‘অনুপ্রবেশকারী’ ও ‘নব্য আওয়ামী লীগার’ প্রসঙ্গ

বুধবার, ১৭ জুলাই ২০১৯

আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কাউন্সিল যতই এগিয়ে আসছে ততই দলটির সাংগঠনিক বিষয়ে নানা ধরনের খবর সামনে আসছে। বিশেষভাবে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে নানা ধরনের সতর্ক বার্তা ও হুঁশিয়ারি প্রকাশিত হচ্ছে। সেইসব খবর থেকে জানা যাচ্ছে, ২০০৮ সালে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসার পর থেকে সারাদেশে বিএনপি-জামায়াতসহ অবাঞ্ছিত কারা কারা দলে অনুপ্রবেশ করেছে, সেইসব ‘নব্য আওয়ামী লীগারদের’ তালিকা প্রণয়ন করা হচ্ছে। ইতোমধ্যে ১৭ হাজার ‘সন্দেহভাজন’ চিহ্নিত করা হয়েছে। এই তালিকার জন্য আওয়ামী লীগ সভাপতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তাগিদ দিচ্ছেন। তালিকা পাওয়ার পরই নাকি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। সংসদ সদস্যদের যারা নৌকার বিরুদ্ধে নির্বাচনে অবস্থান নিয়েছিলেন, তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের কথাও জোরেশোরে প্রচারে আসছে। এদিকে দলীয় নেতা ও মন্ত্রীরা সংগঠনে ‘অনুপ্রবেশকারী, ‘হাইব্রিড’ বা ‘নব্য আওয়ামী লীগারদের’ ব্যাপারে সোচ্চার রয়েছেন।

সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের তো বলেই চলছেন, হাইব্রিড নেতায় দেশ ভরে গেছে, যেন নেতা উৎপাদনের কারখানা রয়েছে। ‘কাউওয়া’ শব্দটা তিনি রাজনীতিতে যুক্ত করে জনপ্রিয় করেছেন। সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য ও ১৪ দলের সমন্বয়ক মোহাম্মদ নাসিম বলেছেন, বিএনপি-জামায়াত থেকেও ভয়ঙ্কর নব্য আওয়ামী লীগ। মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক বলেছেন, যুদ্ধাপরাধীদের সন্তান আওয়ামী লীগের সদস্য হলে তাদের বহিষ্কার করা হবে। বর্ষীয়ান জননেতা তোফায়েল আহমেদ ৫ জুলাই বরিশাল বিভাগীয় প্রতিনিধি সভায় বলেছেন, রাজনৈতিক আশ্রয় না পেলে নয়ন বন্ডরা তৈরি হতো না। আপনারা কেন খেয়াল রাখছেন না? আরো লক্ষণীয় যে, ধর্ষণের ঘটনায় প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষে তথাকথিত আওয়ামী লীগ নামধারীরা জড়িত থাকছে। কোনো কোনো আওয়ামী লীগ নেতা এসব নরাধমকে ফায়ারিং স্কোয়াডে দেয়ার কথা বলছেন।

প্রসঙ্গত ‘কাউওয়া’, ‘হাইব্রিড’, ‘অনুপ্রবেশকারী’, ‘নব্য আওয়ামী লীগার’, ‘আশ্রয়দাতা’, ‘সন্দেহভাজন’, ‘নৌকার বিরুদ্ধে অবস্থান গ্রহণকারী’, ‘ধর্ষণকারী’ প্রভৃতির বিরুদ্ধে অনবরত হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করা হতে থাকলেও এখন পর্যন্ত কার্যকরী কোনো পদক্ষেপ আওয়ামী লীগ সংগঠন থেকে নেয়া হয়েছে বলে দৃষ্টিগোচরে আসছে না। যারা অনুপ্রবেশ করেছে তারা যেমন আছে বহালতবিয়তে, তেমনি প্রবেশের পথও বন্ধ করা হচ্ছে না। ছাত্রলীগ কেন্দ্রীয় কমিটিতে অনুপ্রবেশকারী জামায়াত-শিবির আছে বলে কাগজপত্রে প্রমাণ প্রকাশ হলেও এখন পর্যন্ত কোনো পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে বলে জানা যায়নি। এদিকে আওয়ামী লীগের নির্বাচনী ইশতেহারে প্রদত্ত ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি সরকার কতটা কার্যকর করতে পারছে তা নিয়ে জনমনে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। এদিক-ওদিক কান পাতলেই শোনা যাচ্ছে, ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ রাজনৈতিক বিষয়ে সিদ্ধান্ত গ্রহণে যতটা তৎপর ও সফল, ঠিক ততটাই পিছিয়ে পড়ছে সাংগঠনিক বিশেষত তথাকথিত নেতাকর্মী ক্ষতিকরদের বিষয়ে সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষেত্রে। রাজনীতির সঙ্গে সংগঠন যথাযথ উপযোগী করার বিষয়ে আওয়ামী লীগ পিছিয়ে পড়ছে। সামঞ্জস্য বিধান করা হচ্ছে বলে মনে হচ্ছে না। ফলে জনমনে নানা প্রশ্ন দেখা দিচ্ছে।

