জেনে নিন : কর্মীদের কাজের গতি

রবিবার, ৮ সেপ্টেম্বর ২০১৯

এমন অনেক প্রতিষ্ঠান আছে যেগুলো কর্মক্ষেত্রে বৈচিত্র্য আনার মাধ্যমে কাজে ক্রমাগত ভালো ফলাফল পাচ্ছে। কেননা এর মাধ্যমে কর্মীদের প্রতিটি পরামর্শকে মূল্যায়ন করা হয় এবং তাদের পরামর্শ নিয়েই ব্যবসায়িক সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়। যার ফলে কর্মীরা কাজে পরিপূর্ণ আস্থা ও সম্পূর্ণ আগ্রহ নিয়ে কাজ করে। এই বিষয়ে টেক্সাস এবং সিঙ্গাপুরে একটি গবেষণা চালানো হয়েছিল, যাতে কিছু শিক্ষিত লোকদের জাতগতভাবে বৈচিত্র্যযুক্ত বা সমজাতীয় দলে অন্তর্ভুক্ত করা হয় এবং তাদের মূল্যের মজুদ করতে বলা হয়। গবেষণার ফলাফলে দেখা যায়, যারা বৈচিত্র্যযুক্ত অর্থাৎ বিভিন্ন দলের অংশ ছিলেন তাদের স্টকগুলোতে দামের সম্ভাবনা ৫৮% বেশি ছিল। অপরদিকে সমজাতীয় গ্রুপে থাকা ব্যক্তিদের স্টকে ত্রুটিপূর্ণ ঝুঁকির পরিমাণ বেশি ছিল। এই গবেষণাকে আরো বিস্তৃতভাবে বিশ্লেষণ করে জানা যায়, বৈচিত্র্যযুক্ত দলের সদস্যরা একে অপরের অনুমান যথাযথভাবে পরীক্ষা করে দেখে এবং পুরো প্রক্রিয়াটিকে আরো যতœ সহকারে পরিচালনা করে।

একটি কোম্পানি যত বেশি ভোক্তাদের নিকট তাদের পণ্য পৌঁছাতে পারে, তাদের লাভের হার ততো বেশি বৃদ্ধি পায়। বিসিজির তথ্যমতে একটি আন্তর্জাতিক গবেষণা অনুসারে, দলের নেতৃত্বে বৈচিত্র্যতা বাড়িয়ে দলকে শক্তিশালী করার মাধ্যমে লাভের হার ১৯% পর্যন্ত বাড়ানো সম্ভব। কারণ বৈচিত্র্যময় নেতৃত্ব অনেকাংশেই কর্মীদের কাজের গতি বাড়াতে সক্ষম। তাছাড়া একটি প্রতিষ্ঠানের মূল উদ্দেশ্যই হলো মুনাফা অর্জন। কর্মীদের ভিন্ন ভিন্ন মতামতকে গুরুত্বের সঙ্গে গ্রহণ করে যখন কোম্পানি কোনো সিদ্ধান্ত নেয় এবং কর্মীদের সম্পূর্ণ অংশগ্রহণে তা বাস্তবায়ন করে, তখন প্রতিষ্ঠানের লাভের হার ক্রমাগত বৃদ্ধি পায়। তাই দলের উন্নয়নের মাধ্যমে যদি প্রতিষ্ঠান লাভবান হয় তাহলে সেটাই করা উচিত।

কোম্পানির ওয়েবসাইটে যখন বৈচিত্র্যের বিষয়টি উল্ল্যেখ করা থাকে তখন সহজেই সেই কোম্পানি সম্পর্কে মানুষের ইতিবাচক ধারণা সৃষ্টি হয়। এটি সামগ্রিকভাবে শক্তিশালী দল এবং উন্নত সংস্থা তৈরির জন্য মানবসম্পদের এক বাস্তব হাতিয়ার।

ফ্যাশন (ট্যাবলয়েড)'র আরও সংবাদ
Bhorerkagoj