অতন্দ্রিলাকে যে কথা বলা হয়নি

শনিবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০১৯

আশরাফুল ইসলাম

শহরে রাতারাতি অনেক রেস্টুরেন্ট বেড়ে গেছে। সোনাডাঙ্গা থেকে গল্লামারি রোডে বেশ কিছু চাইনিজ রেস্টুরেন্ট হয়েছে। বেশ বড়সড় জায়গা নিয়ে রেস্টুরেন্টগুলো বসেছে। নামগুলোতেও আভিজাত্যের ছোঁয়া। লা ফিয়াস্তা, চিল আউট, রাজমহল ইত্যাদি। প্রতিদিন সন্ধ্যাবেলা দেখা যায় রেস্টুরেন্টগুলোর সামনে সারি ধরে প্রাইভেট কার পার্ক করা। গাড়িতে করে শহুরে লোকজন খেতে এসেছে। এমনই এক সন্ধ্যার গল্প বলছি।

লা ফিয়াস্তা রেস্টুরেন্টের সামনে যে কালো রংয়ের ফেরারি গাড়ি পার্ক করা তার ভেতর বসে আছেন জয়নাল সাহেব। তার বড় মেয়ে অতন্দ্রিলার আজ জন্মদিন। বাইশ বছরে পা দেয়া মেয়েটা খুলনা ইউনিভার্সিটিতে ইকোনমিকসে পড়ে। জন্মদিন উপলক্ষে সন্ধ্যায় এই রেস্টুরেন্টে পরিবারসহ খেতে আসার কথা ছিল। অফিস থেকে ফেরার পর থেকে জয়নাল সাহেবের মাথা ধরেছে। আজ বাইরে আসার কোনো ইচ্ছা তার ছিল না। তবে মেয়েটার জন্মদিন বলে কথা। জোরাজুরিতে আসতেই হলো। তবে শর্ত হলো- অতন্দ্রিলা, তার মা এবং ছোট ভাই রেস্টুরেন্টে খাবে, জয়নাল সাহেব গাড়ির ভেতর বসে থাকবেন। মাথা ধরা অবস্থায় কোলাহলের ভেতর যাওয়াটা ঠিক হবে না।

সেই শর্ত মোতাবেক জয়নাল সাহেব এখন গাড়ির ভেতরে অবস্থান করছেন। গাড়ির নতুন যে ড্রাইভার রাখা হয়েছে তার পান খাওয়ার অভ্যাস আছে। সে গেছে পান কিনতে। দশ মিনিটের মতো হয়ে গেল এখনো আসছে না। জয়নাল সাহেব বলে দিয়েছেন গাড়ির ভেতর বসে পান না খেতে। জর্দার গন্ধ তার অসহ্য। তবুও মাঝে মধ্যে গাড়ির ভেতর জর্দার উৎকট গন্ধ পাওয়া যায়। ড্রাইভারকে বকা দিতে চেয়েও দেয়া হয় না। অনেক কষ্টে এই ড্রাইভারটা খুঁজে পাওয়া গিয়েছে। গাড়ি চালায় ভালো। আলাপ ব্যবহারও ভালো। বদঅভ্যাস বলতে শুধু পান খাওয়াটা। জয়নাল সাহেবের মারও পান খাওয়ার অভ্যাস ছিল। মৃত্যুর আগে আগে তিনি জয়নাল সাহেবের স্ত্রীকে বলেছিলেন- বৌমা, হামান দিস্তায় পান বাটা আছে। আমার মুখের মধ্যে পুরে দাও। হাত পা নাড়াবার শক্তি নাই।

পান খেতে খেতে জয়নাল সাহেবের মায়ের মৃত্যু হলো। পানের রস ঠোঁটের কোনা বেয়ে গড়িয়ে পড়ছে, যে কেউ দেখলে ভাববে রক্ত গড়িয়ে পড়ছে।

