জেনে নিন : কর্মীর উদ্যম বাড়াতে

রবিবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০১৯

কর্মীর সম্পৃক্ততার ভিত্তি হচ্ছে পারস্পরিক আস্থা-বিশ্বাস, সততা। প্রতিষ্ঠান ও কর্মী দুই পক্ষের অঙ্গীকার এবং প্রতিষ্ঠান ও কর্মীর মধ্যে অব্যাহত যোগাযোগ। অনেক সময় এসব বিষয়ে কোনো পক্ষের ঘাটতি থাকলে কর্মীদের মধ্যে একধরনের শীতলতা দেখা দেয়। যা স্বাভাবিক কাজ ব্যাহত করে, কর্মীর উদ্যমও কমিয়ে দিতে পারে। আবেগীয় অঙ্গীকারও বড় ভূমিকা পালন করে, যা কর্মীকে প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে দীর্ঘ মেয়াদের বন্ধনে আবদ্ধ করে।

বিচিত্র কারণে কর্মী ও প্রতিষ্ঠানের মধ্যে দূরত্ব তৈরি হতে পারে। অনেক ক্ষেত্রে নতুন কর্মীর অন্যদের সঙ্গে খাপ খাওয়াতে সমস্যা হয়। কেউ হয়তো নতুন কর্মস্থলের সঙ্গে নিজেকে মানিয়ে নিতে অনেক বেশি সময় নেন। এ ছাড়াও একই প্রতিষ্ঠানে কর্মীর কাজের ধরনের পরিবর্তন অথবা প্রতিষ্ঠানের নতুন চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় দলগতভাবে কাজের ক্ষেত্রে সঠিক সমন্বয় ও সহযোগিতার ঘাটতি হতে পারে। এসব পরিস্থিতিতে আইসব্রেকিং বা বরফ গলানোর একটা বিষয় থাকে। এ ক্ষেত্রে কর্মী এবং বসের মধ্যে প্রত্যাশার বিনিময় হলে তা ইতিবাচক ভূমিকা রাখতে পারে। প্রত্যাশার এই বিনিময় পরস্পরের মধ্যে কীভাবে কাজ সম্পাদন করা হবে তার একটা পরিকল্পনা করতে সহায়তা করে। এ ছাড়াও ব্রেইন স্ট্রর্মিংয়ের মাধ্যমে দলগতভাবে আইডিয়া খোঁজা, বিভিন্ন দলগত উদ্যোগ ও কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে পারস্পরিক সহযোগিতা ও বিশ্বাসের ভিত্তিতে দৃঢ় করা যায়।

কর্মীর সম্পৃক্ততা বাড়লে যেকোনো দূরত্বের বরফ গলানোর জন্য বিভিন্ন পদক্ষেপ নেয়া যেতে পারে। কর্মীকে যথাযথ সম্মান ও মর্যাদা প্রদর্শন করা এর মধ্যে অন্যতম। কোনো সমস্যা যদি ছোটও হয়, সে ব্যাপারেও খেয়াল করতে হবে। সময় নিয়ে কর্মীর বক্তব্য শুনতে হবে।

কর্মীর কাজের নিয়মিত মূল্যায়ন এবং তার ভিত্তিতে মতামত (ফিডব্যাক) জানানো জরুরি। বেতনের সঙ্গে পারফরমেন্সের সম্পর্ক থাকতে হবে যা তাকে অব্যাহতভাবে ভালো কাজে অনুপ্রাণিত করবে। এ ছাড়াও সঠিক সময়েই কর্মীর কাজের প্রশংসা করা।

ফ্যাশন (ট্যাবলয়েড)'র আরও সংবাদ
Bhorerkagoj