সূচনা কলাম

বৃহস্পতিবার, ১৩ জুন ২০১৯

চেলসিতে ফ্রাঙ্ক ল্যাম্পার্ড

খেলা ডেস্ক : ইংল্যান্ড ও চেলসির কিংবদন্তি খেলোয়াড় ফ্রাঙ্ক ল্যাম্পার্ড আবার ফিরছেন পুরনো স্মৃতি-বিজড়িত স্টামফোর্ড ব্রিজে। ক্লাব কর্তৃপক্ষের সঙ্গে ম্যানেজার হিসেবে যোগ দেয়ার কথাবার্তা চলছে তার। ২০০১ সাল থেকে শুরু করে ২০১৪ সাল পর্যন্ত চেলসির হয়ে খেলেছেন তিনি। তাদের হয়ে ৪২৯টি ম্যাচ খেলে করেছেন ১৪৭টি গোল। ২০১৬ সালে খেলোয়াড়ি জীবনের ইতি ঘটিয়ে শুরু করেন ফুটবল শেখানোর দায়িত্ব। ২০১৮ সালে প্রথমবারের মতো কোচিং করানোর দায়িত্ব পান ইংলিশ চ্যাম্পিয়নশিপের দল ডার্বি কাউন্টির। ক্লাবটিকে তোলেন চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে। খেলোয়াড়ি জীবনের মতো এখানেও প্রথমবারেই সাফল্য পাওয়ায় আবার চেলসির নজরে আসেন। সদ্য উয়েফা ইউরো লিগের চ্যাম্পিয়নদের ম্যানেজার মাউরিজিও সারি ক্লাব ছেড়ে চলে যাচ্ছেন ইতালিতে। সেখানে তার কথা রয়েছে জুভেন্টাসের দায়িত্ব নেয়ার। তাই নতুন ম্যানেজার হিসেবে দায়িত্ব নেয়ার জন্য ল্যাম্পার্ডকে প্রস্তাব দেয় তারা।

এ ব্যাপারে কথাবার্তা বলতে গতকাল লন্ডনে আসেন ল্যাম্পার্ড। দেখা করেন পুরনো ক্লাব সতীর্থ দিদিয়ে দ্রুগবার সঙ্গেও। সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে মোটামুটি নিশ্চিতভাবেই বলা যায়, আগামী মৌসুম থেকেই ফ্রাঙ্ক ল্যাম্পার্ডকে আবার দেখা যাবে স্টামফোর্ড ব্রিজে।

বদলে গেছেন পগবা

খেলা ডেস্ক : বর্তমানে বেশ মানসিক শান্তি অনুভব করছেন ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের ফরাসি তারকা পল পগবা। ফরাসি এই ফুটবলারের বিশ^াস, ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেই বদলে গেছে তার জীবন। তিনি মনে করেন ইসলামের কারণে আত্মিক শান্তি এবং ভালো মানুষ হওয়ার প্রেরণা পেয়েছেন। এক সময় ধর্ম থেকে দূরে ছিলেন পগবা। তার মা একজন ধার্মিক মুসলমান হলেও নিজের তিন সন্তানকে সেরকম হিসেবে গড়ে তোলেননি। পরে বন্ধু-বান্ধবের মাধ্যমে ধর্মীয় বিষয়ে আগ্রহ তৈরি হয় পগবার মনে। যখন ক্যারিয়ারে কঠিন সময় আসে, তিনি ইসলাম ধর্ম পালনে মনোনিবেশ করার সিদ্ধান্ত নেন। সেই থেকে নিয়মিত নামাজ আদায় করছেন তিনি। গত মাসে তাকে মক্কায় ওমরাহ পালনরত অবস্থায় দেখা গেছে। পগবা বলেন, ইসলাম আমাকে বদলে দিয়েছে, জীবনকে অনুধাবন করতে শিখিয়েছে। আমি মনে করি, এটা আমাকে মানসিক শান্তি এনে দিয়েছে। আমার অনেক মুসলিম বন্ধু আছে। আমি তাদের সঙ্গে নামাজ আদায় করলাম এবং আমার অনুভূতি পাল্টে গেল। আমি খুব ভালো অনুভব করলাম।

