নৈতিক স্খলনে শিশুহত্যা

বৃহস্পতিবার, ১৭ অক্টোবর ২০১৯

মোস্তফা নূরুজ্জালাল হীরা

আবরারের শোকে এখনো কাতরাচ্ছে দেশ কিন্তু নরপশুরা থেমে নেই। কী নির্মমভাবেই না কেড়ে নিল শিশু তুহিনের প্রাণ। হত্যাকাণ্ড যেন নিয়মিত একটা চর্চা হয়ে দাঁড়িয়েছে। দুঃখ-কষ্ট, যন্ত্রণা, অত্যাচার, নিপীড়ন, নির্যাতন সব মিলিয়ে আমাদের সাধারণ মানুষের পিঠ দেয়ালে ঠেকে গেছে। বলতে গিয়েও পারি না। বাক-স্বাধীনতায় আঘাত আসে। প্রতিবাদ করতে গিয়েও একঘেয়েমি চলে আসছে, কী হবে প্রতিবাদ করে, অপরাধীরা তো পার পেয়েই যাবে! এত দুঃখ-কষ্ট আড়াল করে রাখাও যায় না, চাপা কষ্টে বুক ফেটে যায়। সুনামগঞ্জের দিরাইয়ের ছোট ছেলে তুহিনকে হত্যা করা হয়েছে। সে তো আবরারের মতো ফেসবুকে স্ট্যাটাস দেয়নি, শিবিরের বেøমও নেই তার। তবে কেন? এই মাসুম বেগুনাহ নিষ্পাপ ছেলেকে রাতের আঁধারে বিছানা থেকে তুলে নিয়ে হত্যা করা হলো?

গলায় ফাঁসি, কান, লিঙ্গচ্ছেদ করে পেটে দুই-দুটি ছুরি ঢুকিয়ে কেন এই নৃশংস হত্যাকাণ্ড? আমরা আমাদের মানবিকতা, মানবিক মূল্যবোধ কি হারিয়ে ফেলেছি? চেতনাহীন নরপশু, জঘন্যতম জাতিতে পরিণত হয়েছি আমরা। ন্যায্য বিচারের আশায় টাকার কাছে আমরা বন্দি। অপরাধীরা অপরাধ করে পার পেয়ে যাচ্ছে। সুষ্ঠু বিচার হচ্ছে না। আজ যদি সুষ্ঠু বিচার ব্যবস্থা কার্যকর থাকত, দ্বিতীয়বার এ রকম হৃদয়ে রক্তক্ষরণমূলক ঘটনা শুনতে হতো না। আমরা তুহিন হত্যার বিচার চাই। সঠিক বিচারের দৃষ্টান্ত স্থাপন করুন। তুহিনের হত্যাকারীদের দ্রুত বিচারের আওতায় এনে সঠিক বিচার করুন।

:: শিক্ষার্থী, জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়।

মুক্তচিন্তা'র আরও সংবাদ
ফাহিম ইবনে সারওয়ার

গভীর সংকটে জাবি

মাহফুজা অনন্যা

আবারো আবরারের অপমৃত্যু!

Bhorerkagoj