বিখ্যাত বিশ্ববিদ্যালয়ের পাঠাগার

বৃহস্পতিবার, ২৭ জুন ২০১৯

সেন্ট জনস কলেজ ওল্ড লাইব্রেরি

উচ্চ মাধ্যমিক শেষে অনেক শিক্ষার্থীই স্বপ্ন দেখেন যুক্তরাজ্যের ইউনিভার্সিটি অব কেমব্রিজে পড়ার। এখন পর্যন্ত টিকে থাকা চতুর্থ পুরনো বিশ্ববিদ্যালয় বলা হয় এটিকে। বিশ্বের ১৮ হাজারেরও বেশি শিক্ষার্থী পড়তে আসেন এখানে। বিশালসংখ্যক শিক্ষার্থীরা সুযোগ পান এখানের চমৎকার একটি লাইব্রেরি ব্যবহারের। যেটি পরিচিত সেন্ট জনস কলেজ ওল্ড লাইব্রেরি নামে।

যদিও এ লাইব্রেরি এখন আর আগের মতো ব্যবহার হয় না। তবে সপ্তাহ শেষে ছুটির দিনটিতেও কলেজের সদস্য ও অতিথিদের জন্য খোলা রাখা হয়। এ লাইব্রেরিতে পৃথিবী বিখ্যাত সব দুর্লভ বই, প্রকাশনা রয়েছে। সব মিলিয়ে পড়াশোনার জন্য চমৎকার স্থান এটি নিঃসন্দেহে।

স্টারলিং মেমোরিয়াল লাইব্রেরি

আমেরিকান বিশ্ববিদ্যালয়গুলো থাকে শিক্ষার্থীদের চাহিদার তালিকার উপরের দিকে। সেদিক থেকে অনেকের চাওয়ার কেন্দ্রে স্থান গড়ে নিয়েছে ইয়েল ইউনিভার্সিটি। আমেরিকার বেশ পুরনো বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মধ্যে একটি হচ্ছে এটি। ১৭০১ সালে সূচনা হয় এ বিশ্ববিদ্যালয়ের। ইয়েল ইউনিভার্সিটির কথা যারা শুনেছেন, তাদের কমবেশি সবাই জানেন এ বিশ্ববিদ্যালয়ের স্টারলিং মেমোরিয়াল লাইব্রেরি সম্পর্কেও। বিশ্ববিদ্যালয় জন্মের বহু বছর পর অর্থাৎ ১৯৩১ সালে জন্ম নেয় এ লাইব্রেরি। বলা হয় ইয়েল ক্যাম্পাসের মূল কেন্দ্রবিন্দু এ লাইব্রেরি। বেশ চমৎকার সংগ্রহে ভরপুর এ লাইব্রেরি। তবে এ লাইব্রেরির অদ্ভুত সংগ্রহ বলা হয় ওসামা বিন লাদেন অডিও লাইব্রেরি নামের সংগ্রহটিকে।

দ্য জর্জ পিবডি লাইব্রেরি

সাধারণভাবে লাইব্রেরিটিকে লোকে চেনে পিবডি ইনস্টিটিউটের লাইব্রেরি হিসেবে। এটিকে বিশ্বের চমৎকার কয়েকটি লাইব্রেরির তালিকায় সহজেই রাখা যাবে। জন হপকিন্স বিশ্ববিদ্যালয়ের রিসার্চ লাইব্রেরিও বলা হয়। পাঠাগার ভবনটি সবার জন্যই উন্মুক্ত। সবার জন্য উন্মুক্ত রাখার পেছনে অবশ্য কারণ রয়েছে। সেটি হচ্ছে পিবডির অনুরোধে এমনটা করা হয়েছে। অর্থাৎ যার নামানুসারে এ পাঠাগার, তিনি অনুরোধ করেছিলেন এমন ধরনের একটি পাঠাগার তৈরির, যা সবার জন্য উন্মুক্ত থাকবে।

দ্য রয়েল লাইব্রেরি

নরডিক দেশগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বড় পাঠাগার বলা হয় দ্য রয়েল লাইব্রেরিকে। এটিকে ডেনমার্কের জাতীয় পাঠাগার হিসেবেও ধরা হয়।

অন্যদিকে ইউনিভার্সিটি অব কোপেনহেগেনের মূল পাঠাগার এটি। ১৭ শতকের পর থেকে মুদ্রিত সব গ্রন্থ সংরক্ষিত রয়েছে এখানে।

এমনকি ডেনিশ ভাষায় লেখা প্রথম বইটিও রয়েছে এ পাঠাগারে, যা কিনা ছাপা হয়েছিল ১৪৮২ সালে।

ট্রিনিতি কলেজ লাইব্রেরি

আয়ারল্যান্ডের সবচেয়ে বড় পাঠাগারের কথা বলা হলে আয়ারল্যান্ডবাসী চোখ বন্ধ করেই বলবে ট্রিনিতি কলেজ লাইব্রেরির কথা।

ইউনিভার্সিটি অব ডাবলিনের পাঠাগার এটি। বুক অব কেলের মূল বইটি এখানে রয়েছে বলে অনেক বইপোকাদের পছন্দের শীর্ষে রয়েছে এ পাঠাগারের নাম। শুধু তাই নয়, আয়ারল্যান্ডভিত্তিক যে কোনো গবেষণাপত্র, প্রকাশনার হদিস মিলবে এ পাঠাগারে।

:: ক্যাম্পাস ডেস্ক

ক্যাম্পাস'র আরও সংবাদ
Bhorerkagoj