সব মানুষকে সমানভাবে সম্মান করা উচিত। তিনি মুসলিম হোক বা অন্য ধর্মেরই হোক এটাই ইসলামের শিক্ষা বলে মন্তব্য করেন পগবা। তার মতে, একজন মুসলিমকে অবশ্যই জাতি-ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সবাইকে সমান সম্মান প্রদর্শন করতে হবে।

গেইল ঝড় থামাতে যত পরিকল্পনা

খেলা ডেস্ক : ইংলিশ ফাস্ট বোলার মার্ক উড আগামীকাল সাউদাম্পটনে হতে যাওয়া ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে ম্যাচে বিগ হিটার ক্রিস গেইলকে থামানোর জন্য একটি সহজ পরিকল্পনা করেছেন। আর তা হলো জোফরা আর্চারকে গেইলের বিপক্ষে কাজে লাগানো। মার্ক উডের মতে, গেইলকে আক্রমণ করতে জোফরার বিকল্প নেই। প্রথম ম্যাচে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে ১০৬ রানের বড় জয় দিয়ে এবারের বিশ^কাপে শুভ সূচনা করে ইংল্যান্ড। দ্বিতীয় ম্যাচে পাকিস্তানের বিপক্ষে ১৪ রানে হেরে একটা ধাক্কা খায় স্বাগতিকরা। আর নিজেদের তৃতীয় ম্যাচে বাংলাদেশের বিপক্ষে ১০৬ রানের বড় জয়ে নিজেদের আত্মবিশ^াস ফিরে পায় দলটি। ওই ম্যাচে ইংল্যান্ডের মার্ক উড ও জোফরা আর্চার উভয়ই মুখ্য ভূমিকা পালন করেন। বিশ^কাপের ১৯তম ম্যাচে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে মাঠে নেমে অবশ্যই গেইলকে থামাতে হবে। একমাত্র দ্বিপক্ষীয় সিরিজে ২-২ ব্যবধানে ড্র করা ছাড়া শেষ ১১ ম্যাচে ইয়ন মরগানের দল ক্যারিবীয়দের বিপক্ষে জিততে পারেনি। যেখানে গেইল চারটি ম্যাচে ৩৯ ছক্কা মারেন, তার স্কোর ছিল ১৩৫ এবং ১৬২। গেইল যেদিন জ্বলে ওঠেন সেদিন তিনি ধ্বংসাত্মক এবং থামানো কঠিন হয়ে ওঠে। ওয়েস্ট ইন্ডিজের হয়ে দুর্দান্ত ফর্মে রয়েছেন তিনি। কিন্তু তাকে সহজে বোঝা যায় না, তিনি কীভাবে খেলতে যাচ্ছেন। মাঝে মাঝে তিনি নিজেকে মেলে ধরতে সময় নেন এবং কখনো কখনো তিনি প্রথম বল থেকেই চড়াও হন। উল্লেখ্য, ব্রিটিশ বাবা ও বার্বাডোজের মায়ের গর্ভে জন্ম নেয়া আর্চার ইংল্যান্ডের হয়ে খেলার অনুমতি পান গত মার্চ মাসে, মাত্র তিনটি ওয়ানডে ম্যাচ খেলেই ইংল্যান্ডের বিশ^কাপ স্কোয়াডে জায়গা পান আর্চার।

উডের মতে, জোফার শুধু তার কব্জি ঘুরিয়ে রকেটের গতিতে বল করে। যদি সত্যিই সে চায় তবে আরো কিছু করতে পারে। চলতি আসরে জোফরা ও উড উভয়ই ৯৫ মাইল গতিতে বোলিং করেছেন এবং ওয়েস্ট ইন্ডিজকে আঘাত করার জন্যও তাদের এই গতি ব্যবহার করবেন।

খেলা-ধূলা'র আরও সংবাদ
Bhorerkagoj