হানিফউদ্দিনকে জানুন ও গর্বিত হোন

রবিবার, ৩ নভেম্বর ২০১৯


এই লেখাটির মূল উদ্দেশ্য বাংলাদেশের প্রথম প্রোগ্রামার মো. হানিফউদ্দিন মিয়ার জন্মের ৯০তম বর্ষপূতিতে শ্রদ্ধা জানানো। ১ নভেম্বর ১৯২৯ তিনি জন্মগ্রহণ করেন। আমি তার প্রতি শ্রদ্ধা জানানো শুরু করি ১৯৯৭ সাল থেকে। সেই বছর মে মাসে বাংলাদেশ টেলিভিশনে প্রথম প্রচারিত কম্পিউটার অনুষ্ঠানে আমি তার প্রথম ও একমাত্র সাক্ষাৎকার সম্প্রচার করেছিলাম। তার জীবদ্দশায় আর কোনো সাক্ষাৎকারের কথা আমি জানি না। এবার ২০১৯ সালে ডাক বিভাগের পক্ষ থেকে আমরা তাকে স্মরণ করে একটি স্মারক ডাক টিকেট প্রকাশ করেছি। ৩১ অক্টোবর জিপিও ভবনে আমি ডাক টিকেটটি অবমুক্ত করি। এই অনুষ্ঠান সম্পর্কে মিডিয়ার খবর, ‘ডাক ও টেলিযোগাযোগমন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার বলেছেন, ১৯৮৭ সালে কম্পিউটারে বাংলা ভাষার সূচনা সম্ভব হতো না যদি ১৯৬৪ সালে এই অঞ্চলের প্রথম কম্পিউটার প্রোগ্রামার মো. হানিফউদ্দিন মিয়ার হাত ধরে কম্পিউটার না আসত। সেই সময়ে একটি মাত্র আইবিএম ১৬২০ মডেলের কম্পিউটার থেকে হানিফউদ্দিন মিয়ার হাত ধরে একটি তথ্যপ্রযুক্তি কমিউনিটির ভিত্তি স্থাপিত হয়েছিল। এটি ছিল দক্ষিণ এশিয়ার প্রথম কম্পিউটার। তিনি হানিফউদ্দিন মিয়াকে কম্পিউটার বিপ্লবের জাতীয় বীর আখ্যায়িত করে তার জীবনী পাঠ্যপুস্তকে অন্তর্ভুক্ত করার দাবি জানান।’ এর আগে ২০১৫ সালে তাকে আমরা আজীবন সম্মাননা প্রদান করি।

