ভিনদেশি খেলা : ব্যাডমিন্টন

মঙ্গলবার, ২৯ অক্টোবর ২০১৯

ব্যাডমিন্টন একপ্রকার র‌্যাকেট নির্ভর খেলা। এ খেলা একক বা যুগ্মভাবে খেলা যায়। ব্যাডমিন্টন খেলার জন্য নেট দ্বারা বিভক্ত একটি আয়তাকার কোর্ট প্রয়োজন হয়। খেলোয়াড় র‌্যাকেটের সাহায্যে তার প্রতি›দ্ব›দ্বীর কোর্টে শাটলককটি ছুড়ে দিয়ে স্কোর সংগ্রহ করেন। শাটলকক একবার মাটি স্পর্শ করলেই একটি শেষ হয়। ১৯৭১ সালের স্বাধীনতা যুদ্ধের পর গঠন করা হয় বাংলাদেশ ব্যাডমিন্টন ফেডারেশন (ইইঋ)। বর্তমানে বাংলাদেশের শহর ও গ্রামে অন্যান্য খেলার মতো ব্যাডমিন্টনও বেশ জনপ্রিয়তা লাভ করেছে।

বাংলাদেশ ব্যাডমিন্টন ফেডারেশন এশিয়ান ব্যাডমিন্টন চ্যাম্পিয়নশিপ, এশিয়ান স্যাটেলাইট ব্যাডমিন্টন চ্যাম্পিয়নশিপ, সার্ক ব্যাডমিন্টন চ্যাম্পিয়নশিপসহ আরো অনেকগুলো আন্তর্জাতিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করে। বাংলাদেশ ব্যাডমিন্টন ফেডারেশন কর্তৃক আয়োজিত উল্লেখযোগ্য টুর্নামেন্টসমূহের মধ্যে রয়েছে সামার ওপেন ব্যাডমিন্টন টুর্নামেন্ট, প্রথম বিভাগ ব্যাডমিন্টন লিগ, জাতীয় ব্যাডমিন্টন চ্যাম্পিয়নশিপ, জাতীয় জুনিয়র ও সাব-জুনিয়র ব্যাডমিন্টন চ্যাম্পিয়নশিপ, দ্বিতীয় বিভাগ ব্যাডমিন্টন লিগ প্রভৃতি। ঊনবিংশ শতাব্দীর মধ্যভাগে ভারতে নিযুক্ত ব্রিটিশ সেনা অফিসারেরা এই খেলা উদ্ভাবন করেন। তারা ইংল্যান্ডের ঐতিহ্যবাহী খেলা ব্যাটলডোর ও শাটলককে একটি নেট যুক্ত করে এই খেলার প্রচলন করেন। ব্রিটিশ গ্যারিসন নগরী পুনায় এই খেলা বিশেষ জনপ্রিয় ছিল ১৮৭০ সালের দিকে এটি ইংল্যান্ডে জনপ্রিয় হয়ে ওঠে। ডিউক অব বোফর্ট-এর আবাসস্থলের (এৎবধঃ ইধফসরহঃড়হ) নামানুসারে ব্যাডমিন্টন নামটি দেয়া হয়েছে। ঊনবিংশ শতাব্দীর শেষভাগে এই খেলা ইংল্যান্ডে ব্যাপক প্রচার পায়। ১৯৩৪ সালে ওহঃবৎহধঃরড়হধষ ইধফসরহঃড়হ ঋবফবৎধঃরড়হ (ওইঋ) গঠিত হয়। মেয়েদের জন্য সর্বপ্রথম টুর্নামেন্টের ব্যবস্থা করা হয় ১৯৫৭ সালে। মিসেস এইচ.এস উবার মহিলাদের জন্য একটি কাপ প্রদান করেন। বর্তমানে মহিলাদের টুর্নামেন্টের কাপটি উবার কাপ নামে পরিচিত। এর দুই বছর পর ১৯৫৯ সালে মালয়েশিয়ার রাজধানী কুয়ালালামপুরে এশিয়ার কয়েকটি দেশের প্রতিনিধিদের এক বৈঠকের মাধ্যমে অংরধহ ইধফসরহঃড়হ ঋবফবৎধঃরড়হ (অইঋ) গঠন করা হয়। ১৯৬৬ সালে এশিয়ান গেমস-এ ব্যাডমিন্টনকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়।

:: আ ত ম মাসুদুল বারী

গ্যালারি'র আরও সংবাদ
Bhorerkagoj