জেনে নিন : যতেœ থাকুক ঘরের আসবাব

রবিবার, ৮ সেপ্টেম্বর ২০১৯

প্রাচীন যুগে মানুষ আয়ের প্রয়োজনে নিজেরা তৈরি করতে শেখে ঘর। এরপর বসবাসের অনুষঙ্গ হিসেবে তৈরি করে নেয় আসবাব। সেই থেকে শুরু করে বর্তমান সময়ে এসেও মানুষ তার বসবাসের জন্য ঘরের ভেতর আসবাব ব্যবহার করে। দাম, আকার, প্রয়োজন, রুচি, ব্যবহার ইত্যাদির ভিন্নতা থাকলেও সব বাড়িতেই কিছু না কিছু আসবাব থাকে। অনেক ধরনের উপকরণ দিয়ে তৈরি আসবাব এখন বাজারে পাওয়া যায়। তবুও এখন পর্যন্ত কাঠের আসবাবের চাহিদা ও জনপ্রিয়তা সবচেয়ে বেশি।

কাঠের বৈশিষ্ট্য ও ধর্ম জানুন

কাঠের ধর্মই হল স¤প্রসারণ এবং সংকোচন। কাঠের আসবাব তৈরির আগে লক্ষ রাখুন কাঠটি ঠিকমতো সিজনিং করা আছে কিনা। সেক্ষেত্রে একটু বেশি সময় লাগলেও কাঠটি ঠিকমতো সিজনিং করে নিন। আবহাওয়ার পরিবর্তনের কারণে কাঠের সংকোচন ও প্রসারণের ফলে আসবাব বেঁকে, ভেঙে বা কিছু অংশ পৃথকও হয়ে যেতে পারে। এসব ক্ষেত্রে যে দোকান থেকে আসবাবটি কিনবেন তাদের কাছ থেকে এসব অসুবিধার জন্য সার্ভিসিং নিতে পারেন। আসবাব কেনার সময় এই বিষয়টি নিয়ে আসবাব সরবরাহ প্রতিষ্ঠানটির সাথে আলাপ করে নিতে পারেন।

যা করবেন না

০ আসবাবে কাচের প্রলেপ দিলে আসবাব ঘেমে নষ্ট হয়ে যেতে পারে তাই কাঠের আসবাবে সম্ভব হলে কাচের প্রলেপ দেবেন না।

০ আসবাব এমন জায়গায় রাখুন যাতে সরাসরি সূর্যের আলো না লাগে।

০ সরাসরি গরম কোনো জিনিস আসবাবের ওপর রাখবেন না। এতে করে আসবাবের উজ্জ্বলতা নষ্ট হতে পারে।

০ ভেজা কাপড় বা ঠান্ডা পানির গøাস বা বোতল কাঠের আসবাবের ওপর রাখবেন না। এতে পানি লেগে কাঠের বার্নিশ নষ্ট হবে।

০ কাঠ, বাঁশ, প্লাস্টিক, রাবার ইত্যাদি তাপরোধক ম্যাট ব্যবহার করবেন।

পরিচ্ছন্নতার টিপস

০ আসবাবে কাপড়ে ফেব্রিক থাকলে চেষ্টা করুন ভ্যাকুয়াম ক্লিনার দিয়ে পরিষ্কার করতে।

০ চামড়ার তৈরি আসবাব হলে নিয়মিত মুছে, লেদার ট্রিটমেন্ট করলে ভালো হবে।

০ কাঠের আসবাব পলিশ করবেন বছরে একবার।

০ ধুলা পরিষ্কার করতে কাপড় ব্যবহার করুন।

০ কাঠের আসবাবে যদি নকশা করা থাকে তবে তার ভেতরের ধুলা পরিষ্কার করতে ছোট ব্রাশ বা ভ্যাকুয়াম ক্লিনার ব্যবহার করুন।

০ কোনো কেমিক্যাল বা রাসায়নিক দ্রব্য মিশ্রিত তরল আসবাবে পড়লে তা সাথে সাথেই পরিষ্কার করে ফেলবেন।

ফ্যাশন (ট্যাবলয়েড)'র আরও সংবাদ
Bhorerkagoj