ইন্টার্নশিপ রিপোর্ট

বৃহস্পতিবার, ১১ জুলাই ২০১৯

কোনো প্রতিষ্ঠানে ইন্টার্নশিপ করার পর ইন্টার্নশিপ প্রোগ্রাম সম্পর্কিত যাবতীয় তথ্য যে রিপোর্টে তুলে ধরা হয় সে রিপোর্টকে ইন্টার্নশিপ রিপোর্ট বলা হয়।

বিভিন্ন অনার্স কোর্সের অংশ হিসেবে ইন্টার্নশিপ করতে হয় এবং ইন্টার্নশিপ প্রোগ্রাম শেষ করার পর ইন্টার্নশিপ রিপোর্ট সাবমিট করতে হয়। নাহলে অনার্স কোর্স সম্পন্ন হবে না। দেশে সাধারণত অনার্স কোর্সের শেষ পর্যায়ে এসে ইন্টার্নশিপ করতে হয়। এ ছাড়াও, চাইলে দক্ষতা বৃদ্ধি ও অভিজ্ঞতা অর্জনের জন্য যে কোনো সময় ইন্টার্নশিপ করতে পারেন, তবে সেক্ষেত্রে ইন্টার্নশিপ রিপোর্ট তৈরি করতে হবে না। ইন্টার্নশিপ রিপোর্ট একজন সুপারভাইজারের অধীনে তৈরি করতে হবে। ইন্টার্নশিপ রিপোর্টের টপিক কী হবে তা সুপারভাইজার নির্ধারণ করে দিতে পারেন আবার অনেক সময় পছন্দের টপিক নিয়েও কাজ করতে পারবেন।

যেমন আপনি যদি ব্যাংকে ইন্টার্নি করে থাকেন তাহলে ব্যাংকের যে কোনো বিভাগ। জেনারেল ব্যাংকিং, রেমিটেন্স, অ্যাকাউন্টস, অথবা লোন সেকশনকে ইন্টার্নশিপ রিপোর্টের টপিক হিসাবে বেছে নিতে পারেন।

একটি ইন্টার্নশিপ রিপোর্টের মূলত আটটি অংশ থাকে, তবে মূল অংশগুলো শুরু করার আগে ছোট ছোট আরো ২ থেকে ৩টি অংশ যুক্ত করতে হবে। যেমন টেবিল অব কন্টেন্ট, সার্টিফিকেট অব ইন্টার্নশিপ, একনোলেজমেন্ট ইত্যাদি। এ সব অংশে কী কী উল্লেখ করতে হবে, চলুন জেনে নিই।

টেবিল অব কন্টেন্ট : রিপোর্টের প্রথমেই কোন পেজে কোন টপিক রয়েছে তা টেবিল অব কন্টেন্টে ক্রমানুসারে উল্লেখ করতে হবে।

সার্টিফিকেট অব ইন্টার্নশিপ : ইন্টার্নশিপ প্রোগ্রাম শেষ হবার পর যেখানে ইন্টার্নি করেছেন, সেখান থেকে সার্টিফিকেট দেয়া হবে, সেই সার্টিফিকেটের কপি যুক্ত করে দিতে হবে।

একনোলেজমেন্ট : এই অংশে আপনার রিপোর্ট তৈরিতে যারা সাহায্য করেছেন। যেমন আপনার সুপারভাইজার অথবা যে কোম্পানিতে আপনি ইন্টার্নি করেছেন সেখানের ম্যানেজারের বা আপনার কোনো বন্ধু যিনি রিপোর্ট তৈরিতে সহায়তা করেছেন তাদের উদ্দেশ্যে কৃতজ্ঞতা ও ধন্যবাদ জ্ঞাপন করতে হবে। উপরের অংশগুলো উল্লেখ করার পর, ইন্টার্নশিপ রিপোর্টের মূল অংশ লেখা শুরু করতে হবে।

এক্সিকিউটিভ সামারি : পুরো রিপোর্টের মূল সারাংশ তুলে ধরা হয় এক্সিকিউটিভ সামারিতে। রিপোর্টের গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টগুলো এই অংশে সংক্ষিপ্ত আকারে উল্লেখ হয়।

ইন্ট্রোডাকশন : এক্সিকিউটিভ সামারির পরে যে অংশটি আসে তা হলো ইন্ট্রোডাকশন, যা এক্সিকিউটিভ সামারির তুলনায় একটু বড় হয়। হ ক্যাম্পাস ডেস্ক

ক্যাম্পাস'র আরও সংবাদ
Bhorerkagoj