গতি দানব মিচেল স্টার্ক

মঙ্গলবার, ২ জুলাই ২০১৯

২০০৭ সালে ওয়েস্ট ইন্ডিজে অনুষ্ঠিত নবম বিশ^কাপ একাই ২৬ উইকেট নিয়েছিলেন গেøন ম্যাকগ্রার। সেই রেকর্ড অতিক্রম করতে আর মাত্র তিন উইকেট প্রয়োজন অজি পেসার মিচেল আরন স্টার্কের।

৩০ জানুয়ারি, ১৯৯০ সালে নিউ সাউথ ওয়েলসে জন্মগ্রহণকারী প্রথিতযশা অস্ট্রেলীয় ক্রিকেটার মিচেল স্টার্ককে বর্তমান ক্রিকেট দুনিয়ায় অন্যতম বিপজ্জনক বোলার মানা হয়। গতি, বাউন্স আর সুইংয়ে অসাধারণ স্টার্ককে মোকাবেলা করা বড্ড কঠিন। বাঁহাতি ফাস্ট বোলার হিসেবে অস্ট্রেলিয়া দলে খেলছেন দীর্ঘদেহী ছয় ফুট সাড়ে পাঁচ ইঞ্চি উচ্চতার অধিকারী মিচেল স্টার্ক। এ ছাড়াও তিনি ঘরোয়া প্রথম-শ্রেণির ক্রিকেটে নিউ সাউথ ওয়েলস ব্লুজ ও সিডনি সিক্সার্স এবং আইপিএলে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোরের প্রতিনিধিত্ব করেন।

এর আগে ২০১৫ বিশ^কাপে গতির ঝড় তুলে সর্বোচ্চ ২২ উইকেট নিয়ে টুর্নামেন্টের সেরা খেলোয়াড় নির্বাচিত হয়েছিলেন স্টার্ক। একাদশ বিশ^কাপে ট্রেন্ট বোল্টের সঙ্গে যৌথভাবে সর্বোচ্চ উইকেট শিকারির মর্যাদা পান তিনি। ওই আসরে তার সেরা বোলিং পরিসংখ্যান গ্রুপ পর্বের তৃতীয় খেলায় সহ-স্বাগতিক নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে (৬/২৮)। বর্তমান আসরেও তিনি সর্বোচ্চ উইকেট শিকারি, সাজঘরে ফিরিয়েছেন ২৪ জন ব্যাটসম্যানকে।

নিজেদের সবশেষ ম্যাচে কিউইদের বিপক্ষে গতি ঝড়েই মিলেছে ৮৬ রানের জয়। মূলত মিচেল স্টার্কের বোলিং তোপে ৪৩.৪ ওভারে নিউজিল্যান্ড গুটিয়ে যায় ১৫৭ রানে। তাতে স্টার্ক একাই নেন ৫ উইকেট। মাত্র ২৪৪ রানের লক্ষ্য দিয়েও স্টার্কের দুর্দান্ত বোলিং তোপে মাত্র ৩৯ রানের ব্যবধানে শেষ ৭ উইকেট হারায় গতবারের রানার্স আপরা। অস্ট্রেলিয়ান পেসার তার শেষ ২ ওভারে তিন ব্যাটসম্যানকে ফিরিয়ে জয় নিশ্চিত করেন। ৯.৪ ওভারে ২৬ রান দিয়ে ৫ উইকেট নেন তিনি। এ নিয়ে এই আসরে দ্বিতীয়বার এক ইনিংসে ৫ উইকেট পেলেন স্টার্ক।

অবশ্য এমন রেকর্ডে খুব একটা আগ্রহ নেই এই গতি তারকার। স্টার্ক মনে করেন, আসলে রেকর্ড কোনো কাজে আসবে না যদি বিশ^কাপ না জিতি। তাই আমি এই বিভাগে কার্যকরী ভূমিকা রেখেই খেলতে চাই।

প্রসঙ্গত, পাকিস্তানের পর অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে চলতি আসরে টানা দ্বিতীয় ম্যাচ হারল নিউজিল্যান্ড। বিশ^ চ্যাম্পিয়নদের কাছে হারে তাদের সেমিফাইনালের অপেক্ষা বাড়ল। সেমিফাইনাল নিশ্চিত করা অস্ট্রেলিয়া ৮ ম্যাচ শেষে ১৪ পয়েন্ট নিয়ে সবার ওপরে। আর ১১ পয়েন্টে নিউজিল্যান্ড এক ধাপ নেমে তৃতীয় স্থানে। দুই ম্যাচ কম খেলে সমান পয়েন্টে দ্বিতীয় স্থানে উঠে গেছে ভারত (১১)। ৯ পয়েন্ট নিয়ে চার নম্বরে পাকিস্তান।

:: আ ত ম মাসুদুল বারী

গ্যালারি'র আরও সংবাদ
Bhorerkagoj