এই যখন অবস্থা তখন আওয়ামী লীগের কেন্দ্রের একটি সাংগঠনিক পদক্ষেপ যথেষ্ট আলোচনার দাবি রাখে। ৭ জুলাই সদ্য আওয়ামী লীগে আগত বিএনপির সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান ও চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ইমাম আহমেদ চৌধুরীকে আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য হিসেবে মনোনীত করা হয়েছে। পত্রপত্রিকা ও সামাজিক মাধ্যমে বিষয়টি নিয়ে বিশেষভাবে সমালোচনা চলছে। প্রসঙ্গত, বিগত জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে ১৯ ডিসেম্বর ২০১৮ বিএনপি-জামায়াত জোটের নমিনেশন না পেয়ে ক্ষুব্ধ হয়ে গণভবনে গিয়ে আওয়ামী লীগে যোগ দেন তিনি। তখনই অনুমান করা গিয়েছিল তিনি আওয়ামী লীগের কোনো পদে অভিষিক্ত হচ্ছেন। কেননা রাজনৈতিক ঘটনাপ্রবাহে এটা প্রমাণিত যে, ক্ষমতার কেন্দ্রে কোনো সময়ে থাকা রাজনীতিতে যোগদানকারী কোনো উচ্চপদস্থ আমলা ক্ষমতা ছাড়া সাধারণভাবে থাকতে পারেন না। যতটুকু মনে পড়ে রাজনীতিতে এই সুবিধাবাদী ডিগবাজির সমালোচনা করে অধ্যাপক সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী পত্রিকায় একটি কলাম লিখেছিলেন। প্রত্যুত্তরে তিনি এর প্রতিবাদ করে ‘বঙ্গবন্ধুর’ আওয়ামী লীগে যোগদানের কথা লিখেছিলেন। তখন তিনি হয়তো ভুলে গিয়েছিলেন, ‘চিরঞ্জীব জিয়া’, ‘ছোটদের জিয়াউর রহমান ও বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ’, ‘আপসহীন নেত্রী খালেদা জিয়া’ প্রভৃতি বই লিখেছিলেন। মজার ব্যাপার হলো, বইগুলো সম্পর্কে আওয়ামী লীগের বর্তমান উপদেষ্টা এই আমলা রাজনীতিকের মতামত এখনো জানা যায়নি।

কয়েকদিন আগে ‘হায়রে বাসন্তী! এত করেও মন পেলি না’ শিরোনামের কলামে বাংলাদেশ প্রতিদিন সম্পাদক নঈম নিজাম দুঃখ করে লিখেছেন, ১৯৭২ সালে যেসব কর্মকর্তার চাকরি গিয়েছিল পাকিস্তানের পক্ষে থাকার কারণে তিনি তাদের একজন।’ যতদূর মনে পড়ে দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে ২০১৩ সালের কাদের মোল্লার ফাঁসি, হেফাজতের আন্দোলন ও নির্বাচন বানচালের ঘটনায় জড়িত থাকার কারণে তিনি গ্রেপ্তারও হয়েছিলেন। প্রকৃত বিচারেই দেখা যাচ্ছে রাজনীতিতে শেষ কথা বলে কিছু নেই। বলাই বাহুল্য সাম্প্রতিক সময়ে ডিগবাজির রাজনীতিতে তিনি উদারহণ হয়ে থাকবেন। প্রসঙ্গত বলতেই হয়, রাজনীতি কখনো সোজা সরল পথে চলে না। আওয়ামী লীগ সভাপতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কোন কারণে কোন বিবেচনায় এই আমলা রাজনীতিকে আওয়ামী লীগের উপদেষ্টামণ্ডলীতে মনোনয়ন দিলেন, তার সবটা জানা বা বুঝা বেশ কষ্টকর। সহজেই ধারণা করা যায়, সবদিক ভেবে বিশেষ বিবেচনায়ই তিনি এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। তবে তৃণমূলে যখন ‘অনুপ্রবেশকারী’ ও ‘নব্য আওয়ামী লীগারদের’ পোয়াবার, যখন তাদের বিরুদ্ধে অবস্থান গ্রহণের দাবি প্রবলতর হচ্ছে এবং তাদের চিহ্নিত করে দল থেকে বের করে দেয়ার কথা উঠছে, তখন এই নিয়োগ সংগঠনের তৃণমূল পর্যায়ে কোনো ভালো বার্তা দেবে বলে আশা করা যায় না।