জীবনের শেষ দিনগুলোতে মা জয়নাল সাহেবের পরিবারেই ছিলেন। বাবা নিজে থেকেই একটা বৃদ্ধাশ্রমে চলে গিয়েছিলেন। জয়নাল সাহেবের প্রতি রাগ করেই চলে গিয়েছিলেন। ঘটনাটা বলি।

অতন্দ্রিলা জন্মগ্রহণ করার পূর্ব মুহূর্তে জয়নাল সাহেব দোতলার লাইব্রেরিতে বসে বই পড়ছিলেন। একটা কবিতায় তার চোখ আটকে গেল। অমিয় চক্রবর্তীর লেখা কবিতা।

‘অতন্দ্রিলা,

ঘুমোওনি জানি

তাই চুপি চুপি গাঢ় রাত্রে শুয়ে

বলি, শোনো,

সৌরতারা-ছাওয়া এই বিছানায়

-সূ²জাল রাত্রির মশারি-

কত দীর্ঘ দুজনার গেল সারাদিন,

আলাদা নিশ্বাসে-

এতক্ষণে ছায়া-ছায়া পাশে ছুঁই

কী আশ্চর্য দুজনে দুজনা-

অতন্দ্রিলা,

হঠাৎ কখন শুভ্র বিছানায় পড়ে জ্যোৎস্না

দেখি তুমি নেই…’

তারপর থেকে জয়নাল সাহেবের মাথায় একটা নামই ঘুরপাক খাচ্ছে- অতন্দ্রিলা। তিনি যখন জানতে পারলেন তার মেয়ে হয়েছে তখন তাকে ডাকলেন- অতন্দ্রিলা, এই যে অতন্দ্রিলা….

জয়নাল সাহেবের বাবা যখন জানতে পারলেন মেয়ের হিন্দুয়ানি নাম রাখা হয়েছে, তিনি খুব ক্ষেপে গেলেন। মুখে যা এল তাই বলে জয়নাল সাহেবকে গালি দিলেন।

উদাহরণ- তুই নিজে তো মালাউন, নামাজ পড়িস না, বিড়ি খাস, তোর মেয়েটাও মালাউন বানাবি বলে লেগেছিস। এইসব কোন ধরনের নাম? উচ্চারণ করতে গেলে দাঁত ভেঙে যায়। তার চেয়ে আয়েশা, ফাতেমা কত সুন্দর নাম। আমি আজই তোর বাড়ি থেকে বেরিয়ে যাব। আল্লাহ হেদায়েত করুক।

গভীর রাতে তিনি বাড়ি থেকে বেরিয়ে গেলেন। পরে জয়নাল সাহেব খোঁজ নিয়ে জানতে পারলেন তিনি বৃদ্ধাশ্রমে আছেন। প্রতি মাসের পাঁচ তারিখে বৃদ্ধাশ্রমের কেয়ারটেকারকে দশ হাজার টাকা পাঠান জয়নাল সাহেব তার বাবার যতœআত্তি করার জন্য। কেয়ারটেকারকে বলে দিয়েছেন এই টাকার কথা যেন বাবা ভুলক্রমেও না জানে।

জয়নাল সাহেবের ঘুম পাচ্ছে। ঘুমে চোখ জড়িয়ে আসছে। তন্দ্রা ভেঙে হঠাৎ তিনি লক্ষ করলেন গাড়ি ছুটে চলছে। আশ্চর্যের ব্যাপার গাড়ির ভেতর তিনি ছাড়া আর কেউ নেই। তিনি সামনের বাম পাশের সিটে বসা ছিলেন, সেখানেই আছেন। ড্রাইভিং সিটে কেউ নেই। অথচ স্টিয়ারিং হুইল ঘুরছে, মাঝে মাঝে গিয়ার বাড়ছে কমছে। জয়নাল সাহেব মনে মনে ভাবলেন হ্যালুসিনেশন হচ্ছে। বদহজম হলে মস্তিষ্ক এলোমেলো হয়ে যায়, তখন হ্যালুসিনেশন হয়। তিনি মনে করার চেষ্টা করলেন দুপুরে কি খেয়েছেন। হঠাৎ তার ভাবনায় বিঘ্ন ঘটল। গাড়ি ব্রেক কষে থেমে গেছে। পরিচিত কোনো একটা কণ্ঠ শুনতে পেলেন।

