এক যুগে হ্যাশট্যাগ

রবিবার, ২৫ আগস্ট ২০১৯

গত ২৩ আগস্ট ছিল টুইটারের হ্যাশট্যাগ ফিচারটির জন্মদিন। হ্যাশট্যাগের যুগপূর্তির দিনটিকে পালন করেছে টুইটার কর্তৃপক্ষ। কমিউনিটিকে একত্রীকরণ ও কথোপকথনকে একসূত্রে গাঁথার ফিচার হিসেবে হ্যাশট্যাগ প্রতীকটির ১২ বছর পূর্তিতে বিশেষ ইমোজি প্রকাশ করেছে টুইটার কর্তৃপক্ষ। টুইটারের চালু করা হ্যাশট্যাগ প্রতীকটি এখন সবচেয়ে পরিচিত এবং ব্যাপক ব্যবহৃত প্রতীক হিসেবে পরিচিত হয়েছে।

দেখতে দেখতে এক যুগ পার হয়ে গেল হ্যাশট্যাগের। গত ২৩ আগস্ট ছিল টুইটারের হ্যাশট্যাগ ফিচারটির জন্মদিন। হ্যাশট্যাগের যুগপূর্তির দিনটিকে পালন করেছে টুইটার কর্তৃপক্ষ। কমিউনিটিকে একত্রীকরণ ও কথোপকথনকে একসূত্রে গাঁথার ফিচার হিসেবে হ্যাশট্যাগ প্রতীকটির ১২ বছর পূর্তিতে বিশেষ ইমোজি প্রকাশ করেছে টুইটার কর্তৃপক্ষ। টুইটারের চালু করা হ্যাশট্যাগ প্রতীকটি এখন সবচেয়ে পরিচিত এবং ব্যাপক ব্যবহৃত প্রতীক হিসেবে পরিচিত হয়েছে। এবিসি নিউজের প্রতিবেদনে বলা হয়, মানুষের মধ্যে যোগাযোগ বাড়াতে ও বিপ্লব তৈরিতে হ্যাশট্যাগ ব্যবহৃত হয়েছে। কোন শব্দ বা শব্দগুচ্ছের আগে হ্যাশট্যাগ চিহ্ন টাইপ করে এ সংক্রান্ত বিষয়গুলোকে একত্রে প্রকাশ করা যায়। প্রযুক্তি উদ্যোক্তা ক্রিস মেসিনা হ্যাশট্যাগের উদ্যোক্তা। তিনি বলেন, টুইটার প্রথমে তার হ্যাশট্যাগের ধারণা বাতিল করে দিয়েছিল। তবে তিনি ধারণাটি সংরক্ষণ করেছিলেন। এখন টুইটার, ফেসবুক, ইনস্টাগ্রামে এটি ব্যাপক ব্যবহার করা হচ্ছে। স¤প্রতি কর্মক্ষেত্রে যৌন নিপীড়নের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াতে হ্যাশট্যাগ মিটু জনপ্রিয় হয়।

হ্যাশট্যাগ কি এবং কেন : একসময় যখন ল্যান্ডলাইনের প্রচলন ছিল তখন টেলিফোন সেটের সব বাটনের সঙ্গে আমাদের পরিচয় ছিল না। তখন শুধু এক থেকে নয় এবং শূন্য বাটনের সঙ্গেই আমাদের সাধারণ মানুষের পরিচয় ছিল। তবে যারা ফোন লক করে রাখতেন তাদের অবশ্য টেলিফোন সেটের হ্যাশ এবং স্টার (*) বাটনের সঙ্গেও পরিচয় ছিল। পরবর্তীতে এ দুইটি বাটনের সঙ্গে পরিচয় ঘটে যখন আমাদের দেশে মোবাইল ফোন আসে। মোবাইল ফোনে রিচার্জ করতে এবং ব্যালেন্স দেখতে এ দুইটি বাটনের প্রয়োজন হতো। তবে গত কয়েক বছরে ডায়াল করা ছাড়াও আমরা হ্যাশ বাটনের একটি ব্যবহার দেখছি। যা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোতে ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হচ্ছে। আর তা হলো, যে কোনো ইভেন্ট বা বিষয়কে একতাবদ্ধ করতে এর ব্যবহার। প্রায়ই আমাদের চোখে পড়ে হ্যাশট্যাগ (হ্যাশ ট্যাগ) সংবলিত স্ট্যাটাস বা ছবি। অনেকেই বুঝতে পারেন না, এই স্ট্যাটাস বা ছবির পেছনে কেন আঠার মতো লেগে আছে হ্যাশ । আসলে এটাকে মাইক্রোব্লুগিংয়ের ভাষায় বলা হয় হ্যাশট্যাগ। এটা একই ধরনের বক্তব্যকে একীভূত করে। যখন কোনো শব্দের শুরুতেই হ্যাশট্যাগ (হ্যাশ ট্যাগ) ব্যবহার করবেন তখন সেটি নীল বর্ণ ধারণ করবে। সেটা লিংক-এ পরিণত হবে। পরবর্তীতে এই রিলেটেড সব স্ট্যাটাস বা ছবি যদি একই হ্যাশট্যাগ ব্যবহার করে দেয়া হয় তবে সহজেই সব এক জায়গায় পাবেন।

:: ডটনেট ডেস্ক

ডট নেট'র আরও সংবাদ
Bhorerkagoj