হামলার আশঙ্কায় কাশ্মির পাঞ্জাব ও উত্তর প্রদেশে সতর্কতা

বৃহস্পতিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০১৯

কাগজ ডেস্ক : জৈশ-ই-মোহাম্মদের (জেইএম) সন্ত্রাসীরা আত্মঘাতীয় হামলা চালাতে পারে বলে জম্মু-কাশ্মির, পাঞ্জাব ও উত্তর প্রদেশে ভারতীয় বিমানবাহিনীর ঘাঁটিগুলোতে উচ্চ সতর্কতা জারি করা হয়েছে। গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর দেয়া সতর্কতার ওপর ভিত্তি করে এমন ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে বলে খবর দিয়েছে দেশটির গণমাধ্যম জি নিউজ।

খবরে সরকারের শীর্ষস্থানীয় সূত্রগুলো জানায়, শ্রীনগর, অবন্তিপুর, জম্মু, পাঠানকোট ও হিন্দন বিমান ঘাঁটিতে হামলা চালাতে পারে জেইএমের ৮ থেকে ১০টি মডিউল। এর পরিপ্রেক্ষিতে ভারতীয় বিমানবাহিনীর ঘাঁটিগুলোতে উচ্চ সতর্কতা দেয়া হয়েছে, যা অরেঞ্জ লেভেলের। হামলা মোকাবেলায় নিরাপত্তা পরিস্থিতি সার্বক্ষণিকভাবে পর্যালোচনা করছেন সিনিয়র কর্মকর্তারা। জি নিউজের খবরে বলা হয়, পাঞ্জাব রুট হয়ে জম্মু ও কাশ্মিরে অস্ত্র সরবরাহ দিচ্ছে পাকিস্তান। এর পরই গোয়েন্দারা নড়েচড়ে বসেন। গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর মতে, সেপ্টেম্বর মাসের ৫, ৭, ৯, ১০ ও ১৫ তারিখে মোট ৫ দিনে ৮ বার ড্রোন ব্যবহার করা হয়েছে পাঞ্জাব সীমান্তে। এ ড্রোন ব্যবহার করে পাকিস্তান অস্ত্র পৌঁছে দিচ্ছে। ভারতীয় গোয়েন্দা সংস্থার উদ্ধৃতি দিয়ে এমন খবর দেয়া হলেও পাকিস্তানের কোনো বক্তব্য যোগ করা হয়নি।

যে কারণে রিপোর্ট কতটা সত্য তা নিরপেক্ষ সূত্র থেকে যাচাই করা যায়নি।

জি নিউজ বলেছে, খালিস্তানি গ্রুপ খালিস্তান জিন্দাবাদ ফোর্স পাঞ্জাব সীমান্তের তারান জেলায় বিপুল পরিমাণের অস্ত্রের চালান পাঠিয়েছে। এসব অস্ত্র ব্যবহার করা হবে কাশ্মিরে। এর ৪৮ ঘণ্টারও কম সময় আগে ভারতের সেনাপ্রধান জেনারেল বিপিন রাওয়াত জানান, পাকিস্তানের বালাকোটে জেইএম ক্যাম্প আবারো সক্রিয় হয়েছে।

জেনারেল রাওয়াত আরো বলেছেন, ভারত সীমান্তে অনুপ্রবেশের জন্য আরো ৫০০ সন্ত্রাসী অপেক্ষায় আছে। পরিস্থিতি একটু শান্ত হলেও এসব সন্ত্রাসী ভারতে অনুপ্রবেশ করবে।

ভারতের দাবি, এর আগে জম্মু ও কাশ্মিরে একটি বড় সন্ত্রাসী হামলা পণ্ড করে দেয়া হয়েছে। এ সময় জম্মু ও কাশ্মিরের কাঠুয়া এলাকা থেকে কমপক্ষে ৪০ কেজি বিস্ফোরক উদ্ধার করে নিরাপত্তা রক্ষাকারীরা। ঘটনায় একজনকে গ্রেপ্তারও করা হয়।

এই জনপদ'র আরও সংবাদ
Bhorerkagoj