স্যার নামেন।

জয়নাল সাহেব যন্ত্রের মতো গাড়ি থেকে নেমে গেলেন, যেন কেউ তাকে নামালেন, তার কিছুই করতে হয়নি।

গাড়ি থেকে নেমে জয়নাল সাহেব অবাক হয়ে গেলেন। আকাশে ভরা জোছনা। রাস্তার দুপাশে বহুদুর পর্যন্ত থৈ থৈ পানি। সেই পানিতে চাঁদের আলো পড়ে ঝিকমিক করছে। অপার্থিব দৃশ্য। কোনো

চিহ্ন নেই। যতদূর চোখ যায় পানি। পানি কেটে মাঝখান থেকে চিকন পিচঢালা রাস্তা। হঠাৎ জয়নাল সাহেবের নাকে ধক করে একটা গন্ধ এসে লাগল। মরা মানুষ পচে গেলে যেরকম গন্ধ হয় সেরকম গন্ধ। তার নাড়িভুঁড়ি উল্টে আসার উপক্রম হলো। তিনি পেট চেপে ধরে রাস্তার কানায় বসে হড়হড় করে বমি করে দিলেন।

স্যার, শরীরটা কি এখন ভালো লাগছে?

জয়নাল সাহেব পেছনে তাকিয়ে লোকটাকে চিনতে পারলেন। তার পুরনো ড্রাইভার কুদ্দুস। হাফ হাতা শার্ট পরা আর গ্যাবার্ডিনের প্যান্ট। পায়ে স্পঞ্জের ¯িøপার। তার চিরচেনা ভঙ্গি। জয়নাল সাহেব অবাক হয়ে বললেন- কুদ্দুস তুমি! কিন্তু তুমি তো….

জয়নাল সাহেব কথা শেষ করতে পারলেন না। কুদ্দুস বলে উঠল- জি স্যার, আমি মরে গেছি। আপনি লোক ভাড়া করে আমাকে খুন করেছেন। এইখানেই আমি খুন হয়েছি। ওরা আমার লাশটা বিলের পানিতে কচুরিপানার নিচে পুঁতে রেখেছে। এখন শরীরটা পচে গন্ধ ছড়াচ্ছে। সেই গন্ধেই আপনার বমি এসেছে। সিগারেট খাবেন স্যার? একসঙ্গে দুইটা কাজ হবে। আপনার বমিভাব কমে যাবে। আর আপনি যে ভয় পাচ্ছেন, ভয়টাও থাকবে না। ফুসফুসে নিকোটিন গেলে সাহস বেড়ে যায়, বেঁচে থাকতে ফেসবুকের একটা পোস্টে দেখেছিলাম। এই নিন স্যার সিগারেট। বেনসন সিগারেট।

জয়নাল সাহেব খ্বু ভয় পাচ্ছেন। তবুও তিনি সাহসী ভঙ্গিতে বললেন- ফালতু কথা বলবা না। শুনেছি মানুষ মরে গেলে ভূত হয়। ভূতরা তো আগুন ভয় পায়। তুমি সিগারেট দিচ্ছো, কাহিনী কি? তোমার কোন অস্তিত্ব নেই। সব আমার কল্পনা। তোমাকে নিয়ে আজকাল ভাবছি, এ জন্য মস্তিষ্ক উল্টাপাল্টা দেখাচ্ছে।

– আমাকে নিয়ে কি ভাবছেন স্যার? দয়া করে বলবেন? কৃতজ্ঞ থাকব।

– ভাবছি তোমাকে খুন করাটা ঠিক হয়নি। চাকরি থেকে বিদায় করে দিতে পারতাম। কিন্তু আমার সব অসৎ কর্মের সাক্ষী তুমি। তোমাকে বাঁচিয়ে রাখাটা আমার জন্য রিস্কি ছিল। এখন বলো আমাকে এখানে কেন এনেছো?

