স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী : ই-পাসপোর্টের উদ্বোধন হবে এ মাসেই

শুক্রবার, ১২ জুলাই ২০১৯

কাগজ প্রতিবেদক : চলতি জুলাই মাসের যে কোনো সময়ে ই-পাসপোর্ট বা ইলেকট্রনিক পাসপোর্ট কার্যক্রমের উদ্বোধন করা হবে জানিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল বলেছেন, ই-পাসপোর্ট সারা বিশ্বে একটি নতুন প্রযুক্তি। জার্মানির একটি খ্যাতনামা প্রতিষ্ঠান ই-পাসপোর্ট ও ই-গেট নিয়ে কাজ করছে। তারা সব ধরনের কাজ গুছিয়ে এনেছে। আমার মনে হয়, প্রধানমন্ত্রী জুলাইয়ের যে কোনো সময় ই-পাসপোর্টের উদ্বোধন করতে পারবেন।

গতকাল বৃহস্পতিবার নিজ দপ্তরে বাংলাদেশ সেক্রেটারিয়েট রিপোর্টার্স ফোরামের (বিএসআরএফ) নবনির্বাচিত কমিটির নেতাদের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ ও মতবিনিময়কালে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এসব কথা জানান। বিএসআরএফের সভাপতি তপন বিশ্বাস, সাধারণ সম্পাদক শামীম আহমেদ, যুগ্ম সম্পাদক আনিসুর রহমান তপন, অর্থ সম্পাদক মাসউদুল হক, সাংগঠনিক সম্পাদক ইসমাঈল হোসেন, দপ্তর সম্পাদক মাসুদ রানাসহ সংগঠনের সদস্যরা এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, হত্যাকাণ্ড ও শিশু ধর্ষণের মতো অমানবিক ঘটনাগুলো আমাদের বিবেককে নাড়া দেয়। দেশের সামাজিক শাসন ক্ষয়ে গেছে। সামাজিক মূল্যবোধ কমে গেছে। এগুলো রোধ করতে পারলে আমরা কিছুটা ফল পাব। যেমন ছোটবেলায় দেখেছি, এ ধরনের ঘটনা ঘটলে গ্রামে বিচার হতো। এখন আর সেটা হয় না। সামাজিক বিচারব্যবস্থা উঠে গেছে। তবে আমরা অপরাধীকে ধরে এনে আইনের হাতে তুলে দিচ্ছি; এটাই আমাদের প্রধান কাজ। এ ক্ষেত্রে আপনাদেরও (সাংবাদিকদের) ভূমিকা আছে। সংবাদমাধ্যম অনেক শক্তিশালী, সংবাদিকরা যদি লেখনীতে এগুলো তুলে আনেন, তবে আমরা সামাজিক অবক্ষয় থেকে মুক্তি পাব।

অপরাধীদের বিচার বিলম্বের বিষয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, মামলাজটের কারণে বিচার বিলম্বিত হচ্ছে। দুর্বল চার্জশিটের কারণে অপরাধীরা পার পেয়ে যাচ্ছে- এমন অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, চার্জশিট যাতে নির্ভুল হয়, সে জন্য পুলিশকে প্রশিক্ষণ দেয়া হচ্ছে।

সাংবাদিকদের অপর এক প্রশ্নের জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ডিআইজি মোজ্জাম্মেল হকের ঘটনা আমি শুনেছি। তার সম্পর্কে অভিযোগগুলো আমাদের কানে এসেছে। বিষয়গুলো নিয়ে তদন্ত শুরু হয়েছে। ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার প্রমাণ মিললে আপনারা সঠিক বিচার দেখতে পাবেন।

এই জনপদ'র আরও সংবাদ
Bhorerkagoj