ছাত্র সংগঠন কেমন ভবিষ্যৎ নেতৃত্ব গড়তে পারে?

মঙ্গলবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০১৯

ছাত্ররাজনীতি অনেক আগেই বাংলাদেশ থেকে বিদায় নিয়েছে। ছাত্ররাজনীতি ধারণাটাই অবান্তর। পৃথিবীর কোথাও এখন আর ছাত্ররাজনীতি জাতীয় রাজনীতির অংশ বলে দাবি করা হয় না। ১৮ বছরের যে কোনো নাগরিকই যে কোনো রাজনৈতিক দলের সদস্য হতে পারে। সুতরাং কোনো শিক্ষার্থীর রাজনীতি করার ইচ্ছে থাকলে তার পছন্দের সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত হতে কোনো বাধা নেই। এটি তার গণতান্ত্রিক অধিকার। তবে ছাত্রজীবনে লেখাপড়া করার চাইতে বেশি সময় দেয়া সত্যিই ছাত্রছাত্রীদের জন্য অসাধ্য ব্যাপার। বিশেষত উচ্চশিক্ষা যদি মানসম্মত হয় তাহলে একজন শিক্ষার্থীর উচ্চশিক্ষা গ্রহণের সময় কোনো অবস্থাতেই বাইরে সময় নষ্ট করার সুযোগ থাকে না। আমি ১০ বছর বিদেশের বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা করেছি। কিছু সামাজিক সাংস্কৃতিক সংগঠনের বাইরে যুক্ত থাকার সময় আমাদের কারোরই ছিল না। আমরা শুধু জাতীয় এবং আন্তর্জাতিক গুরুত্বপূর্ণ কোনো দিবস পালনের কিছু অনুষ্ঠানের আয়োজন করতাম। বছরে এ ধরনের অনুষ্ঠান হাতেগোনা ছিল। এর বাইরে সময় দেয়ার মতো সুযোগ আমাদের কারোরই ছিল না। অথচ আমাদের দেশে কলেজ বিশ্ববিদ্যালয়ে কিছুসংখ্যক শিক্ষার্থী মোটামুটি পড়াশোনার সঙ্গে যুক্ত থাকে। বেশিরভাগ শিক্ষার্থীকেই ভারমুক্ত মনে হয়। অসংখ্য শিক্ষার্থী এ দেশে নিয়মিত ক্লাসে যায় না, পরীক্ষার সময় শুধু অংশগ্রহণ করে, মৌখিক পরীক্ষায় বেশিরভাগেরই অবস্থা খুবই নাজুক। একটা বিরাট সংখ্যক শিক্ষার্থী আয় উপার্জন করে, বাকিরা রাজনীতির নামে কোনো না কোনো সংগঠনের পরিচয়ে কলেজ বা বিশ্ববিদ্যালয়ে নিয়মিত আড্ডা দেয়। লেখাপড়ায় তাদের অবস্থান কত দুর্বল সেটি তাদের সঙ্গে কথা বললেই বোঝা যায়।

শুরুতেই বলেছি ছাত্ররাজনীতি অনেক আগেই বিদায় নিয়েছে। আমাদের দেশে যখন মূল ধারার রাজনৈতিক শক্তি সংগঠিত হতে পারেনি কিংবা দমন নিপীড়নে রাস্তাঘাটে বের হতে পারত না তখন কলেজ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে জাতীয় গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে প্রতিক্রিয়ার যে বিস্ফোরণ ঘটতো সেটিকে আমরা অনেক সময় ছাত্ররাজনীতি বলি। বায়ান্নর ভাষা আন্দোলন, বাষট্টির শিক্ষা আন্দোলন, ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থান কিংবা নব্বইয়ের আন্দোলনে ছাত্ররা নেতৃত্বে ছিল সত্য কথা, তবে আন্দোলনের শেষে সবাই লেখাপড়ায় ফিরে গেছে। এসব আন্দোলনে অংশগ্রহণকারী অনেকেই পরবর্তী জীবনে রাজনীতিবিদ, শিক্ষাবিদ, আমলা, পেশাজীবী, শিল্পী-সাহিত্যিক ইত্যাদি হিসেবে গড়ে উঠেছেন, বেড়ে উঠেছেন। তাদের এসব হয়ে ওঠার জন্য জীবনভর ছাত্র সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত থাকতে হয়নি। ছাত্র সংগঠন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে একসময় মোটেও প্রভাব বিস্তার করত না। ছাত্র সংগঠনের নেতারাও লেখাপড়ায় অনেক বেশি সময় দিতেন, মেধাবী শিক্ষার্থীদের সংগঠনে টানার চেষ্টা করতেন। বিশেষত ছাত্র সংসদ নির্বাচনে মেধাবীদের নিয়ে ছাত্র সংগঠনগুলোই টানাটানি করত। এর কারণ ছিল ভোটে সাধারণ ছাত্রছাত্রীরা মেধাবী শিক্ষার্থীদের নেতা হিসেবে মেনে নিত। পরীক্ষার ফলাফলে পেছনে পড়ে যাওয়া নেতাদের ভোটদানে আগ্রহ প্রকাশ করত না। এটিই ছিল আমাদের দেশের অতীত ছাত্র সংগঠন ও ছাত্ররাজনীতির বাস্তবতা।