– স্যার একটা অনুরোধ করার জন্য এনেছি। আমার কথাটা মন দিয়ে শুনবেন প্লিজ। আপনার কোনো ক্ষতি হবে না। এই নিন সিগারেট। বেনসন সিগারেট। আপনার কাছে লাইটার আছে স্যার? আপনি সিগারেট শেষ করুন। তারপর আলাপ করি। ততক্ষণে আমি অদৃশ্য হয়ে যাব। ভূতরা আসলেই আগুন ভয় পায়। কথা সত্য।

জয়নাল সাহেব বললেন- সিগারেট খাবো না এখন। পকেটে রেখে দিচ্ছি। তোমার যা বলার বলো। আমাকে খুন করতে ইচ্ছা হলে করো।

– ছি! ছি! স্যার, কি বলেন? আত্মাদের কোনো ক্ষমতা থাকে না। খুন করা সম্ভব না। আপনাকে খুন করব না। জাস্ট একটা রিকোয়েস্ট করব। তার আগে একটা সত্য ঘটনা আপনার জানা দরকার। খুব কম সময়ে বলব স্যার, ঘড়ি ধরে তিন মিনিট। ও, আপনার কাছে তো ঘড়ি নেই, ফোন বের করেন। মোবাইল ধরে তিন মিনিট।

– ফাজলামি করবে না কুদ্দুস। ফোন বাসায় রেখে এসেছি। আত্মারা সব জানে বলে শুনেছি। এই কথাটা তো তোমার জানা থাকা উচিত।

– ভুল বললেন স্যার। আত্মারা কিছুই জানে না। তাদের সেই ক্ষমতা নেই। মনুষ্য সমাজে কিছু কিছু ভুল তথ্য প্রচলিত। আমি সংক্ষেপে আপনাকে ঘটনা বলি।

‘আপনি যে কারণে আমাকে খুন করেছেন, সেই কারণটা মিথ্যা। সে দিন রাতে গাড়িতে গ্যাস নেয়ার জন্য পাম্পে গিয়েছিলাম। তখন মধ্যরাত। দেখি সেখানে আরো একটি গাড়ি গ্যাস নিচ্ছে। গাড়ির বাইরে দাঁড়িয়ে একটা মেয়ে সিগারেট টানছে। সিগারেটটা সাধারণ সিগারেট না। আমি স্পষ্ট গাঁজার গন্ধ পাচ্ছিলাম। মেয়েটা আমাদের অতন্দ্রিলা আপামনি। এত রাতে আপামনিকে দেখে আমি অবাক হলাম। সম্ভবত কোনো ছেলে বন্ধুর সঙ্গে রাতে লং ড্রাইভে যাওয়ার জন্য বেরিয়েছে। পাম্প থেকে গ্যাস নিতে দাঁড়িয়েছে।

আমি ধীরে ধীরে ওনাকে গিয়ে বললাম- আপামনি, বাসায় চলেন। স্যার খুব অসুস্থ। আপনার কথা বলছে বারবার। আপামনি আমাকে দেখে চমকে উঠে সিগারেট ফেলে দিলেন। আমাকে বললেন- তাড়াতাড়ি গাড়ি স্টার্ট দেন। গ্যাস নিতে হবে না কুদ্দুস ভাই। ওই গাড়ির ছেলেটা কাউন্টার থেকে বিল দিয়ে আসার আগেই পালাতে হবে।

রাত দুটোর দিকে আপামনিকে বাসায় পৌঁছে দিলাম। তারপর আপামনি আপনাকে কি বলেছে জানি না। তারপর দিন আমাকে আপনার নির্দেশে খুন করা হলো। খুন করার আগে একজন স্পষ্ট বলেছিল- স্যারের মেয়ের সঙ্গে ফষ্টিনষ্টি, বড়লোক হওয়ার সাধ জাগে? আজ চিরজীবনের জন্য তোর সাধ মেটাবো হারামজাদা। রাত বিরাতে আপামনিকে গাড়িতে করে নিয়ে ঘোরার মজা এখনই টের পাবি।

