সজীব ওয়াজেদ জয় : বিদেশি বিনিয়োগ বাড়াতে আইনের পরিবর্তন দরকার

বৃহস্পতিবার, ১১ জুলাই ২০১৯

কাগজ প্রতিবেদক : বাংলাদেশে বিনিয়োগে বিদেশি প্রতিষ্ঠানের জন্য বিদ্যমান নীতি ও আইনের পরিবর্তন দরকার উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয় বলেছেন, প্রতিযোগী ভেবে নয়, বিদেশি বিনিয়োগকারীদের পার্টনারশিপ করে এগিয়ে যেতে হবে। এ জন্য নীতিমালা ও আইনের দ্রুত পরিবর্তন প্রয়োজন। তাহলেই আমরা আরো দ্রুত এগিয়ে যাব।

গতকাল বুধবার সকালে বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে জাতীয় সংসদ সচিবালয় আয়োজিত ‘ডিজিটাল বাংলাদেশ : সমৃদ্ধির অগ্রযাত্রায় তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি’ শীর্ষক এক কর্মশালায় তিনি এসব একথা বলেন। অনুষ্ঠানে সহযোগিতা করেছে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগ। সংসদ সচিবালয়ের সচিব জাফর আহমেদ খানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী, ডেপুটি স্পিকার ফজলে রাব্বী মিয়া, প্রধান হুইপ নূর-ই-আলম চৌধুরী, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক প্রমুখ।

সজীব ওয়াজেদ জয় বলেন, আমাদের ডিজিটাল সেক্টরে এখন বাইরের অনেক কোম্পানি বিনিয়োগ করতে চায়। তবে অনেকের ধারণা, বিদেশি কোম্পানি খালি প্রফিট নিয়ে যায়। ভেবে দেখুন, বিদেশি কোম্পানি যদি বাংলাদেশে না আসত থ্রিজি, ফোরজি বাস্তবায়ন হতো না। তারা কর্মসংস্থান সৃষ্টি করেছে, ট্যাক্স দিচ্ছে।

তিনি বলেন, সিঙ্গাপুর, মালয়েশিয়ায় যে কোনো কোম্পানি বিনিয়োগ করতে পারে। আমাদের সেদিকে যেতে হবে। সরকার একা সব পারে না। সরকার যদি সব কিছু করতে গেলে সিস্টেম লস হয়। বিনিয়োগ বাড়াতে মানসিকতার পরিবর্তন করার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, আমাদের মাইন্ড সেট পরিবর্তন করতে হবে। দশ বছর আগে আমাদের দেশে শুধু টুজি ছিল। এখন ফোরজিতে চলে এসেছি। বিশ্বে যখন ফাইভ জি আসবে সঙ্গে সঙ্গে আমরাও এগিয়ে যাব।

বাংলাদেশে বিদ্যমান টেলিযোগাযোগ নীতিমালা পরিবর্তনে উদ্যোগের কথা জানিয়ে তিনি বলেন, আমাদের আইসিটি অবকাঠামো যেটা করেছি- যেমন হাইটেক পার্ক, ডেটা সেন্টার। আরেকটা হলো আমাদের টেলিকমিউনিকেশন। আমাদের ডেটা নেটওয়ার্কটাই আইসিটির রাস্তা। দশ বছর আগে আইসিটি মন্ত্রণালয় ছিল না। বিভিন্ন আইন করে এই মন্ত্রণালয় বাস্তবায়ন হয়েছে। কিন্তু আমাদের টেলিকমিউনিকেশন এখনো সেই ২০ বছর আগের। এটাকে নতুন করে মডেল পদ্ধতিতে আনা প্রয়োজন।

সরকারি সেবার ডিজিটাইজেশনের সুফল তুলে ধরে তিনি বলেন, সরকারি সব কিছু ডিজিটাইজ হলে আমরা দুর্নীতিমুক্ত বাংলাদেশ করতে পারি। এতে দুর্নীতির সুযোগ থাকে না। আমরা এখন ই-গভর্নমেন্ট মাস্টারপ্ল্যান করছি। মাস্টারপ্ল্যান অনুযায়ী ডিজিটাইজ করবেন।

শেষ পাতা'র আরও সংবাদ
Bhorerkagoj