প্রসঙ্গত বলতেই হয়, আওয়ামী লীগ সংগঠন হিসেবে এখন যেভাবে এসে দাঁড়িয়েছে এবং আমাদের সমাজ ও রাজনীতির যে অবস্থা; তাতে ‘কাউওয়া’বিহীন আওয়ামী লীগ গড়ে ওঠা প্রায় অসম্ভব। সেই পাকিস্তানি আমল থেকে ক্ষমতাসীন দলে যোগ দিয়ে হালুয়া-রুটির ভাগ নেয়া সমাজের উঁচু থেকে নিচু পর্যন্ত সংস্কৃতি হয়ে দাঁড়িয়েছে। মধু থাকলে মৌমাছি ভিড় করবে, এটাই স্বাভাবিক। যদি দেশে এই সংস্কৃতি না থাকত তবে সেনাশাসক জিয়া ও এরশাদ ক্ষমতায় গিয়ে দল গঠন করে এবং বিস্তার ঘটিয়ে ক্ষমতায় টিকে থাকতে পারতেন না। কয়েকদিন আগে রাজনীতি পর্যবেক্ষণ করেন এবং ভাবেন, তৃণমূলের একজন রাজনৈতিক নেতা আমাকে বলেছেন, ‘অনুপ্রবেশকারী’, ‘নব্য আওয়ামী লীগার’ প্রভৃতি কথা বলে তাদের ওপর দোষ চাপিয়ে নিজেদের আড়াল করে কিছু কিছু আওয়ামী লীগ নেতাই নানাভাবে ফায়দা লুটে যাচ্ছেন। কথার ফাঁকে আসল কাজ হাসিল করাই হচ্ছে উদ্দেশ্য। আরো কিছু কিছু জায়গায় খবর নিয়ে উল্লিখিত কথার সত্যতা পেয়েছি। সাধারণভাবেই ধারণা করা যায়, এমনটা চলতে থাকলে তৃণমূলে অন্যায় ও অন্যায্যের বিরুদ্ধে মানুষের পক্ষে দাঁড়ানোর ঐতিহ্য ও ক্ষমতা আওয়ামী লীগ ক্রমেই হারাতে থাকবে।

সহজেই ধরে নেয়া যায় সংগঠনের বিদ্যমান পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়ে ১২ জুলাই উপদেষ্টা পরিষদ ও কার্যনির্বাহী সংসদের সভায় আওয়ামী লীগ সভাপতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, উন্নয়নের ধারাবাহিকতা অব্যাহত রাখার জন্য আওয়ামী লীগকে সাংগঠনিকভাবে শক্তিশালী করার পাশাপাশি জনমত যেন পক্ষে থাকে সেদিকে নজর দিতে হবে। ইতোপূর্বে জাতীয় সংসদে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেছেন যে, অপরাধী-দুর্নীতিবাজ যত বড়ই হোক, এমনকি দলের কাউকেই ছাড় দেয়া হবে না। অপরাধ ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে। সম্প্রতি তিনি এটাও বলেছেন, ‘দুর্নীতি যেন উন্নয়ন না খেয়ে ফেলে।’ মনে কতটা কষ্ট পেলে তিনি বলতে পারেন যে, ‘আমরা সারাদিন খেটে এত কাজ করে এখন যদি এই দুর্নীতির কারণে এটা নষ্ট হয়ে যায়, তবে সেটা দুঃখজনক।’ প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে কোনো ঘাটতি আছে বলে মনে হয় না। কিন্তু নির্দেশ পালিত না হওয়ায় জনমত কোন দিকে যাচ্ছে, তা লক্ষ করার প্রয়োজন রয়েছে।

