আমাদের বিপ্লব উদ্যান : কিছু সাদামাটা কথা

শনিবার, ৩১ আগস্ট ২০১৯

পাপন বড়–য়া শাকিল

দিন যায়, আসে রাত। ভোরের পূর্বাকাশে সূর্যের রক্তিম আভা জানান দেয় আরেকটি নতুন দিনের আগমনী বার্তা। শুরু হয় কর্মচাঞ্চল্য- অবিরাম, অবিরত বেঁচে থাকার সংগ্রাম। মনে পড়ে, এমনি একটি কর্মচঞ্চল দিনে, একবুক স্বর্ণালি আশা নিয়ে সৃজনশীলতার রোদে ভিজতে ভিজতে বিপ্লব উদ্যান হাজির হয়েছিল এক দঙ্গল মানুষ। শুরু হয়েছিল যাত্রা, ভোরের কাগজ পাঠক ফোরাম চট্টগ্রাম জেলা কমিটির। দিনটি ছিল ১৯৯৬ সালের ১ সেপ্টেম্বর। প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে আমাদের মনেপ্রাণে বিশ্বাস ছিল সাহিত্য ও সংস্কৃতিচর্চার আলোকে সামাজিক সংকীর্ণতা দূর করা সম্ভব। প্রতিষ্ঠার প্রথম বর্ষে চজেক প্রকাশ করেছে ‘মৃত্তিকা’। এ ছাড়া ’৯৮ সালের বিজয় র‌্যালি, গল্পের আড্ডা, বানানের আড্ডাসহ বিভিন্ন সাহিত্য আসর। ’৯৯ সালে জমকালো প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর আয়োজন। ২০০০ সালের প্রথম দিকে ফিচার সাংবাদিকতা কর্মশালা এবং বছরের শেষের

দিকে জিন্নাত আরা রোজীর সম্পাদনায় স্পন্দন ’৭১ বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য।

নির্মাণ আর বিনির্মাণের পথ মাড়িয়ে আমরা পেরিয়ে এসেছি কিছু সোনালি সময়। সেই দিন। সেই সোনালি অতীতগুলো আমাদের এখনো কাছে ডাকে, আমরা আবেগে আপ্লুত হই। আমরা ভুলতে পারি না কাউকে। আমাদের ভালোবাসায় স্মরণীয় হয়ে থাকে সে সব প্রিয় মানুষেরা- এক সময় আমাদের ভালোবাসার চারণভূমিতে যাদের ছিল সরব পদচারণা।

ছন্দপতনের পর বিপ্লব উদ্যানকে

আগলে রাখতে এগিয়ে এসেছিলেন কুয়াশা, ফারুখ, সাগর, শাপলু, রুপক, জিমিরা। সঙ্গে যুক্ত ছিল তানিয়া, আনোয়ার আবসার, রোজী, শিমু, বোরহান, বিশ্বজিত, পলাশসহ আরো কিছু থোকা থোকা নাম। সে সব ভালোবাসার নামগুলো কখনো শেষ করা যাবে না আমার এই ছোট্ট লেখনীতে।

সময়ের ধুলো জমে বিস্মৃতির পরত পড়ে সবখানেই। শুধুই অমলিন থেকে যায় বন্ধুত্ব। আমরা বন্ধু- প্রমাণিত হোক বারবার।

:: পাফোস-১০১০৮, চট্টগ্রাম

পাঠক ফোরাম'র আরও সংবাদ
Bhorerkagoj