কৃষিমন্ত্রী : উচ্চ মূল্যের ফসল উৎপাদনে গুরুত্ব দিচ্ছে সরকার

বৃহস্পতিবার, ১৩ জুন ২০১৯

কাগজ প্রতিবেদক : লাভজনক কৃষির কথা মাথায় রেখে উচ্চ মূল্যের ফসল আবাদের প্রতি গুরুত্ব দিচ্ছে মন্ত্রণালয়। এ কথা জানিয়ে কৃষিমন্ত্রী ড. মো. আব্দুর রাজ্জাক বলেন, উচ্চ মূল্যের কাজু বাদাম পুষ্টিকর এবং মজাদার খাদ্য। এটি উৎকৃষ্ট শিশুখাদ্যও বটে, যার চাহিদা সারা বিশে^ দিন দিন বাড়ছে। এর একটি গাছ ৫০ কেজি করে গ্রিন হাউস গ্যাস (কার্বন ডাই-অক্সাইড) শোষণ করে। তাই এ গাছটিকে পরিবেশের বন্ধুও বলা চলে। বাদাম উৎপাদন, প্রক্রিয়াজাতকরণে জনবলের প্রয়োজন হয়। এতে কর্মসংস্থানেরও সুযোগ সৃষ্টি হবে। গতকাল বুধবার সচিবালয়ে কাজুবাদাম উৎপাদনকারী, প্রক্রিয়াজাতকারী ও রপ্তানিকারক এসোসিয়েশনের নেতাদের সঙ্গে এক বৈঠকে মন্ত্রী এসব কথা বলেন। সংগঠনের সভাপতি মো. হারুন, সহসভাপতি শফিক উদ্দিন, কাজী শাহাদাত হোসেন, মো. মহিউদ্দিন, মো. কামাল উদ্দিন, সাইফুদ্দিন হাসান বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন।

বৈঠকে নেতারা বলেন, ২০১৪ সাল থেকে বান্দরবানের রুমা উপজেলার পাশাপাশি থানচি, রোয়াংছড়ি ও সদর উপজেলা, খাগড়াছড়ি এবং রাঙ্গামাটিতে কাজুবাদাম চাষ হচ্ছে। বর্তমানে প্রায় ২ হাজার হেক্টর জমিতে এই চাষ হচ্ছে।

কৃষিমন্ত্রী বলেন, সরকার সবসময় কৃষকের লাভের বিষয়ে গুরুত্ব দিয়ে থাকে। এ ক্ষেত্রেও সরকারের সর্বাত্মক সহযোগিতা থাকবে। কাজুবাদাম আবাদ মোটামুটি সহজ। এটি চাষের ক্ষেত্র প্রসারিত করার পরামর্শ দেন তিনি। ভিয়েতনাম থেকে উচ্চ ফলনশীল জাতের চারা আমদানির ব্যাপারে মন্ত্রী বলেন, প্রয়োজনে কাজু বাদামের চারায় সরকার আর্থিক সহায়তা দেবে। পতিত জায়গায় এর চাষ করার তাগিদ দেন তিনি। প্রক্রিয়াজাতকরণসহ অন্যান্য সমস্যা সমাধানে প্রয়োজনে বিদেশে অভিজ্ঞতা অর্জন ও প্রশিক্ষণেরও ব্যবস্থা করা হবে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র কাজু বাদামের সবচেয়ে বড় আমদানিকারক এবং ক্রেতা। কৃষিমন্ত্রী আরো বলেন, সরকার কৃষির জন্য যা যা করার তার সব কিছুই করবে। কৃষিপণ্যটি রপ্তানি করে বিপুল পরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা আয় করছে এশিয়া ও আফ্রিকার বিভিন্ন দেশ। বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সম্ভাবনাময় রপ্তানি পণ্যের তালিকায় উঠে এসেছে এই কৃষিপণ্যটি।

যে সব দেশে কাজুবাদাম বাণিজ্যিকভাবে চাষ হয় সে সব দেশে গিয়ে অভিজ্ঞতা অর্জনের তাগিদ দেন মন্ত্রী।

দ্বিতীয় সংস্করন'র আরও সংবাদ
Bhorerkagoj