রাজধানীতে ছুটির আমেজ কাটেনি

বৃহস্পতিবার, ১৫ আগস্ট ২০১৯

কাগজ প্রতিবেদক : সাপ্তাহিক ছুটি ও ঈদুল আজহার তিনদিনসহ টানা পাঁচদিন ছুটির পর গতকাল বুধবার থেকে সরকারি অফিস আদালতে কার্যক্রম শুরু হলেও কর্মকর্তা-কর্মচারীদের উপস্থিতি ছিল কম। রাজধানীর বিভিন্ন রাস্তাঘাট ছিল অনেকটাই জনশূন্য। যানবাহনের সংখ্যাও ছিল নগণ্য। দীর্ঘক্ষণ অপেক্ষা করেও যাত্রীদের দেখা পাননি রিকশা ও অটোরিকশা চালকরা। বাস স্টপেজগুলোতেও দেখা গেছে একইরকম চিত্র। সচিবালয়ের প্রধান ফটকে গাড়ি ও লোকজনের সমাগম তেমনটা চোখে পড়েনি। ব্যাংকপাড়ায় কাজের চাপ ছিল কম। অফিসে আসা কর্মকর্তা-কর্মচারীদের অনেকে গল্পগুজব আর ঈদের কুশল বিনিময়েই ছিলেন ব্যস্ত।

তবে প্রথম কার্যদিবসে সচিবালয়ে সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী এবং আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের ও নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ সমসাময়িক বিষয়ে সাংবাদিকদের ব্রিফ করলেও অন্য কর্মকর্তা-কর্মচারীদের উপস্থিতি চোখে পড়ার মতো ছিল না। খাদ্য, ভূমি, অর্থসহ বিভিন্ন মন্ত্রণালয়েও ছিল একই চিত্র। অন্য কার্যদিবসের তুলনায় সচিবালয়সহ অন্য সরকারি-বেসরকারি অফিসগুলোতে উপস্থিতি ও কর্মব্যস্ততা তেমন ছিলই না।

অনেকেই জানান, বঙ্গোপসাগরে লঘুচাপ ও মৌসুমি বায়ুর প্রভাবে গোটা দেশে হালকা ও মাঝারি বৃষ্টিপাতে রাস্তাঘাট অনেকটাই জনশূন্য। এর ওপর চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, মোংলা ও পায়রা সমুদ্রবন্দরকে ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্ক সংকেত দেখাতে বলায় অনেকে বাইরে বের হননি। ছুটি কাটিয়ে নগরীতে ফেরা নিয়েও অনেকের তাড়া দেখা যায়নি। তাছাড়া নগরীর বিপণিবিতানসহ ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগুলো গতকালও বন্ধ দেখা গেছে।

কর্মকর্তাদের সঙ্গে আলাপকালে জানা যায়, গতকাল অফিস খুললেও আজ (বৃহস্পতিবার) আবার জাতীয় শোক দিবসের ছুটি। এরপর আগামী দুদিন থাকছে সাপ্তাহিক ছুটি। এ কারণে অনেকেই বুধবার অতিরিক্ত ছুটি নিয়েছেন। তারা আগামী রোববার (১৮ আগস্ট) নিজ নিজ অফিসে হাজির হবেন। সে জন্য আগামী সপ্তাহের প্রথম কার্যদিবস থেকেই দেখা মিলবে যানজট আর কর্মব্যস্ততার চিরচেনা রাজধানীর।

দ্বিতীয় সংস্করন'র আরও সংবাদ
Bhorerkagoj