ধারণা করি জনমতের দিকে লক্ষ রেখেই কয়েকদিন আগে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে লক্ষীপুরের এমপি ড. আনোয়ার হোসেন খান জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের বক্তৃতার একটি ভিডিও প্রকাশ করেছেন। তাতে যুদ্ধবিধ্বস্ত নবজাত বাংলাদেশে বঙ্গবন্ধু দুঃখ ও ক্ষোভ প্রকাশ করে বলছেন, ‘পাকিস্তান সব নিয়ে গেছে আমাদের কাছ থেকে… শুধু চোরগুলোকে রেখে গেছে।’ ‘চাটার দল’ চোরগুলোকে রেখে যাওয়ার পরিণতিতে কীভাবে দেশি-বিদেশি ষড়ষন্ত্র-চক্রান্ত কার্যকরী হয়ে হাজার বছরের সবচেয়ে নৃশংস হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছিল, তা জাতির অভিজ্ঞতার মধ্যে রয়েছে। তবে তখনকার চেয়ে পরিস্থিতি এখন ভিন্ন এইদিক থেকে যে, দেশ এখন যুদ্ধবিধ্বস্ত নয়, খাদ্য ঘাটতিও নেই, ভিক্ষুকও নই আমরা; দেশ রয়েছে উন্নয়নের ধারায়। বর্তমানে স্বাধীনতাবিরোধী বিশেষত ‘রাতের বাহিনীর’ মতো নাশকতামূলক কাজ থেকে দেশকে মুক্ত রাখা সম্ভব হচ্ছে। তাই এখনই সময় ধারাবাহিকভাবে রাজনীতিতে স্থান করে নেয়া ‘চাটার দল’ তথা ‘কাউওয়াদের’ হাত থেকে যথাসম্ভব ঐতিহ্যবাহী ও স্বাধীনতা সংগ্রামে নেতৃত্বদানকারী দল আওয়ামী লীগকে মুক্ত করা।

বলাই বাহুল্য, মুক্ত করার অর্থ কেবল দলে ক্ষতিকরদের বাদ ও শাস্তি দেয়ার কথা বলা হচ্ছে না। যদিও এটা চলমান রাখা ভিন্ন বিকল্প নেই। তবে নতুন প্রজন্মের যারা আসছে, যারা নেতৃত্ব পদ পাচ্ছে; তাদের রাজনৈতিকভাবে শিক্ষিত, পোক্ত, সাহসী, প্রতিবাদী করার বিষয়টাও প্রাধান্য দিতে হবে। রাজনীতিতে রাজনৈতিক শিক্ষার বিষয়টা বাদ দিয়ে কোনো দল আসলে মাথা উঁচু করে দাঁড়াতে পারে না। অতীতে পাকিস্তানি আমলে বা বাংলাদেশের প্রত্যক্ষ-পরোক্ষ সামরিক শাসনামলে আওয়ামী লীগ দাঁড়িয়েছে আন্দোলনের মাঠে-রাস্তায় রাজনীতির পাঠ নিয়ে। জেলখানা ছিল রাজনৈতিক শিক্ষাগ্রহণের প্রকৃষ্ট স্থান। আওয়ামী লীগে অতীতে এবং এখন যারা নেতা তারা সবাই মূলত আন্দোলন-সংগ্রামের ফসল। কিন্তু এখন আওয়ামী লীগ ১০-১১ বছর ক্ষমতায়। এখন ক্ষমতার প্রজন্ম আওয়ামী লীগে স্থান করে নিচ্ছে। ক্ষমতা মানেই তো সুযোগ-সুবিধা। তাই ক্ষমতায় থেকে প্রকৃত জনদরদি, ত্যাগী ও জনপ্রিয় নেতা সৃষ্টি করা আমাদের দেশে কঠিন ও জটিল কাজ। এই কঠিন কাজটাতেই এখন হাত দিতে হবে। বঙ্গবন্ধু ঠিকই বলেছিলেন, সোনার বাংলা গড়তে হলে সোনার মানুষ চাই। বঙ্গবন্ধুর শততম জন্মবার্ষিকী ও স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী পালনকে কেন্দ্র করে আওয়ামী লীগ এই কাজ হাতে নেবে- এটাই একান্ত প্রত্যাশা।

শেখর দত্ত : রাজনীতিক ও কলাম লেখক।

মুক্তচিন্তা'র আরও সংবাদ
Bhorerkagoj