২০১৯ সালের শুরুতে নাটোরের সিংড়া যাওয়ার জন্য আমন্ত্রণ পেয়েছিলাম তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলকের কাছ থেকে। তিনি সিংড়া থানার ১৫০ বছর উদযাপন করবেন বলে আমাকে আমন্ত্রণ জানিয়েছিলেন। সেই সূত্র ধরেই সিংড়া গিয়েছিলাম। পলকের সিংড়া উপজেলা সদরের অনুষ্ঠান সম্পন্ন করে আমি দাবি করেছিলাম যে হুলহুলিয়া গ্রামে যাব। পলকের সঙ্গে সিংড়া যাব এমন আলাপ করার সময়েই আমি এই দাবিটি তুলেছিলাম। পলক তাতে রাজি হয়েছিলেন। সেই ইচ্ছার বাস্তবায়নও করেছি আমরা। তবে একটু দেরিতে গিয়েছিলাম হুলহুলিয়া গ্রামে। সিংড়ার অনুষ্ঠান শেষ করতে দেরি হওয়ার ফলে হুলহুলিয়া পৌঁছাতে বেশ রাত হয়ে যায়। আমার সঙ্গী ছিলেন পলক নিজে এবং বিজয় ডিজিটালের প্রধান নির্বাহী জেসমিন জুঁই ও তার মেয়ে ফাবিহা তাবাসসুম পরমা। দেরিতে যাওয়ার পরও সেখানে গিয়ে আমরা স্তম্ভিত। হানিফউদ্দিন মিয়ার কবরের কাছেই একটি মাঠে প্যান্ডেল টানিয়ে মঞ্চ সাজিয়ে গ্রামবাসী একটি বিশাল অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছিল। আমি বিকেলে যাব জেনে তারা সেই বিকেল থেকে রাত অবধি বসা। হানিফউদ্দিনের ছেলে সুজাও ঢাকা থেকে গ্রামের বাড়িতে গিয়েছিলেন। আমরা হানিফউদ্দিন মিয়ার প্রতি পরম শ্রদ্ধা জানিয়ে তার আত্মার মাগফেরাতের জন্য দোয়া করে বিদায় নিলাম। ফেরার পথে দেখলাম সড়ক থেকে কিছুটা দূরে হানিফউদ্দিন মিয়ার মাজার রয়েছে। কষ্ট হলো মাজারটি জিয়ারত করতে পারিনি বলে। তবে শান্তি পেলাম একজন পূর্বপুরুষের প্রতি তার গ্রামে গিয়ে শ্রদ্ধা জানাতে পেরেছি ভেবে। ভাবছি অন্য কোনো উপলক্ষ তৈরি করে আবার যাব হুলহুলিয়া গ্রামে। আপনাদের নিশ্চয়ই আগ্রহ জন্মেছে এটি জানতে যে কী আছে সেই হুলহুলিয়া গ্রামে। হানিফউদ্দিন মিয়াই বা কে? এখনো অনেকে জানেন না যে, বাংলাদেশের প্রথম কম্পিউটার প্রোগ্রামার কে? এমনকি যারা কম্পিউটার বিজ্ঞান পড়ে তারাও জানে না যে কার হাত ধরে ১৯৬৪ সালে আমরা কম্পিউটারের যুগে পা ফেলেছিলাম। মানুষটি যেমনি বিস্মৃত তেমনি ঘটনাটিও। অতি সম্প্রতি বিষয়টি আমাদের কোনো কোনো মিডিয়ার নজরে পড়েছে। সেটিও একটি সম্মাননা পাওয়ার পর। এ বিষয়টি দৈনিক সমকাল পত্রিকায় এভাবে বলা হয়েছে- দেশের প্রথম কম্পিউটার প্রোগ্রামার হানিফউদ্দিন মিয়াকে মরণোত্তর সম্মাননা জানিয়েছে আইসিটি বিভাগ ও বাংলাদেশ কম্পিউটার সমিতি। বাংলাদেশ আইসিটি এক্সপো-২০১৫ শীর্ষক মেলার সমাপনী আয়োজনে হানিফউদ্দিন মিয়ার স্ত্রী ও সন্তানের হাতে সম্মাননা স্মারক তুলে দেয়া হয়। …সম্মাননা স্মারক তুলে দেন অর্থমন্ত্রী (সাবেক) আবুল মাল আবদুল মুহিত। অনেকটা পাদপ্রদীপের আলোয় না থাকা প্রয়াত এই প্রোগ্রামার এই ছোট আয়োজনের মাধ্যমে নতুন করে আলোচনায় উঠে এসেছিলেন।

