বিসিএস লিখিত পরীক্ষায় ভালো করা

বৃহস্পতিবার, ৭ নভেম্বর ২০১৯

লিখিত পরীক্ষা খুবই সহজ, লিখে এলেই হয়। ফেল করা কঠিন বলে পাস করা আরো সহজ। এমনটি ভাবলে শুধু পাস করার সান্ত¡না পুরস্কার হিসেবে মৌখিক পরীক্ষা দিতে পারবেন আর কিছুই না।

এই সময় কোচিং দূরে থাকুক, নিতান্তই প্রয়োজন ছাড়া বাইরে যাওয়াও বাদ দিন। প্রিপারেশন প্রিপারেশন ভাব, প্রিপারেশনের অভাব-এমন হলে চলবে না। বাসায় বসে যত বেশি সম্ভব পড়াশোনা করুন, দিনে ১৫ ঘণ্টা।

কোচিংয়ে মডেল টেস্ট না দিলেও

ক্ষতি নেই। দিলেও টেস্টের নম্বর

দিয়ে নিজেকে পুরোপুরি মূল্যায়ন করবেন না।

সম্ভব হলে বাসার টুকিটাকি কাজের ভার একমাসের জন্য অন্য কাউকে দিয়ে দিন।

ফেসবুক থেকে যথাসম্ভব দূরে থাকুন। ফেসবুকিংয়ের ফাঁকে পড়া নয়, পড়ার ফাঁকে একটুখানি ফেসবুকিং করুন।

কে কতটুকু পড়ে ফেলেছেন, সে খবর নেবেন না। আপনি যা যা এখনো পড়েননি, তা তা পড়ে নিন।

যেসব প্রশ্ন বারবার পড়লেও মনে থাকে না, সেসব প্রশ্নকে গুডবাই বলে দিন। একটা বিষয় পড়তে পড়তে ক্লান্ত হয়ে পড়লে জোর করে ওই বিষয়টাই পড়তে থাকবেন না।

যে বিষয়টা ওই মুহূর্তে পড়তে ভালো লাগে, সেটাই পড়ুন।

চাকরি ঠিক রেখে প্রস্তুতি নেয়াটা বেশ কঠিন। চাকরিজীবী হলে পারলে কিছুদিনের জন্য ছুটি নিন।

পড়তে বসার সময় মোবাইল ফোন আর ল্যাপটপ হাতের কাছে রাখবেন না। রাত ১১টার পর থেকে মধ্যরাত পর্যন্ত ম্যাথস্, গ্রামার, অনুবাদ, মানসিক দক্ষতা প্র্যাকটিস করতে পারেন।

বাংলাদেশ ও আন্তর্জাতিক বিষয়াবলির জন্য প্রতিদিন ৪-৫টি পত্রিকা পড়ুন। খেয়াল করুন কোন কোন বিষয়গুলো বর্তমান সময়ের প্রেক্ষাপটে বেশি সামঞ্জস্যপূর্ণ। এ দুটি বিষয়ে কিছুটা কম সময় দিলেও চলবে।

সব বিষয়ের সব টপিক অন্তত একবার হলেও পড়ে নিন। পড়তে না পারলে চোখ বুলিয়ে নিন। যদি কোনো বিষয়ের প্রস্তুতি না নিয়ে ধরে নেন যে পরীক্ষার হলে এমনি এমনি পারবেন, তবে বোকার স্বর্গে বাস করছেন।

নিজের সাজেশনস রেডি করুন নিজে; সম্ভব হলে একাধিক সেট।

কারোর সাজেশনস অন্ধভাবে ফলো করবেন না।

:: ক্যাম্পাস ডেস্ক

ক্যাম্পাস'র আরও সংবাদ
Bhorerkagoj