এখন আমরা ছাত্ররাজনীতির কথা বলি। কিন্তু ছাত্রদের কোনো রাজনীতি চোখে পড়ে না। যেটি চোখে পড়ে তা হলো কিছু ছাত্র সংগঠনের অস্তিত্ব বা কর্তৃত্ব। রাজনীতিতে এখন বাম রাজনীতি বিপর্যস্ত অবস্থায় আছে। সে কারণে তাদের ছাত্র সংগঠনগুলোর একসময় বেশ জনপ্রিয়তা থাকলেও এখন তাদের নাম সাধারণ শিক্ষার্থীরা খুব বেশি জানে বলে মনে হয় না। দু-চারজন বাম ছাত্র সংগঠনের নেতার নাম মাঝেমধ্যে শোনা যায় কেবল। সে কারণেই বলছি বেশকিছু বাম ছাত্র সংগঠনের অস্তিত্ব খুব রুগ্ণ অবস্থায় আছে। এই রুগ্ণ শরীর নিয়ে ওইসব সংগঠনের কোনো আন্দোলন গড়ে তোলার শক্তি রয়েছে কী? আবার একসময় ছাত্রশিবিরের দৌরাত্ম্যে দেশে স্কুল, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে সাধারণ ছাত্রছাত্রী এবং অন্যান্য বড় ছাত্র সংগঠনের নেতাদেরও ত্রাহি ত্রাহি অবস্থা ছিল। এটি গত শতকের ৮০, ৯০ এবং এই শতকের প্রথম দশকের ছাত্রশিবিরের বাস্তবতা ছিল। ছাত্রশিবির স্বাধীনতাবিরোধী জামায়াতে ইসলামীর রাজনৈতিক প্লাটফরম হিসেবে বাংলাদেশে সন্ত্রাস, হত্যাকাণ্ড, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান দখল, ভিন্নমতকে গুঁড়িয়ে দেয়া, ইত্যাদির যে ন্যক্কারজনক অভিজ্ঞতা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে তিন দশকেরও বেশি সময় ধরে রেখে এসেছিল সেটিকে জাতীয় রাজনীতির কোনো সংজ্ঞায় ফেলা যায় কি? সেই ছাত্রশিবির ছাত্ররাজনীতিতে যা প্রদর্শন করেছে তা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, শিক্ষাজীবন, জাতীয় জীবন ইত্যাদিতে সন্ত্রাস, নৈরাজ্য ও জঙ্গিবাদের বিস্তারে সহায়ক হয়েছিল মাত্র। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে জ্ঞানবিজ্ঞান চর্চা, মুক্তবুদ্ধির চর্চা এবং স্বাধীনভাবে লেখাপড়া করার পরিবেশও তারা ভূলুণ্ঠিত করেছিল। চট্টগ্রাম, রাজশাহী, কুষ্টিয়াসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে তারা মিনি ক্যান্টনমেন্ট তৈরি করেছিল। শিক্ষক হিসেবেও আমরা নিরাপদ ছিলাম না, স্বাধীনভাবে মুক্তচিন্তার চর্চা করতে নানাভাবে বাধার সম্মুখীন হতাম। মূলত এই শক্তি দেশের শিক্ষাব্যবস্থাকে অন্ধকার যুগে ফিরিয়ে নেয়ার পরিকল্পনা থেকে তখন দেশব্যাপী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান দখলে রেখেছিল। এরা গ্রামের স্কুল, মাদ্রাসাগুলোতেও শিশুদের মধ্যে স্বাধীনতা, মুক্তিযুদ্ধ ও দেশপ্রেমিক মানুষ কবি-সাহিত্যিকদের বিরুদ্ধে বিরূপ মনোভাব তৈরিতে নানা ধরনের অপপ্রচার করে এসেছে। এই মুহূর্তে ছাত্রশিবির কিছুটা পেছনে পড়ে গেছে। তবে তাদের কর্মকাণ্ড একেবারে নেই এটি বলা যাবে না।