কম্পিউটারের সঙ্গে সখ্য হলো কীভাবে হানিফউদ্দিন মিয়ার এটি জানতে হলে ফিরে যেতে হবে তার তারুণ্যে। বাংলাদেশের গৌরব, নাটোরের এই কৃতী সন্তান পরমাণু বিজ্ঞানী হানিফউদ্দিন মিয়া ১৯২৯ সালের ১ নভেম্বর নাটোরের সিংড়ার হুলহুলিয়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। স্কুলশিক্ষক পিতা রজব আলী তালুকদারের দুই পুত্র ও এক কন্যাসন্তানের মধ্যে জ্যেষ্ঠ তিনি। সংসারে অভাব না থাকলেও উচ্চশিক্ষার জন্য জায়গির থাকতে হয় তাকে। ১৯৪৬ সালে ক্যালকাটা ইউনিভার্সিটি থেকে ম্যাট্রিকুলেশন পাস করেন। ১৯৪৮ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে প্রথম বিভাগে আইএসসি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হন। ১৯৫১ সালে কৃতিত্বের সঙ্গে বিএসসিতেও প্রথম বিভাগ লাভ করেন। এরপর ১৯৫২ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকেই এমএসসি পরীক্ষায় ফলিত গণিতে প্রথম শ্রেণিতে স্বর্ণপদকসহ প্রথম স্থান অর্জন করেন। এরপর ১৯৬০ সালে ইনস্টিটিউট অব ইনফরমেশন থিওরি এন্ড অটোমেশন, চেকো¯েøাভাক একাডেমি অব সায়েন্স, প্রাগ থেকে অ্যানালগ কম্পিউটার টেকনিক এবং ডিজিটাল কম্পিউটার প্রোগ্রামিংয়ে প্রশিক্ষণ গ্রহণ করেন। ১৯৬৪ সালে সিস্টেম অ্যানালিসিস, নিউমেরাল ম্যাথমেটিকস, অ্যাডভান্স কম্পিউটার প্রোগ্রামিং, অপারেশন রিসার্চে এমআইটি (যুক্তরাষ্ট্র) কম্পিউটার সেন্টার থেকে প্রশিক্ষণ গ্রহণ করেন। ১৯৭৫ সালে আইবিএম রিসার্চ সেন্টার লন্ডন থেকে অপারেটিং সিস্টেম ও সিস্টেম প্রোগ্রামিংয়ে ট্রেনিং করেন। তারপর তিনি ১৯৭৫ থেকে ১৯৮০ সালে আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি সংস্থায় (ওঅঈঊ) প্রোগ্রামার অ্যানালিস্ট হিসেবে অ্যানালাইসিস, ডিজাইন, সফটওয়্যার ইমপ্লিমেশন অব কম্পিউটার অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রাম সংক্রান্ত বিষয়ে কর্মরত ছিলেন। তিনি ১৯৮৮ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে খণ্ডকালীন শিক্ষকতা করেন। এ ছাড়া বিভিন্ন সময়ে তিনি অঙ্কশাস্ত্র ও কম্পিউটার বিষয়ে শিক্ষকতা করেছেন। পারিবারিক জীবনে স্ত্রী ফরিদা বেগম ও এক পুত্র এবং দুই কন্যাসন্তানের জনক দেশের প্রথম কম্পিউটার প্রোগ্রামার মো. হানিফউদ্দিন উদ্দিন মিয়া। পুত্র শরীফ হাসান সুজা দীর্ঘ ২৩ বছর সিমেন্স বাংলাদেশে প্রকৌশলী হিসেবে কর্মরত ছিলেন। বর্তমানে একটি বেসরকারি হাউজিং কোম্পানিতে কাজ করছেন। অন্যদিকে তার মেয়ে ডোরা শিরিন পেশায় একজন ডাক্তার। আর অপর মেয়ে নিতা শাহীন গৃহিণী। নাটোর জেলার সিংড়া উপজেলার হুলহুলিয়া গ্রামের এই কৃতী সন্তান বাংলাদেশ অ্যাটোমিক এনার্জি কমিশনের কম্পিউটার সার্ভিস ডিভিশনের ডিরেক্টর পদে অধিষ্ঠিত ছিলেন। প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষার বিষয় কম্পিউটার সায়েন্স ও নিউমেরাল ম্যাথেমেটিকস থাকা সত্ত্বেও শিল্প-সাহিত্যসহ আরো নানাবিধ বিষয়ে জ্ঞান অর্জনের প্রতি তার ছিল অপরিসীম আগ্রহ। তিনি বাংলা ও ইংলিশ ছাড়াও উর্দু, আরবি, হিন্দি, জার্মান ও রাশিয়ান ভাষা জানতেন। এদিকে ২০০১ সালে দেশে ব্যবহƒত প্রথম কম্পিউটারটিকে জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি জাদুঘরে সংরক্ষণ করা হয়। এর এক বছর আগে ২০০০ সালে নিজ গ্রাম হুলহুলিয়া হাই স্কুলে দুটি আইবিএম ডেস্কটপ কম্পিউটার উপহার দেন তিনি। এরপর থেকেই এই গ্রাম থেকে ডাক্তারের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়তে থাকে কম্পিউটার প্রকৌশলীর সংখ্যা। ছোট্ট এই গ্রাম থেকে বেড়ে উঠেছেন শতাধিক প্রকৌশলী। ২০০৭ সালের ১১ মার্চ না ফেরার দেশে পাড়ি জমান তিনি। তবে মৃত্যুর পূর্বে তিনি বিভিন্ন সময়ে গণিতশাস্ত্র ও কম্পিউটার বিষয়ে শিক্ষকতা করেছেন। বাংলাদেশ গণিত সমিতিরও অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা তিনি। বাংলাদেশ কম্পিউটার বিজ্ঞানের অগ্রযাত্রার সঙ্গে মোহাম্মদ হানিফউদ্দিন মিয়ার নাম গভীরভাবে সম্পৃক্ত।

হানিফউদ্দিন মিয়াকে নিয়ে আমার নিজের খুব ছোট স্মৃতিচারণ রয়েছে। ১৯৯৭ সালের এপ্রিল মাসে বাংলাদেশ টেলিভিশন প্রথম আমাকে কম্পিউটার বিষয়ক একটি অনুষ্ঠান করার অনুমতি প্রদান করে। বাংলাদেশে কম্পিউটার নিয়ে এর আগে আর কোনো অনুষ্ঠান হয়নি। তবে আমি এর আগেও এমন একটি অনুষ্ঠান করার চেষ্টা করে আসছিলাম। কিন্তু ১৯৯৬ সাল পর্যন্ত ক্ষমতাসীন সরকার আমাকে পছন্দ না করায় এবং ১৯৯৬ পরবর্তী সরকারের সহানুভূতি পাওয়ায় বিটিভির একজন প্রখ্যাত প্রযোজককে আমার এই অনুষ্ঠানটি করতে দেয়া হয়। সেই প্রযোজক লুৎফর রহমান তালুকদার এখন আর বিটিভিতে নেই। তবে তার সহকারী বরকত বহুদিন আমার কম্পিউটার অনুষ্ঠান করেছে। আমরা যে সাভার গিয়েছিলাম এবং আমার আরামবাগ অফিসে যে শুটিং করেছিলাম সেটি এখনো বরকত মনে করতে পারে। হানিফউদ্দিন মিয়ার কথাও বরকত ভোলেনি।

