২০৩০ সাল নাগাদ প্রত্যেক পরিবারে ক্যান্সার

বৃহস্পতিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০১৯

কাগজ প্রতিবেদক : আগামী ২০৩০ সাল নাগাদ বাংলাদেশের প্রায় প্রতিটি পরিবারে অন্তত একজন সদস্য কোনো না কোনো ক্যান্সার রোগে আক্রান্ত হবেন। এমন আশঙ্কা প্রকাশ করেছে ইন্টারন্যাশনাল এজেন্সি ফর রিসার্চ অন ক্যান্সার (আইএআরসি)। গবেষণা প্রতিষ্ঠানটির নিরীক্ষা অনুযায়ী, বাংলাদেশে ২০৩০ সালের মধ্যে ক্যান্সার রোগের কারণে মৃত্যুর হার ১৩ শতাংশ বাড়তে পারে। এ সময়ের মধ্যে প্রতিটি পরিবারে ক্যান্সার ছড়িয়ে পড়তে পারে বলে আশঙ্কা করেছে গবেষণা সংস্থাটি। কারণ হিসেবে সংস্থাটি তামাকজাত পণ্যের ব্যবহার, সচেতনার অভাবসহ বেশ কয়েকটি বিষয় উল্লেখ করেছে।

মূলত ক্যান্সার রোগের একাডেমিক রিসার্চ ইনস্টিটিউট ও দেশের সাধারণ মানুষের কাছে জটিল ক্যান্সার রোগের চিকিৎসা খরচ সহজলভ্য করার উদ্দেশ্য নিয়ে গঠিত হয়েছে বাংলাদেশ ক্যান্সার রিসার্চ সেন্টার (বিসিআরসি)।

গতকাল বুধবার একাদশ জাতীয় সংসদের সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সভাপতি রাশেদ খান মেননের সঙ্গে ঢাকা মহানগর এলাকায় ক্যান্সার স্পেশালাইজড হাসপাতাল ও ব্রেইন ফাউন্ডেশন স্পেশালাইজড হাসপাতাল কমপ্লেক্স ভবন নির্মাণ প্রকল্পের প্রতিনিধিদল সংসদ ভবনে সাক্ষাৎকালে এসব তথ্য জানান।

প্রতিনিধিদল দেশে ক্রমবর্ধমান ক্যান্সার রোগীর সংখ্যা বেড়ে যাওয়ার কারণে তাৎক্ষণিক বিশেষায়িত চিকিৎসা দেয়ার প্রয়োজনে প্রশিক্ষিত ডাক্তারদের সমন্বয়ে একটি আধুনিক হাসপাতাল নির্মাণ ও সব স্তরের মানুষের জন্য চিকিৎসাসেবা সহজলভ্য করার ব্যাপারে সভাপতিকে অবহিত এবং আলোচনা ও মতবিনিময় করেন। এসময় ঢাকা মেডিকেল কলেজের নিউরোসার্জারি বিভাগের অধ্যাপক, স্থাপত্য অধিদপ্তরের সাবেক প্রধান স্থপতি, শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তরের সাবেক প্রধান প্রকৌশলী, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সাবেক অতিরিক্ত সচিব ও বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ^বিদ্যালয়ের অনকেলজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপকসহ সংশ্লিষ্ট প্রকল্পের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা এবং জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

সভায় জানানো হয়, বাংলাদেশে নিউরোলজিক্যাল ডিসঅর্ডারে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা ক্রমেই বেড়ে চলেছে। এমতবস্থায়, বাংলাদেশ সরকারের সমাজসেবা অধিদপ্তরের নিবন্ধিত প্রতিষ্ঠান ‘ব্রেইন ফাউন্ডেশন’ দেশের সাধারণ মানুষের কাছে ¯œায়ু রোগের সময়সাপেক্ষ চিকিৎসা খরচ সহজলভ্য করার উদ্দেশ্য নিয়ে একটি আধুনিক বিশেষায়িত হাসপাতাল নির্মাণ করার জন্য গঠিত হয়েছে।

রাশেদ খান মেনন বলেন, ক্যান্সার ও নিউরো চিকিৎসার মতো ব্যয়বহুল চিকিৎসাব্যবস্থা দেশে প্রতিষ্ঠিত হলে বাংলাদেশের দরিদ্র জনগোষ্ঠীর জন্য আশীর্বাদস্বরূপ হবে। এর মাধ্যমে উন্নত চিকিৎসার জন্য বিদেশমুখিতা দূর হবে।

প্রথম পাতা'র আরও সংবাদ
Bhorerkagoj