হিলির পাইকারি বাজারে দাম কমেছে পেঁয়াজের

বৃহস্পতিবার, ১১ জুলাই ২০১৯

কাগজ প্রতিবেদক : দিনাজপুরের হিলি স্থলবন্দরের পাইকারি বাজারে আমদানি করা পেঁয়াজের দাম দ্বিগুণের বেশি বেড়েছিল। বাড়তে বাড়তে পণ্যটির দাম কেজিপ্রতি ২৬-২৮ টাকায় উঠেছিল। তবে এক দিনের মাথায় ফের কমে এলো পেঁয়াজের দাম। স্থানীয় বাজারে আমদানি করা পেঁয়াজের দাম কেজিতে ৬ টাকা কমে ২০-২২ টাকায় নেমে এসেছে।

মূলত আমদানি আগের তুলনায় বাড়ানোর জের ধরে হিলিতে পেঁয়াজের দাম কমে এসেছে বলে জানান স্থানীয় ব্যবসায়ী ও আমদানিকারকরা।

গতকাল হিলির আড়তগুলোয় ভারতের ইন্দোর থেকে আমদানি করা পেঁয়াজ বেশি বিক্রি হতে দেখা যায়। এ সময় পাইকারি পর্যায়ে (ট্রাকসেল) আমদানি করা প্রতি কেজি পেঁয়াজ মানভেদে ২০-২২ টাকায় বিক্রি হয়। আগের দিনও প্রতি কেজি আমদানি করা পেঁয়াজ ২৬-২৮ টাকায় বিক্রি হয়েছিল। সেই হিসাবে এক দিনেই আমদানি করা পেঁয়াজের দাম কেজিপ্রতি ৬ টাকা কমেছে।

এ বিষয়ে হিলি স্থলবন্দরের পেঁয়াজ আমদানিকারকরা জানিয়েছেন, দেশের বাজারে দাম বাড়তে থাকায় আমদানিকারকরা বাড়তি পেঁয়াজ আমদানি শুরু করেছেন। যখন পণ্যটির দাম বেশি ছিল, তখন এ স্থলবন্দর দিয়ে ভারত থেকে প্রতিদিন ১৫-২০ ট্রাক পেঁয়াজ আমদানি হয়েছে। গতকাল পণ্যটির আমদানি ৪০ ট্রাক ছাড়িয়েছে।

বাড়তি আমদানির কারণে সরবরাহ হঠাৎ করে বেড়ে যাওয়ায় দেশের বাজারে পেঁয়াজের দাম আগের তুলনায় কমে গেছে।

স্থানীয় পেঁয়াজ ব্যবসায়ীরা বলেন, বর্ষা মৌসুমে বৃষ্টির পানিতে ভিজে পথিমধ্যেই আমদানি করা অনেক পেঁয়াজ নষ্ট হয়ে যায়। এ কারণে লোকসানের আশঙ্কা থেকে দেশীয় আমদানিকারকরা বর্ষায় পেঁয়াজ আমদানি করতে চান না। তবে এবার পরিস্থিতি ভিন্ন। সামনের মাসেই কুরবানির ঈদ। ঈদের আগে দেশের বাজারে পেঁয়াজের চাহিদা বেড়ে যাবে। বাড়তি চাহিদার বিষয়টি মাথায় রেখে আমদানিকারকরা পেঁয়াজ আমদানি বাড়ানোর চেষ্টা করছেন। তবে নিজ দেশে প্রতিক‚ল আবহাওয়ার কারণে চাহিদা অনুযায়ী পেঁয়াজের জোগান দিতে পারছেন না ভারতীয় রপ্তানিকারকরা। এ কারণে মাঝের সময়টায় দেশের বাজারে পেঁয়াজের দাম দ্বিগুণের বেশি বেড়েছিল।

অর্থ-শিল্প-বাণিজ্য'র আরও সংবাদ
Bhorerkagoj