২০১৪ সালের শুরুতে বাংলাদেশ কম্পিউটার সমিতির সভাপতি থাকাকালে বাংলাদেশে কম্পিউটার আসার ৫০ বছর উদযাপনের জন্য চেষ্টা করি। তার আগে বাংলাদেশ কম্পিউটার সমিতির ২৫ বছর উদযাপনের জন্যও চেষ্টা করি। কিন্তু দেশের রাজনৈতিক অবস্থা আমার সহায়ক হয়নি। তবে আমি হাল ছাড়িনি। আমার নিজের কাছে মনে হয়েছে আর কিছু না হোক দেশের তথ্যপ্রযুক্তি খাতের মানুষদের কাছে অন্তত হানিফউদ্দিন মিয়ার নামটা পৌঁছানো দরকার। এক কথায় যদি বলি তবে এর সঙ্গে যারা যুক্ত তাদের সবার দুয়ারে দুয়ারে আমি ঘুরেছি। আমি বেসিস-বিসিএস-পরমাণু শক্তি কমিশন, আইসিটি ডিভিশন সবাইকেই সুবর্ণজয়ন্তীর কথা বলেছি। জাতীয় বিজ্ঞান পরিষদ দিবসটি উদযাপনের সিদ্ধান্তও নেয়। কিন্তু কোনোটাই কার্যকর হয়নি। একেবারে শেষ চেষ্টাটি কাজে লেগেছে। ২০১৫ সালে আইসিটি ডিভিশন ও বাংলাদেশ কম্পিউটার সমিতি যখন বাংলাদেশ আইসিটি এক্সপোর আয়োজন করে তখন কোনো এক কারণে আমি সেমিনার কমিটির চেয়ারম্যান হই। সেই সুবাদে এই ডিভিশনের প্রতিমন্ত্রী জুনায়েদ আহমেদ পলকের সঙ্গে কথা হয়। পলককে হানিফউদ্দিনের কথা উচ্চারণ করার সঙ্গে সঙ্গে তিনি এতে সম্মতি প্রদান করেন। এই ডিভিশনের কর্মকর্তারা আমার ঘাড়ে একটি বাড়তি দায়িত্ব দিলেন তার পরিবারকে খুঁজে বের করার। আমি সেই কাজটিও করলাম। জানা গেল যে, তার স্ত্রী মারাত্মকভাবে অসুস্থ। সম্মাননা দেয়ার আগের রাতে আমি সেই মহিলার সঙ্গে কথা বললাম। তিনি আসতে রাজি হননি। কিন্তু একরকম জোর করেই আমি তাকে রাজি করালাম এবং সেদিন ১৭ জুন ২০১৫ সম্মাননা প্রদান অনুষ্ঠানে কেবল তিনি আসেননি তার তৃতীয় প্রজন্ম ছেলের ছেলে নাতি ইরফানকেও নিয়ে এলেন। আমি মনে করি, বাংলাদেশের তথ্যপ্রযুক্তির ইতিহাসে এটি একটি মাইলফলক ঘটনা। ইরফান সেদিন মঞ্চে দাঁড়িয়ে বলেছিল, আমি জানতাম না আমার দাদা এত বড় মাপের মানুষ ছিলেন। সত্যিকার অর্থে আমরাও জানতাম না তিনি কত বড় মাপের মানুষ ছিলেন।

মোস্তাফা জব্বার : তথ্যপ্রযুক্তিবিদ ও কলাম লেখক।

মুক্তচিন্তা'র আরও সংবাদ
আহমদ কামরুজ্জমান মজুমদার

বায়ুদূষণ রোধে করণীয়

সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী

রাষ্ট্রের স্বভাব ও চরিত্র

মাহফুজা অনন্যা

পেঁয়াজ সংকট কোন পথে?

মুসাহিদ উদ্দিন আহমদ

দিল্লিকে ছাড়িয়ে যাচ্ছে ঢাকা

মোহাম্মদ আবদুল মজিদ

একজন সৃজনশীল সুভাষ দত্ত

মুহম্মদ জাফর ইকবাল

ধূসর আকাশ, বিষাক্ত বাতাস

অধ্যাপক ড. অরূপরতন চৌধুরী

আসুন, পরিবারকে ডায়াবেটিসমুক্ত রাখি

Bhorerkagoj