স্যার বিশ্বাস করেন, আপামনিকে আমি বিপথ থেকে ফেরাতে চেয়েছি, কোনো ক্ষতি করিনি। আপামনি নষ্ট হলে আগে থেকেই হয়েছে অন্যভাবে। আমার কোনো দোষ নেই। আমি এতিমখানা থেকে বড় হয়েছি। এই শহরে ড্রাইভিং করে খেতাম। ওই বেতনে আমার একজনের ভালোভাবেই চলে যেত। কোনো লোভ-লালসা ছিল না আমার।

আপনার কাছে আমার অনুরোধ, আমার আত্মা খুব কষ্ট পাচ্ছে। প্লিজ স্যার লাশটা কবর দেয়ার ব্যবস্থা করেন। তাহলে আত্মা মুক্তি পাবে। আপনার পায়ে পড়ি স্যার।

জয়নাল সাহেবের ঘুম ভেঙে গেল। তিনি তার বাসার খাটে শুয়ে আছেন। তিনি হাফ ছেড়ে বাঁচলেন। এতক্ষণ যা দেখেছেন সেটা তাহলে স্বপ্ন।

খুব সাজগোজ করে তার মেয়ে অতন্দ্রিলা এসে বলল- বাবা, এই ভর সন্ধ্যাবেলা কেউ ঘুমোয়? ওঠো তো। আজ আমার জন্মদিন, লা ফিয়াস্তা রেস্টুরেন্টে খাওয়ার কথা ভুলে গেছো? দ্রুত রেডি হও বাবা।

জয়নাল সাহেব ধীরে ধীরে বললেন- মা রে, আমার শরীরটা ভালো না। মাথা ধরেছে খুব। আমি না গেলে হয় না?

– না বাবা, তুমি না হয় গাড়িতে বসে থেকো। তবুও চলো। না হলে আমি খুব কষ্ট পাব।

অনিচ্ছা সত্ত্বেও জয়নাল সাহেবের উঠতে হলো। গাড়িতে বসে জয়নাল সাহেবের ইচ্ছা হলো তার মেয়েকে বলবে- অতন্দ্রিলা, গাঁজা খাওয়াটা ছেড়ে দে মা। আমি নিজেও ভেবেছি সিগারেট খাওয়া ছেড়ে দেব। এসব নেশা খুব ক্ষতিকর।

জয়নাল সাহেব বলতে পারল না। তার প্রচণ্ড ঘুম পাচ্ছে। তিনি প্রাণপণ চেষ্টা করছেন জেগে থাকতে। একবার ঘুমিয়ে পড়লে সর্বনাশ হয়ে যাবে। তার মেয়েকে সত্যি কথাটা বলা উচিত। তিনি সিদ্ধান্ত নিয়েছেন আজ রাতে থানায় গিয়ে পুলিশের কাছে সব স্বীকার করবেন। তার সমস্ত অপকর্মের কথা বলবেন। তারপর নিজে কয়েদখানায় ঢুকে যাবেন। পুলিশ নিজ দায়িত্বে কুদ্দুসের লাশ কবর দেয়ার ব্যবস্থা করবে।

জয়নাল সাহেব গভীর ঘুমে আচ্ছন্ন হয়ে পড়লেন। যখন ঘুম ভাঙলো তখন তিনি দেখলেন গাড়ি ছুটে চলছে একা। আশপাশে কেউ নেই। এটা স্বপ্ন না বাস্তব জয়নাল সাহেব বুঝতে পারলেন না। অনেক সময় স্বপ্ন এবং বাস্তব মিলেমিশে একাকার হয়ে যায়। প্রকৃতির রহস্য বোঝা বড়ই কঠিন।

:: খুলনা

পাঠক ফোরাম'র আরও সংবাদ
Bhorerkagoj