সুস্থ সংস্কৃতি চর্চার গুরুত্ব

বৃহস্পতিবার, ১৭ অক্টোবর ২০১৯

শ্রীধর দত্ত

যে কোনো প্রযুক্তির যেমন ভালো দিক রয়েছে, ঠিক তেমনি খারাপ দিকও রয়েছে। ইন্টারনেটের মাধ্যমে আমরা বিভিন্ন দেশের সংস্কৃতির সঙ্গে পরিচিত হই। বিদেশি সংস্কৃতি মানে অপসংস্কৃতি নয়, যদি তা আমাদের জীবনকে বিপথে পরিচালিত না করে। যে সংস্কৃতি আমাদের জীবনকে বিপথে পরিচালিত করে সেটাই হলো অপসংস্কৃতি। সেটা দেশি বা বিদেশি যাই হোক না কেন।

বর্তমান ইন্টারনেটের যুগে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে আমাদের জীবনে অপসংস্কৃতির অনুপ্রবেশ করছে। অপসংস্কৃতির হিংস্র ছোবলে আমাদের কোমলমতি কিশোর-কিশোরী ও তরুণ সমাজ বিপথগামী হচ্ছে। তারা দেশি সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যকে বিসর্জন দিয়ে কুঅভ্যাসের প্রতি আকৃষ্ট হয়ে আত্মতৃপ্তি পাচ্ছে। সংস্কৃতি যেখানে মানুষকে সুন্দর পথ দেখায়, সেখানে অপসংস্কৃতি মানুষকে ধ্বংসের দিকে ঠেলে দেয়। অপসংস্কৃতি স্থায়ী নয় তা ক্ষণিকের জন্য উত্তেজক। নিছক জৌবিক পরিতুষ্টির পাশবিক চিন্তাধারা ছাড়া আর কিছুই নয়। আমাদের তরুণ সমাজ যেহেতু জাতির কর্ণধার, সেহেতু তারা অপসংস্কৃতি গ্রহণ করার পূর্বেই তাদের সংস্কৃতি ও অপসংস্কৃতি সম্পর্কে প্রাথমিক বিদ্যালয় ও উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয় জ্ঞান দিতে হবে। অপসংস্কৃতির থেকে মুখ ফেরানোর জন্য স্কুল-কলেজে গান, আবৃতি, বিতর্ক প্রতিযোগিতা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও খেলাধুলা প্রতি মনোনিবেশ করা অতীব প্রয়োজন। প্রতিটি অভিভাবকের উচিত তাদের সন্তানদের গাইড দেয়া, তারা কোথায় যাচ্ছে, কী করছে, সেজন্য সজাগ দৃষ্টি রাখা। সন্তানের প্রতি অভিভাবকের সুদৃষ্টি ও সুচিন্তাই সমাজ-দেশকে সুন্দর ভবিষ্যতের দিকে নিয়ে যাবে।

:: পটিয়া, চট্টগ্রাম।

মুক্তচিন্তা'র আরও সংবাদ
ফাহিম ইবনে সারওয়ার

গভীর সংকটে জাবি

মাহফুজা অনন্যা

আবারো আবরারের অপমৃত্যু!

Bhorerkagoj