চট্টগ্রামের বিনোদন কেন্দ্রে মানুষের উপচে পড়া ভিড়

বৃহস্পতিবার, ১৫ আগস্ট ২০১৯

চট্টগ্রাম অফিস : পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে চট্টগ্রাম নগরীর বিভিন্ন পর্যটন ও বিনোদন কেন্দ্রে দর্শনার্থীদের উপচে পড়া ভিড়। ঈদ পরবর্তী সময়ে বৃষ্টিপাত বেশি না হওয়ায় প্রকৃতির কাছে ছুটেছেন অনেকে বিনোদন প্রিয় মানুষ। পরিবার ও স্বজনদের নিয়ে উপভোগ করছেন তারা প্রকৃতি ও পরিবেশ।

নগরীর ফয়স লেক অ্যামিউজমেন্ট পার্ক ছাড়াও পতেঙ্গা সমুদ্রসৈকত, ভাটিয়ারি গলফ ক্লাব, চট্টগ্রাম চিড়িয়াখানা, আগ্রাবাদ জাম্বুরি মাঠ পার্কসহ বিভিন্ন বিনোদন কেন্দ্রে মানুষের উপচে পড়া ভিড়। এদিকে গ্রামের বাড়িতে মানুষ ছুটে যাওয়ায় নগরী এখন ফাঁকা। নৌ-বিমান বন্দর, রেলস্টেশন, বাস টার্মিনালে আগের সেই চিরচেনা ভিড় নেই। নগরীর ব্যস্ততম সড়কের চিরচেনা অসহনীয় যানজটের দৃশ্যও চোখে পড়ছে না।

ঈদের ছুটির একদিন পর গতকাল বুধবার ছিল প্রথম কর্মদিবস। অনেকে ছিলেন অফিসে কিন্তু ছিল না সেই কর্মব্যস্ততা।

আজ বৃহস্পতিবার জাতীয় শোক দিবসের ছুটি। আগামীকাল শুক্র-শনিবারও সাপ্তাহিক ছুটি রয়েছে। যে কারণে বন্দরনগরী কর্মব্যস্ত হতে আরো কিছুদিন লাগবে।

তবে আগামী রবিবার থেকে চট্টগ্রাম পুরোপুরি কর্মব্যস্ত হয়ে উঠবে বলে আশা করছেন অনেকে।

ফয়স লেক কনকর্ড অ্যামিউজমেন্ট পার্কের কর্মকর্তা বিশ^জিৎ ঘোষ ভোরের কাগজকে বলেন, ঈদের পরের দিন গত মঙ্গলবার প্রায় ৪ হাজার দর্শনার্থী এখানে আসেন। তবে বুধবার সকাল থেকে ভিড় আরো বেড়েছে। দর্শনার্থীর সংখ্যা প্রায় সাড়ে ৫ হাজার ছাড়িয়ে গেছে।

এ ছাড়া চট্টগ্রাম চিড়িয়াখানা, পতেঙ্গা সমুদ্রসৈকত, ভাটিয়ারি গলফ ক্লাব, স্বাধীনতা কমপ্লেক্স, আগ্রাবাদ জাম্বুরি মাঠ পার্ক, ওয়ার সিমেট্রি, সিআরবি, নেভাল এলাকা, শিশু পার্কে দর্শনার্থীর ভিড় দেখা গেছে।

নগরীর বাইরে চট্টগ্রামের মিরসরাইয়ের মহামায়া লেক, আনোয়ারায় পারকি সমুদ্রসৈকত, ভাটিয়ারি পাহাড় পার্কে গ্রামমুখী লোকজন বিনোদনে ব্যস্ত আছেন। একই সঙ্গে সীতাকুণ্ডের বেড়িবাঁধের পাশে সমুদ্রসৈকত, বাঁশখালী ইকোপার্ক ও সমুদ্রসৈকত, রাঙ্গুনিয়া এভিয়ারি পার্কসহ গ্রামাঞ্চলের বিভিন্ন বিনোদন স্পটে হাজারো মানুষ প্রকৃতির সৌন্দর্য উপভোগ করতে ছুটছেন।

সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের অনেকেই স্বজন-পরিজনদের সঙ্গে বাড়িতে সময় কাটাচ্ছেন। কর্মস্থানে এখনো ফেরেননি শ্রমজীবী মানুষ। তবে তাদের কর্মমুখী হতে আরো কয়েকদিন সময় লাগবে বলে অনেকে জানিয়েছেন।

বিভিন্ন রুটে গণপরিবহন দুয়েকটি চলাচল করলেও সেগুলোতে নেই যাত্রীর ভিড়। নগরীর অধিকাংশ সড়ক এখনো ফাঁকা। নেই বিষাক্ত কালো ধোঁয়া। সড়কে পর্যাপ্ত গণপরিবহন না থাকায় রিকশা এবং সিএনজি অটোরিকশাই হচ্ছে ভরসা। ফলে স্বাভাবিকের চেয়ে দ্বিগুণ কিংবা তিনগুণ বাড়তি ভাড়া গুনতে হচ্ছে সাধারণ মানুষদের।

এই জনপদ'র আরও সংবাদ
Bhorerkagoj