সেরা তিন চাকরি

রবিবার, ৩০ জুন ২০১৯

বর্তমান সময়ে বিশ্বজুড়ে জনপ্রিয় হয়ে উঠছে ব্লুকচেইন প্রযুক্তি। ব্লুকচেইনকে আধুনিককালের এক অভিনব উদ্ভাবন বলা হচ্ছে। এটি একটি অপরিবর্তনযোগ্য ডিজিটাল লেনদেন, যা শুধুমাত্র অর্থনৈতিক লেনদেনের জন্যই প্রযোজ্য না, বরং এ প্রযুক্তি ব্যবহার করে কার্যাবলির তথ্য সংরক্ষণ করা যেতে পারে। যারা এই ব্লুকচেইনে ক্যারিয়ার গড়তে চান, তাদের জন্য আজকের ফিচার-

অ্যানালিস্ট : একজন অ্যানালিস্ট ব্লুকচেইন থেকে প্রাপ্ত তথ্য ব্যবহার করে, শিল্পের সম্ভাবনা নির্ণয় করা, ডাটা পর্যবেক্ষণ করা, গবেষণা পরিচালনা ও উপযুক্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করাসহ নানাবিধ কাজের সঙ্গে জড়িত থাকেন। এ ছাড়াও, প্রতিষ্ঠানের জন্য গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলোর ওপরে রিপোর্ট লেখার দায়িত্ব পালন করেন। অ্যানালিস্ট হিসেবে কর্মজীবন শুরু করতে হলে কমপক্ষে স্নাতক ডিগ্রি অর্জন করতে হবে এবং ব্লুকচেইন সংক্রান্ত কোনো কাজের পূর্ব অভিজ্ঞতা থাকতে হবে। একজন অ্যানালিস্টের বেতন নির্ভর করে মূলত অভিজ্ঞতা ও প্রতিষ্ঠানের ধরনের উপরে। তবে সাধারণত একজন অ্যনালিস্টের বার্ষিক গড় আয় বাংলাদেশী টাকায় প্রায় ৬২ লাখ টাকা।

ব্লুকচেইন ইঞ্জিনিয়ার : একজন ব্লুকচেইন ইঞ্জিনিয়ার সাধারণত প্রোগ্রামিং ভাষাগুলো ব্যবহার করে, ব্লুকচেইন অ্যাপ্লিকেশনগুলো পরিচালনা ও নিয়ন্ত্রণ বজায় রাখার দায়িত্ব পালন করেন। এই শিল্পটি এতো দ্রুত পরিবর্তিত হচ্ছে, প্রতিনিয়তই ব্লুকচেইন ইঞ্জিনিয়ারদের কাজের ধরনে প্রতিনিয়তই কিছুটা হলেও পরিবর্তন আসছে। ইঞ্জিনিয়াররা ব্লুকচেইন পরীক্ষা-নিরীক্ষা ও বিশ্লেষণ করা, নিরাপত্তা পরীক্ষাকরণ এবং কর্মকর্তা ও কর্মচারিদের প্রশিক্ষণ প্রদান করার মতো কাজগুলোও করে। ব্লুকচেইন ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে কর্মজীবন শুরু করতে হলে, অবশ্যই সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার, কম্পিউটার সায়েন্স কিংবা এই ধরনের কোনো বিষয়ে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর পর্যায়ের ডিগ্রি অর্জন করতে হবে। এ ছাড়াও, ব্লুকচেইন সংক্রান্ত বিষয়ে প্রশিক্ষণ ও কাজের অভিজ্ঞতা থাকা ভালো। একজন ইঞ্জিনিয়ারের প্রাথমিকভাবে বার্ষিক গড় বেতন প্রায় ৪২ লাখ টাকা। অভিজ্ঞতা বৃদ্ধি পেলে, তখন বার্ষিক বেতন বেড়ে বাংলাদেশী টাকায় প্রায় ৮৩ লাখ টাকা। যারা প্রোগ্রামিং ভালোবাসে তাদের এই পদের চাকরিতে ক্যারিয়ার শুরু করা উচিত।

ডেভলপার : ডেভলপারেরা ব্লুকচেইন তথ্য গ্রহণ করে ও তা সচল রাখার দায়িত্ব পালন করে। এ ছাড়াও, তারা ব্লুকচেইনের সাজ সরঞ্জাম করতে এসডিকে, এপিআই ও সম্পূর্ণ অ্যাপ্লিকেশন তৈরি করে। ফলে ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে কাজকর্ম করা সুবিধাজনক হয় এবং ভোক্তারাও খুব সহজে জটিল তথ্যগুলো লিপিবদ্ধ ও সংরক্ষণ করতে পারে। ডেভেলপার হিসেবে ক্যারিয়ার গড়তে হলে, সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ারিং সংক্রান্ত বিষয়ে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করা জরুরি। এ ছাড়াও, সি++, জাভা ইত্যাদি প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজগুলো সম্পর্কে ধারণা থাকতে হবে। একজন ব্লুকচেইন ডেভলপারের প্রাথমিক অবস্থায় বার্ষিক গড় বেতন প্রায় ৩২ লাখ টাকা।

ফ্যাশন (ট্যাবলয়েড)'র আরও সংবাদ
Bhorerkagoj