মাদক পাচারের নতুন কৌশল গ্রেপ্তার চার

শুক্রবার, ১২ জুলাই ২০১৯

কাগজ প্রতিবেদক : মাদকদ্রব্য বহনে নানা কৌশল অবলম্বন করছে দুর্বৃত্তরা। এবার যশোর থেকে মেরামতের নামে ঢাকায় আনার সময় একটি বাসের ভেতর থেকে বিপুল পরিমাণ ফেনসিডিল উদ্ধার করেছে র‌্যাব। গতকাল বৃহস্পতিবার দুপুরে রাজধানীর মোহাম্মদপুর এলাকা থেকে ওই বাসটি জব্দ করার পাশাপাশি ৪ মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেপ্তার করা হয়। তারা হলেন- চালক আসাদুল ইসলাম এবং তার তিন সহযোগী বাবু মিয়া, ইকবাল হোসেন ওরফে মোহন ও সোহেল হাছান জুয়েল শেখ।

র‌্যাব-২ এর কোম্পানি কমান্ডার এসপি মুহম্মদ মহিউদ্দিন ফারুকী বলেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানতে পারি, যশোর জেলার সীমান্ত অঞ্চল থেকে একটি সচল এসি বাসকে পরিত্যক্ত দেখিয়ে তাতে করে মাদকের বড় একটি চালান রাজধানীর মোহাম্মদপুরে আনা হচ্ছে। এরই পরিপ্রেক্ষিতে আমরা গাবতলী, মোহাম্মদপুর ও আদাবরসহ বিভিন্ন স্থানে তল্লাশি চৌকি বসাই। গতকাল বেলা ১১টার দিকে আন্তঃজেলা যশোর-চৌগাছা রুটের ১টি এসি বাস মোহাম্মদপুর বাস স্ট্যান্ডের দিকে যেতে থাকলে তার গতিরোধ করা হয়।

তখন চালক জানান, বাসটি মেরামতের জন্য ঢাকায় আনা হয়েছে। বাসটি ঘুরিয়ে রায়েরবাজার বেড়িবাঁধে কোন গ্যারেজে মেরামতের জন্য নেয়া হবে। সে সময চালকের আচরণ সন্দেহজনক মনে হওয়ায় গাড়ির মালিকানা সংক্রান্ত কাগজপত্র ও ড্রাইভিং লাইসেন্স দেখতে চাওয়া হয়। সেসব দেখাতে ব্যর্থ হয় সে। পরে বাসে তল্লাশি চালিয়ে পেছনের সিটের নিচে বিশেষ কায়দায় নির্মিত বক্সে থরে থরে সাজানো ৬৫০ বোতল ফেনসিডিল উদ্ধার করে র‌্যাব সদস্যরা। পরে চালক ও তার তিন সহযোগীকে গ্রেপ্তার চালকসহ আরো ৩ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়।

‘পরিবার পরিকল্পনা বাস্তবায়নে নারী শিক্ষার বিকল্প নেই’

কাগজ প্রতিবেদক : নারী শিক্ষা পরিবার পরিকল্পনা কার্যক্রমের সফল বাস্তবায়নের একটি অন্যতম পূর্বশর্ত হিসেবে কাজ করছে বলে মন্তব্য করেছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী জাহিদ মালেক।

গতকাল বৃহস্পতিবার বিশ^ জনসংখ্যা দিবস উপলক্ষে কৃষিবিদ ইনস্টিটিউটশনে আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্য, শিক্ষা ও পরিবার কল্যাণ বিভাগের সচিব শেখ ইউসুফ হারুনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের সচিব আসাদুল ইসলাম, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. আবুল কালাম আজাদ, পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক কাজী মোস্তফা সারোয়ার প্রমুখ।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, নারী উন্নয়নে বিষয়টি সরকার গুরুত্বের সঙ্গে দেখছে। যে কারণে নারী শিক্ষা, নারীর কর্মসংস্থান বৃদ্ধিসহ কর্মজীবী নারীর মাতৃত্ব ছুটি ৬ মাস পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে।

জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণের গুরুত্ব বর্ণনা করে তিনি বলেন, বর্তমান সরকার জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার স্বাভাবিক রাখা, পরিকল্পিত পরিবার গঠন, মা, শিশু স্বাস্থ্যসেবা ও প্রজনন স্বাস্থ্যসেবা, স্বাভাবিক প্রসব সংক্রান্ত সব সেবা, বয়ঃসন্ধিকালীন স্বাস্থ্যসেবা, আধুনিক পরিবার পরিকল্পনা পদ্ধতি গ্রহীতার হার বৃদ্ধিকে যথেষ্ট অগ্রাধিকার দিয়ে কাজ করে যাচ্ছে। নিরাপদ মাতৃত্ব, কিশোর-কিশোরীর স্বাস্থ্য, নারী শিক্ষা ও নারী কর্মসংস্থানের জন্য নতুন নতুন পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে।

মানুষের মধ্যে সচেতনতা বাড়ছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার ১৯৭৪-এর ২.৬১% থেকে বর্তমানে ১.৩৭%-এ হ্রাস পেয়েছে। পরিবার পরিকল্পনা পদ্ধতি ব্যবহারকারীর হার ১৯৭৫ সালে ৭.৭ শতাংশ থেকে বর্তমানে ৬৩.১ শতাংশে উন্নীত হয়েছে। এখন আমাদের আরো উদ্যমী হয়ে নবদম্পতি, কিশোরী মাতৃত্ব, দরিদ্র-নিরক্ষর ও দুর্গম অঞ্চলের সক্ষম দম্পতিদের চিহ্নিত করে তাদের কাছে পরিবার পরিকল্পনা সেবা পৌঁছে দেয়ার পদক্ষেপ নিতে হবে।

এর আগে সকাল জাতীয় সংসদের দক্ষিণ প্লাজায় বিশ^ জনসংখ্যা দিবস উপলক্ষে এক বর্ণাঢ্য র‌্যালি বের হয়।

দ্বিতীয় সংস্করন'র আরও সংবাদ
Bhorerkagoj