পার্সি বিসি শেলি

সোমবার, ৮ জুলাই ২০১৯

মানবতাবাদী তরুণ কবি পার্সি বিসি শেলি জন্মগ্রহণ করেছিলন তৎকালীন ব্রিটিশ সাংসদ টিমথি শেলির পিতৃ পরিচয়ে এবং এলিজাবেথ শেলির গর্ভে। তার জন্ম ১৭৯২ সালের ৪ আগস্ট, মৃত্যু ৮ জুলাই ১৮২২ সালে। ইংল্যান্ডের সাসেক্সে জন্মগ্রহণ করেছিলেন তিনি। ওয়ার্ডসওয়ার্থ, কোলরিজ, বায়রনের সঙ্গে ইংল্যান্ড পেয়েছিল আরেকজন অসাধারণ কবি প্রতিভা। ধনী ঘরেই জন্মেছিলেন শেলি। সুবিধামতো জীবনযাপন করার সব সুযোগ তার ছিল, তবু বেছে নেন ঝঞ্ঝাময় জীবন। শেলি মানুষের জয়গান গেয়েছেন। প্রথমে পড়াশুনা করেন লন্ডনের সিয়ন একাডেমিতে। এরপর ভর্তি হন লন্ডনের সে সময়ের দামি স্কুল ইটনে। ইটন থেকে অক্সফোর্ডে এবং অবশেষে বহিষ্কার। ইটনে পড়ার সময় থেকে শেলি কবিতা লিখতেন। অক্সফোর্ডে এসে শেলি প্রগতিবাদী লেখক যেমন, টম পেইন এবং উইলিয়াম গডউইনের লেখাসমূহ পড়া শুরু করেন। ১৮১১ সালে নাস্তিকতাকে সমর্থন করে একটি পুস্তিকা লেখার জন্য বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বহিষ্কৃত হন। তিনি উনিশ শতকের প্রথম দিকের একজন ইংরেজি ভাষার কবি ছিলেন। ইংরেজি সাহিত্যে রোমান্টিক আন্দোলনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কবিদের মধ্যে ভাবা হয়। তার কবিতা, ঙুুসধহফরধং ও ঙফব ঃড় ঃযব ডবংঃ ডরহফ ইংরেজিতে অন্যতম বিখ্যাত কবিতা হিসেবে ধরা হয়। শেলি বিপ্লবী আদর্শবাদের কবি ছিলেন। ফরাসি বিপ্লবের আদর্শ তার মনোজগতকে এক নতুন প্রেরণায় উদ্বুদ্ধ করেছিল। শেলি কল্পনার মধ্যে খুঁজে ফিরেছেন এক আদর্শ জগৎ, সন্ধান করেছেন অনাগত যুগকে। ১৮১৩ সালে প্রকাশিত হয় শেলির প্রথম উল্লেখযোগ্য দীর্ঘ দার্শনিক কবিতা ছঁববহ সধন. এই কবিতায় কাব্য চরিত্র ইয়ানথির মাধ্যমে শেলি আশা করেছিলেন একদিন সব ঠিক হয়ে যাবে, মানুষ এবং প্রকৃতি মিলেমিশে একাকার হবে, হিংসা, হানাহানি, বিদ্বেষ সব শেষ হবে। এই কবিতায় গডউইনের সমাজ দর্শনের ছাপ রয়েছে। শেলির জীবনের শেষ চারটি বছর কেটেছে ইতালিতে এবং এই সময়েই রচিত হয়েছে তার বেশিরভাগ শ্রেষ্ঠ লেখা। ইতালি উপক‚লে একটি নৌকা দুর্ঘটনায় মাত্র ত্রিশ বছর বয়সে তিনি মৃত্যুবরণ করেন।

মুক্তচিন্তা'র আরও সংবাদ
সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী

হারলো কারা, জিতলো কে?

কবীর চৌধুরী তন্ময়

দায়-ব্যর্থতা কার?

আফসানা রিজোয়ানা সুলতানা

জমির সুষ্ঠু ব্যবহার প্রসঙ্গে

Bhorerkagoj