বাংলাদেশে আওয়ামী লীগ এবং বিএনপির ছাত্র সংগঠন রয়েছে। ছাত্রলীগ জাতীয় রাজনীতিতে প্রতিটি গণআন্দোলনে অংশ নিয়েছে। সেই হিসেবে তার একটি অবস্থান রয়েছে। কিন্তু আওয়ামী লীগ সুসংগঠিত হয়ে রাজনৈতিক দল হিসেবে জাতীয় রাজনীতিতে নেতৃত্ব দেয়ার পর থেকে ছাত্রলীগ আওয়ামী লীগের পেছনে অবস্থান নিতে বাধ্য হয়। আওয়ামী লীগ রাষ্ট্র ক্ষমতায় আসার পর ছাত্রলীগ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে দুধরনের সমস্যার সম্মুখীন হয়। এক, প্রতিদ্ব›দ্বী ছাত্রদল ও ছাত্রশিবিরের বিরুদ্ধে ক্যাম্পাসে সাংগঠনিক ভিত্তি প্রতিষ্ঠায় প্রথমেই বাধাপ্রাপ্ত হয়। দুই, আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় যাওয়ার কারণে কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে একশ্রেণির শিক্ষার্থী ছাত্রলীগে যুক্ত হয়ে যায়। বাহ্যিকভাবে এদের আগমনটি ছাত্রলীগের সাংগঠনিক ভিত্তি শক্তিশালী করার কথা মনে হলেও ধীর ধীরে এদের বড় অংশই লেখাপড়ার চর্চা থেকে নিজেদের দূরে সরিয়ে নিয়েছে, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ওপর কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠার নেটওয়ার্ক তৈরি করেছে। নানা ধরনের নিয়মবহির্ভূত কাজের সঙ্গে যুক্ত হয়েছে, ছাত্রনেতা পরিচয়ে এলাকায় পরিচিত হওয়ার চেষ্টা করেছে, অনেকে বিত্তশালীও হয়েছে। তবে এদের মধ্য থেকে কেউ উচ্চশিক্ষায় সফল হয়েছেন বা জাতীয় রাজনীতিতে খুব মেধাবী নেতা হিসেবে আবির্ভূত হয়েছেন তা মনে হয়নি। এই মুহূর্তে ছাত্রলীগ নেতা, কর্মী, ¯েøাগানধারী ইত্যাদি কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে বেশ দেখা যায়। কিন্তু তাদের কোনো রাজনৈতিক কর্মসূচি চোখে পড়ে না, নিজেদের মধ্যে গ্রুপিং দলাদলি ইত্যাদি সবসময়ই বিরাজ করছে; যা নিয়ে আওয়ামী লীগ খুবই অস্বস্তিতে আছে বলে মনে হয়। আবার বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের ছাত্র সংগঠন ছাত্রদল বিএনপির অঙ্গসংগঠন হিসেবে বেশ পরিচিত। বিএনপি যখন ক্ষমতায় ছিল তখন তারা কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে আধিপত্য প্রতিষ্ঠা নিয়ে ব্যস্ত ছিল। তাদের মূল প্রতিদ্ব›দ্বী ছাত্র সংগঠন হিসেবে তাদের কাছে বিবেচিত হয়েছে ছাত্রলীগ। সুতরাং ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা ক্যাম্পাস থেকে ছাত্রলীগকে বিতাড়িত করাকে তাদের ‘রাজনৈতিক’ দায়িত্ব মনে করত। ছাত্রশিবির তাদের প্রতিদ্ব›দ্বী মনে হলেও ছাত্রশিবিরের বিরুদ্ধে তাদের দৃঢ় কোনো অবস্থান ছিল না। অথচ বেশকিছু কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রশিবির ছাত্রদলের নেতাকর্মীদেরও থাকতে দিত না। ছাত্রদল বিএনপির রাজনৈতিক মতাদর্শে কর্মীদের উদ্বুদ্ধ করেছে। কিন্তু ছাত্রদল এখন বিএনপির সিদ্ধান্তকেও খুব একটা পাত্তা দেয় না। অনেক বয়স্ক, বিবাহিত, প্রতিষ্ঠিত ব্যবসায়ী ছাত্রদলের পদ আঁকড়ে আছে। ছাত্রদলকে নিয়ে এখন বিএনপির সংকট বেশ জটিল পর্যায়ে পৌঁছেছে। বিএনপি যখন ক্ষমতায় ছিল তখন ছাত্রদল কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়ে নিয়ন্ত্রণ রাখার নামে নানা ধরনের অবৈধ কর্মকাণ্ড ও সন্ত্রাসের সঙ্গে জড়িত ছিল। ছাত্রদলের কোনো নেতার কৃতী ছাত্র হয়ে বেড়ে ওঠার খবর আমরা এখনো জানি না।

