চলাচলের অযোগ্য কটিয়াদী উপজেলা পরিষদ সড়ক : সংস্কারের উদ্যোগ নেই

বৃহস্পতিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০১৯

সারোয়ার হোসেন শাহীন, কটিয়াদী (কিশোরগঞ্জ) থেকে : কটিয়াদী উপজেলা পরিষদ সড়কটি চলাচলের অনুপোযোগী হয়ে পড়েছে। সামান্য বৃষ্টি হলেই পানি জমে থাকে সড়কটির বিভিন্ন স্থানে সৃষ্টি হয়েছে বড় বড় গর্ত। দীর্ঘদিন ধরে সংস্কার না করায় বেহাল দশায় রয়েছে সড়কটি। জানা গেছে, এ সড়ক দিয়ে উপজেলা পরিষদ, দরগাহ জামে মসজিদ, হাসপাতাল, থানা, সোনালী, ইসলামী, পূবালী ও ইউসিবি ব্যাংক, সাব-রেজিস্ট্রার অফিস, বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে চলাচল করতে হয়। তা ছাড়াও এ সড়কের পাশ দিয়ে রয়েছে বহু ব্যবসা প্রতিষ্ঠান। কটিয়াদী সড়ক ও জনপথ ডাকবাংলোর মোড় থেকে পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় পর্যন্ত মাত্র এক কিলোমিটার দীর্ঘ এ সড়কটি উল্লেখিত প্রতিষ্ঠানে যাতায়াতের একমাত্র সড়ক।

সরেজমিনে দেখা যায়, অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এ সড়কটির অধিকাংশ স্থানে কার্পেটিং উঠে গিয়ে সৃষ্টি হয়েছে জলাবদ্ধতা। এতে চরম দুর্ভোগে পড়েছেন এ সড়কে চলাচলকারী বিভিন্ন যানবাহন, চালক, যাত্রী ও পথচারী। দুর্ভোগের পাশাপাশি প্রতিদিন অনেকটা ঝুঁকি নিয়েই এ সড়কে চলছে যানবাহান। মাঝে মধ্যেই সড়কটিতে যাত্রী ও মালামাল বহনকারী যানবাহন উল্টে গিয়ে ঘটছে দুর্ঘটনা। সাপ্তাহিক হাটের দিনসহ প্রতিদিন হাজার হাজার মানুষ চলাচল করে এ সড়ক দিয়ে। কিন্তু দীর্ঘদিনেও গুরুত্বপূর্ণ সড়কটি সংস্কার হচ্ছে না। অথচ উপজেলা সদরের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সড়ক হচ্ছে উপজেলা পরিষদ সড়ক। কটিয়াদী বাজারের বিশিষ্ট ব্যবসায়ী রফিকুল ইসলাম বলেন, এই সড়কটি সংস্কার করা অতীব প্রয়োজন। এ ভাঙা সড়কটি দিয়ে চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে আসতেই রোগীরা আরো অসুস্থ হয়ে পড়ছে। পৌর মেয়র শওকত উসমান জানান, এ সড়কটিসহ কটিয়াদী বাজারের বিভিন্ন সড়ক সংস্কারের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। ইতোমধ্যে ড্রেনগুলো পুনর্নির্মাণ করা হয়েছে। রাস্তাটি বাস্তবায়ন করবে এলজিইডি কর্তৃপক্ষ। এলজিডির উপজেলা প্রকৌশলী শাহ আলম বলেন, রাস্তাটি আগে পৌরসভার আওতায় ছিল। বর্তমানে এলজিইডির আওতায় এসেছে। রক্ষণাবেক্ষণ প্রকল্পে প্রাক্কলন তৈরি করে পাঠিয়েছি। আশা করি দুই মাসের মধ্যে কাজ শুরু করতে পারব।

সারাদেশ'র আরও সংবাদ
Bhorerkagoj