সফলতা-ব্যর্থতা ও প্রতিশ্রæতিতে

শনিবার, ২ নভেম্বর ২০১৯

মিশা সওদাগর-জায়েদ খানবাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির এবারের নির্বাচনে সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক পদে নির্বাচিত হয়েছেন মিশা সওদাগর ও জায়েদ খান। তারা দুজনেই টানা দ্বিতীয়বারের মতো এ পদে বসেছেন। মৌসুমী ও মিশা সওদাগর ব্যক্তিজীবনে দীর্ঘদিনের বন্ধু। নির্বাচনের কারণে তাদের মধ্যকার স¤পর্কে কিছুটা শীতলতা দেখা গিয়েছে। যদিও মিশা সওদাগর বিষয়টি মানতে নারাজ। তিনি বলেন, আমাদের মধ্যে কোনো প্রকার দ্ব›দ্ব নেই। এগুলো ভুল খবর। কে যে বলে আপনাদের।

তা ছাড়া নির্বাচনের দিন বা তারও আগে দেখেছেন আমরা দুজন একসঙ্গে ভোটারদের সঙ্গে আড্ডা দিয়েছি, মজা করেছি। শিল্পীদের প্রতিনিধি হিসেবে আমরা নির্বাচন করেছি। এখন হয়তো ভোটের অঙ্কের হিসেবে আমি জিতেছি, কিন্তু বাস্তবে কিন্তু শিল্পীরা হারে না।

অনেকটা একই ভঙ্গিতে জায়েদ খানও বলেন, শিল্পীরা আমরা একটা পরিবার। এখানে কেউ হারেনি। আমরা সবাই এক সঙ্গে কাজ করে শিল্পী ও শিল্পের মর্যাদা অক্ষুণœ রাখতে চাই।

টানা ক্ষমতা অনেক সময় মানুষকে স্বৈরাচারী বানিয়ে দেয়। একধরনের অহংকারী করে দেয়। আবার দায়িত্বও বাড়িয়ে দেয়।

আমাদের সমিতির কোনো শিল্পী বলতে পারবে না আমরা তাদের সঙ্গে খারাপ ব্যবহার করেছি। যদি বলেন অহংকারের যদি আমাদের মতো রাত-বিরাতে শিল্পীদের বিপদে আপদে আর কেউ ছুটে যায়নি- বললেন মিশা সওদাগর।

জায়েদ খান বলেন, বিষয়টি অন্যের বেলায় কথাটা সত্য জানি না। কিন্তু শিল্পী সমিতির নেতৃত্বের বেলায় বিষয়টি একেবারেই অমূলক। কারণ শিল্পী সমিতি হলো অলাভজনক ও সেবামূলক সংগঠন। এখানে স্বেচ্ছাচারিতার সুযোগ নেই।

নির্বাচনের আগে আগের কমিটির রিয়াজসহ কয়েকজন শিল্পী অভিযোগ তুলেছেন নানা বিষয়ে। তবে এ বিষয়ে মিশা-জায়েদের কেউই মন্তব্য করতে চান না। তারা বলেন, এ বিষয়ে তো নির্বাচনের আগে আমরা অনেক কথায় বলেছি। নতুন করে কথা বাড়াতে চাই না।

কতটুকু সফল? নতুন করে কী করবেন? জায়েদ বললেন, আমরা বলতে পারেন সত্তর শতাংশ সফল। আগে দেয়া প্রতিশ্রæতির মধ্যে আবাসন ও ফান্ডের ব্যাপারে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলতে চাই। বিশেষ করে তিনি যাতে একটি শিল্পীপল্লী গড়ে দেন। শিল্পীরা হলেন সম্মানিত মানুষ। তারা যেন অসহায়-দুস্থ অবস্থায় পড়ে থাকতে না হয়, সে ব্যবস্থায় করে যাবো।

মিশা সওদাগর এর বাইরে যোগ করলেন, আমরা শিল্পীদের জন্য অভিনয় কর্মশালার আয়োজন করব। যাতে নবীন শিল্পীরা তাদের অভিনয়কে আরো ঝালিয়ে নিতে পারে।

১১৮ জনের সদস্যপদ বাতিল নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। বলা হচ্ছে নির্বাচনের আগে এ বাতিল আদেশ নির্বাচনের ফলে প্রভাব ফেলেছে। মিশা সওদাগর অবশ্য এটি নিয়ম মেনেই করে হয়েছে বললেন। যারা বাদ পড়েছেন তারা চাইলে কিন্তু নতুন করে আপিল করতে পারবেন। এদের ভিতরে প্রকৃত শিল্পী যদি কেউ বাদ পড়ে অবশ্যই তাকে সদস্যপদ ফিরিয়ে দেয়া হবে যাচাই-বাছাই করে।

:: মেলা প্রতিবেদক

মেলা'র আরও সংবাদ
Bhorerkagoj