জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়াম রক্ষণাবেক্ষণ

বৃহস্পতিবার, ২২ আগস্ট ২০১৯

প্রাকৃতিক অপরূপ সৌন্দর্যে পাহাড় ও সাগরঘেরা উন্নতমানের সুযোগ-সুবিধা সংবলিত ভেন্যু চট্টগ্রামের জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়াম। ২০০৪ সালে আইসিসি অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপ দিয়ে জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামের ভেন্যুটি আন্তর্জাতিক ক্রিকেট অঙ্গনে যাত্রা শুরু করে। ২০০৬ সালে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ওয়ানডে ও টেস্ট ম্যাচ আয়োজনের মধ্য দিয়ে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে পা রাখে স্টেডিয়ামটি। ২০১১ বিশ্বকাপের জন্য প্রচুর সংস্কারও হয়।

২০১১ বিশ্বকাপে এবং ২০১৪ টি-২০ বিশ্বকাপের ম্যাচ অনুষ্ঠিত হয়েছিল এ ভেন্যুতে। প্রতি বছর এখানে আন্তর্জাতিক বেশ কিছু ম্যাচও অনুষ্ঠিত হয়। চট্টগ্রামের মানুষের কাছে জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়াম একটি আবেগের নাম। এখানে নাকি বাংলাদেশ ক্রিকেট টিম বেশি জেতে। আর চট্টগ্রামের ক্রিকেটপ্রেমীরাও এটাকে বাংলাদেশের লাকি গ্রাউন্ড বলে মনে করেন। বর্তমানে ভেন্যুটির বেহাল দশা নিয়ে চিন্তিত এখানকার ক্রিকেটপ্রেমীরা।

বেহাল দশার কথা যদি বলতেই হয়, তবে প্রথমেই বলতে হয় গ্যালারির ভাঙা চেয়ার নিয়ে। ১৫ হাজার চেয়ারের মধ্যে প্রায় সাড়ে চার হাজারই ভাঙা। কোনো কোনো চেয়ারের অবকাঠামো পর্যন্ত উঠে গেছে। এ ছাড়া ক্রিকেটারদের প্র্যাকটিসের ইনডোরের ভেতরে বৃষ্টির পানি পড়ে। ভারী বর্ষণ হলে বাদ যায় না হসপিটালিটি বক্সও। ফ্লাড লাইটের বেশ কিছু লুমিনারও ভাঙা।

এ ছাড়া যেটা সবচেয়ে নোংরা বিষয়, সেটা হচ্ছে টয়লেট। এ স্টেডিয়ামে বেশ কিছু টয়লেট দুর্গন্ধময় ও ব্যবহার অনুপযোগী। যা নিয়ে ইতোপূর্বে অনেকেই অভিযোগ করেছেন। এসব মিলিয়ে একটি আন্তর্জাতিক ভেন্যুর যে অবস্থা থাকা দরকার তা নেই এতে। আন্তর্জাতিক কোনো ম্যাচ অনুষ্ঠিত হলে বিসিবি সংস্কার করে। কিন্তু বড় ধরনের সংস্কারের প্রয়োজন হলে তা বিসিবি জাতীয় ক্রীড়া পরিষদকে অবহিত করে। ২০১১ সালের পর বড় ধরনের কোনো সংস্কার হয়নি। তবে ২০১৪ সালের টি-২০ বিশ্বকাপে কিছুটা সংস্কার হয়েছিল।

২০১১ সালে আইসিসি বিশ্বকাপের ম্যাচে ক্রিকেটের জনক ইংল্যান্ড এবং নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে জয় পায় স্বাগতিক বাংলাদেশ দল। ২০১৪ সালে এখানে আইসিসি টি-২০ বিশ্বকাপ ম্যাচে নেপালের বিপক্ষে জয় পায় টিম বাংলাদেশ। এ ছাড়া জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে টেস্টে একটি জয় রয়েছে এ ভেন্যুতে বাংলাদেশ দলের। এসব মিলিয়ে এ ভেন্যুতে বাংলাদেশ দলের টেস্ট, ওয়ানডে ও টি-২০ ম্যাচ নিয়ে ভালো করার পাশাপাশি তামিম-মুশফিকদের ব্যক্তিগত অনেক সুখস্মৃতিও রয়েছে। এ কারণে টাইগারদের লাকি গ্রাউন্ড বা পয়া মাঠ বলা হয় চট্টগ্রামের এই ভেন্যুকে। কিন্তু এই লাকি গ্রাউন্ডকে রক্ষা করতে হলে এগিয়ে আসতে হবে সবাইকে। অনেক সময় দেখা যায় আমাদের দর্শকরাও দেয়াল ভেঙে ফেলে। তাই আমাদের স্টেডিয়াম রক্ষা করতে হবে আমাদেরই। স্টেডিয়ামের টয়লেট নোংরা রাখি আমরাই। তাই এসব সুন্দর রাখার দায়িত্বও আমাদের।

:: আজহার মাহমুদ, খুলশী, চট্টগ্রাম।

মুক্তচিন্তা'র আরও সংবাদ
গাজী মহিবুর রহমান

অনুগ্রহ করে ঘরে থাকুন

আর কে চৌধুরী

আমরা যেন হেরে না যাই

সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী

ফোর্স নয়, সেবকও নয়, বন্ধু চাই

নিতাই চন্দ্র রায়

এই যুদ্ধে জয়ী হতে হবে

ড. মো. তাসদিকুর রহমান

আসুন সরকারের নির্দেশনা মানি

মমতাজউদ্দীন পাটোয়ারী

ব্যক্তিগত আক্রমণ গ্রহণযোগ্য নয়

সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী

ঐক্যের বিকল্প কিছু নেই

Bhorerkagoj