পড়াশোনায় মন বসাতে

বৃহস্পতিবার, ২৫ জুলাই ২০১৯

পড়াশোনা বিষয়টা নীরস মনে হয়।

সারা বছরই বই খাতা থেকে দূরে থাকে শফিক। একসময় পরীক্ষা আসে।

আগের রাতে বই খুলে সবিস্ময়ে আবিষ্কার করে, এত এত পড়া কখন পড়বে? হাল ছেড়ে দেয়। পরের সেমিস্টার থেকে কোমর বেঁধে নামবে বলে ঠিক করে। কিন্তু সেই পরের সেমিস্টার আর আসে না।

পড়াশোনা বিষয়টা শফিকের কাছে নীরস মনে হয়। সারা বছরই বই-খাতা থেকে দূরে থাকে। একসময় পরীক্ষা আসে। আগের রাতে বই খুলে সবিস্ময়ে আবিষ্কার করে, এত্ত এত্ত পড়া কখন পড়বে? হাল ছেড়ে দেয়। পরের সেমিস্টার থেকে কোমর বেঁধে নামবে বলে ঠিক করে। কিন্তু সেই পরের সেমিস্টার আর আসে না।

ব্যায়াম করো নিয়মিত

ব্যায়াম মগজটাকে সব সময়ই সতেজ রাখে। এতে মনোযোগ এমনিতেই বাড়বে। যেসব রাসায়নিক পদার্থ পড়ায় ক্ষতি করে, সেগুলো শরীর থেকে বের করে দেয় ব্যায়াম। এমনকি এক কাপ কফি না খেয়ে কিছু সময় হালকা ব্যায়াম করে নিলেও দেখবে ঝরঝরে লাগছে সব।

বেশি বেশি পানি পান গবেষণায় দেখা গেছে, আমরা তৃষ্ণার্ত থাকলেও অনেক সময় তা টের পাই না। এতে মনোযোগের ঘাটতি দেখা যায়। প্রতিদিন গড়পড়তা তিন চার লিটার পানি পান করলেই যথেষ্ট। আর শরীরে পানির ঘাটতি না থাকলে মনোযোগ দিতেও সমস্যা হবে না।

পড়ার পরিবেশ

ফেসবুক বা স্মার্টফোনের অতিরিক্ত ব্যবহার মনোযোগে তীব্র ঘাটতি সৃষ্টি করে। তাই পড়ার সময় স্মার্টফোন হাতের কাছে না রাখাই ভালো। আর যদি একান্তই কম্পিউটারে কাজ করতে হয়, তবে দরকার ছাড়া ইন্টারনেট অফ করে রাখো। পড়ার পরিবেশে পর্যাপ্ত আলো-বাতাস আছে কি না খেয়াল করো। বসার জায়গাটা পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন ও আরামদায়ক করে নাও আগে। সরিয়ে ফেলো যাবতীয় অপ্রয়োজনীয় জিনিস।

একসঙ্গে সব নয়

মাল্টিটাস্কিং বা একসঙ্গে অনেকগুলো কাজ করা হলে কোনোটাই ঠিকমতো করা হয় না। যখন একসঙ্গে মানুষ অনেকগুলো কাজ করতে থাকে, তখন কোনোটায়ই ঠিকভাবে মন বসে না। তাই পড়ার সময় একটি বিষয়ের একটি অধ্যায়ের একটি টপিকের প্রতি একটি নির্দিষ্ট সময়ের জন্য মনোযোগ দিতে হবে।

বিরতি আবশ্যক

মানুষের মস্তিষ্ক খুব বেশি সময় একটি কাজে মনোযোগ দিতে পারে না। সে কারণে দরকার বিরতির।

পড়া এবং লেখার ফাঁকে মিনিট দশেকের ছোট ব্রেক নিলে মনোযোগ ধরে রাখা যায়। তাই ঘড়ি ধরে নির্দিষ্ট সময় পর পর বিরতি নাও।

:: ক্যাম্পাস ডেস্ক

ক্যাম্পাস'র আরও সংবাদ
Bhorerkagoj