ফালুসহ ৭ জনের বিরুদ্ধে চার্জশিট অনুমোদন

মঙ্গলবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০১৯

কাগজ প্রতিবেদক : জালিয়াতি করে বন বিভাগের জমি দখলের মামলায় মোসাদ্দেক আলী ফালুসহ সাতজনের বিরুদ্ধে চার্জশিট অনুমোদন দিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। গতকাল সোমবার এ অনুমোদন দেয়া হয় বলে জানিয়েছেন দুদকের উপপরিচালক (জনসংযোগ) প্রণব কুমার ভট্টাচার্য। শিগগিরই এ অভিযোগপত্র সংশ্লিষ্ট আদালতে দাখিল করা হবে।

ময়মনসিংহের ভালুকা থানার পালগাঁও মৌজায় ছয়টি দলিলের মাধ্যমে ৯ দশমিক ৬৪ একর জমি মোসাদ্দেক আলী ফালুর নামে রেজিস্ট্রি করার অভিযোগে ২০১৭ সালের ২৯ অক্টোবর স্থানীয় থানায় ছয়টি মামলা করে দুদক। ওই জমি দলিল করতে সহায়তা করার অভিযোগে আরো ১৫ জনকে এসব মামলায় আসামি করা হয়।

ছয় মামলার মধ্যে অভিযোপত্র অনুমোদন দেয়া মামলায় ফালু ছাড়া বাকি আসামিরা হলেন- ভালুকা উপজেলার সাবেক সাব-রেজিস্ট্রার মো. ফজলার রহমান (সাময়িক বরখাস্ত), জমির দলিল লেখক মো. আকরাম হোসেন জুয়েল, জমির ‘ভুয়া’ মালিক মো. রুহুল আমিন, মো. খোকা মিয়া, সুফিয়া খাতুন ও ফাতেমা খাতুন। এসব আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগে- একটি দলিলের মাধ্যমে ওই এলাকার বন বিভাগের প্রায় ৭৬ শতাংশ জমি ফালুর নামে দলিল করেন। দুদকের ময়মনসিংহ সমন্বিত জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক রাম প্রসাদ মণ্ডল এই মামলাটি তদন্ত করেন।

দুদক জানায়, ২০১৬ সালের ৩ অক্টোবর ভালুকা উপজেলা ভূমি অফিস থেকে এক বিজ্ঞপ্তিতে সংরক্ষিত বনভূমি হিসেবে চূড়ান্তভাবে ঘোষণা না হওয়া পর্যন্ত গেজেটভুক্ত ওই জমি হস্তান্তর, নামজারি, জমা-খারিজ, রেকর্ড সংশোধন ইত্যাদি কার্যক্রম স্থগিত রাখার নির্দেশনা জারি করা হয়েছিল। একইসঙ্গে বন বিভাগের গেজেটভুক্ত জমি রেজিস্ট্রি করা হয়ে থাকলেও তা বাতিল করার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে ময়মনসিংহ বিভাগীয় বন কর্মকর্তার কার্যালয়কে বলা হয়।

ওই বিজ্ঞপ্তির পরও সাব রেজিস্ট্রার ফজলার রহমান আইন ও বিধি বিধান অনুসরণ না করে অবৈধ সুবিধা নিয়ে দালাল চক্রের যোগসাজশে ছয়টি দলিলে রেজিস্ট্রি করে সরকারি সম্পত্তি ফালুকে হস্তান্তর করা হয় বলে মামলায় অভিযোগ করা হয়। ছয়টি মামলার মধ্যে এ পর্যন্ত চারটি মামলার অভিযোগপত্র আদালতে দাখিল করেছে দুদক।

দ্বিতীয় সংস্করন'র আরও সংবাদ
Bhorerkagoj