তাহলে কী বোঝা গেল? ছাত্র সংগঠন থেকে আদৌ রাজনীতিবিদ তৈরি হয় কি? মনে তো হয় তেমন কিছুই হয় না। কারণ রাজনীতিবিদ হওয়ার জন্য লেখাপড়া জানতে হয়। এখন একুশ শতকের রাজনীতি অনেক বেশি জ্ঞাননির্ভর হয়ে উঠেছে। এখানে দেশ, সমাজ, মানুষ, প্রকৃতি, বিজ্ঞান, শিল্পসাহিত্য, প্রশাসন, অর্থনীতি, সমাজনীতি, ক‚টনীতি, আইন, সংসদ, বিধিবিধান ইত্যাদি সম্পর্কে অনেক কিছু জানতে হয়, যার জন্য দেশে এত সব বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজ রয়েছে। সেখানে পড়াশোনা করেও তো অনেকে বিদেশে গিয়ে হাবুডুবু খাচ্ছে। আর আমাদের এখানে উচ্চমাধ্যমিক কলেজে প্রবেশ করেই যে ছাত্র বইপুস্তক ত্যাগ করে ¯েøাগান, চাঁদাবাজি, মারামারি, হল দখল, বুক ফুলিয়ে চলা ইত্যাদি নীতিবহির্ভূত কাজের সঙ্গে যুক্ত হয়ে যায় তারা তো প্রকৃত ছাত্রজীবনই অনুশীলন করেনি। ভালো মানুষ হওয়ার জন্য যা শেখা দরকার তা না শিখে অন্য ছাত্রছাত্রীদের অসম্মান করা, শারীরিক আঘাত করা কিংবা নানাভাবে হেনস্থা করার অভ্যাসগুলো রপ্ত করে তারা জাতির জন্য কতটা স্বস্তি বয়ে আনবে সেটি আর প্রশ্ন করারও প্রয়োজন পড়ে না। পরিসংখ্যান নিলে দেখা যাবে ছাত্ররাজনীতির নামে ছাত্র সংগঠনগুলোতে যারা যুক্ত হচ্ছে তাদের বেশিরভাগই ব্যক্তি জীবনে খুব পিছিয়ে পড়া মানুষে পরিণত হচ্ছে, কেউ কেউ অবৈধ পন্থায় অর্থবিত্ত উপার্জন করছে, কেউ কেউ দলের বড় নেতাদের পেছনে নানা তদবির নিয়ে ঘুরছে কিন্তু খুব কমই কিছু অর্জনে সফল হচ্ছে। অথচ এরা যদি সবাই উচ্চশিক্ষার যে করণীয় তা অনুসরণ করত তাহলে এদের প্রায় সবাই দেশ ও জাতির রাজনীতি, প্রশাসন, শিক্ষা-সংস্কৃতি, অর্থনীতি, প্রকৌশল, ডাক্তার, ক‚টনীতি, বিজ্ঞান, গবেষণা ইত্যাদিতে অনেকেই দিকপাল হয়ে উঠত এতে কোনো সন্দেহ নেই। সেই মানুষটি হতে পারলে তারা বেড়ে উঠত আত্মমর্যাদাশীল, সৃজনশীল, দেশপ্রেমিক, চিন্তাশীল মানুষরূপেও। আমাদের দরকার আসলে উচ্চ গবেষণায় সফল শিক্ষিত মানুষের। তাহলেই আমাদের দেশ একুশ শতকের যোগ্য মেধাবীদের স্বাভাবিক প্রক্রিয়ায় লাভ করবে। ছাত্র সংগঠন আমাদের মেধাবী তরুণ বিশেষজ্ঞের জোগান দিতে পারছে না, রাজনীতিবিদও নয়। এ আত্মঘাতী অবস্থা থেকে আমাদের মুক্ত হতে হলে অস্বচ্ছ ছাত্ররাজনীতির ধারণা থেকে বের হয়ে শিক্ষাজীবনের বাধ্যবাধকতায় ছাত্রছাত্রীদের যুক্ত করার উদ্যোগ দেশে রাজনৈতিক নেতাদের নিতেই হবে।

মমতাজউদ্দীন পাটোয়ারী : অধ্যাপক (অবসরপ্রাপ্ত), ইতিহাসবিদ ও কলাম লেখক।

মুক্তচিন্তা'র আরও সংবাদ
Bhorerkagoj