বিপণন বিভাগের প্রধান সমন্বয়ক ইভা রিজওয়ানা নিলু, নির্বাহী পরিচালক এমদাদুল হক সরকার, এস এম জাহিদ হাসান, মো. হুমায়ূন কবীর, তানভীর রহমান, এফ এম ইকবাল বিন আনোয়ার (ডন), মো. রায়হান, আমিন খান, ড. সাখাওয়াত হোসেন, উপদেষ্টা লে. জে. (অব.) চৌধুরী হাসান সারওয়ার্দী, ডেপুটি এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর শাহজাদা সেলিম, অপারেটিভ ডিরেক্টর রবিউল আলম ভূঁইয়া, অ্যাডিশনাল অপারেটিভ ডিরেক্টর খোন্দকার শাহরিয়ার মুরশিদ, ডেপুটি অপারেটিভ ডিরেক্টর মফিজুর রহমান, ওয়ালটন এসির গবেষণা ও উন্নয়ন বিভাগের প্রধান সন্দীপ বিশ্বাস এবং এসি সেলস এন্ড ডেভেলপমেন্ট বিভাগের প্রধান জাহিদুল ইসলাম প্রমুখ। অনুষ্ঠানে ওয়ালটন এসির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) মো. তানভীর রহমান জানান, ওয়ালটন এসির রয়েছে শক্তিশালী আরএন্ডডি (গবেষণা ও উন্নয়ন) টিম। যেখানে দক্ষ ও মেধাবী প্রকৌশলীরা প্রতিনিয়ত গবেষণার মাধ্যমে ক্রেতাদের চাহিদা, রুচি, ক্রয়ক্ষমতা অনুযায়ী সর্বশেষ প্রযুক্তি ও ফিচারের এসি উপহার দিচ্ছেন। যার ফলে ওয়ালটন এসির চাহিদা ব্যাপক বেড়েছে। চলতি বছরের শুরুতে ওয়ালটন এসির মাত্র ১০ শতাংশ মার্কেট শেয়ার ছিল।

নতুন এক টনের এসি সম্পর্কে সন্দীপ বিশ্বাস জানান, এই এসিতে সংযোজিত হয়েছে ইনভার্টার প্রযুক্তির কম্প্রেসর। ফলে তা ঘরের ভেতরের তাপমাত্রা বুঝে সেই অনুযায়ী রেফ্রিজারেন্ট সরবরাহ করে। ঘর ঠাণ্ডা হয়ে গেলে কম্প্রেসর ঘুমন্ত অবস্থায় থাকে। প্রয়োজন অনুযায়ী তাপমাত্রা সরবরাহ করে বলে এতে ৬০ শতাংশ পর্যন্ত বিদ্যুৎ সাশ্রয় হয়।

জানা গেছে, অনলাইনে দ্রুত বিক্রয়োত্তর সেবা নিশ্চিত করতে কাস্টমার ডাটাবেজ তৈরি করছে ওয়ালটন। এ উপলক্ষে চলছে ডিজিটাল ক্যাম্পেইন সিজন-৫। এর আওতায় ক্রেতাদের ডিজিটাল রেজিস্ট্রেশনে উদ্বুদ্ধ করতে এসিতে ১২ বছরের বিদ্যুৎ বিল ফ্রিসহ নানান সুবিধা দেয়া হচ্ছে। ওয়ালটন এসিতে রয়েছে ফ্রি ইন্সটলেশনসহ বিভিন্ন অংকের নিশ্চিত ক্যাশব্যাক।

এসব সুবিধার পাশাপাশি যে কোনো ব্র্যান্ডের পুরনো এসির বদলে ২৫ শতাংশ ছাড়ে ওয়ালটনের নতুন এসি কেনার সুযোগ রয়েছে। এ ছাড়া রয়েছে মাত্র ৪,৯০০ টাকা ডাউন পেমেন্টে ৩৬ মাসের সহজ কিস্তির সুবিধা, জিরো ইন্টারেস্টে ১২ মাসের ইএমআই (ইক্যুয়াল মান্থলি ইনস্টলমেন্ট), ৬ মাসের রিপ্লেসমেন্ট গ্যারান্টি এবং টুইন-ফোল্ড ইনভার্টার এসির কম্প্রেসরে ১০ বছরের গ্যারান্টি।

ওয়ালটনের প্রতিটি এসি আন্তর্জাতিকমানের টেস্টিং ল্যাব নাসদাত-ইউটিএস থেকে মান নিয়ন্ত্রণ ছাড়ের পর বাজারজাত করা হচ্ছে। দ্রুত ও সর্বোত্তম বিক্রয়োত্তর সেবা দিতে রয়েছে আইএসও সনদপ্রাপ্ত সার্ভিস ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম। যার আওতায় ৭২টি সার্ভিস পয়েন্টের মাধ্যমে বিক্রয়োত্তর সেবা দিচ্ছে ওয়ালটন।

অর্থ-শিল্প-বাণিজ্য'র আরও সংবাদ
Bhorerkagoj