দরকার এমবিএ ডিগ্রি

বৃহস্পতিবার, ১৩ জুন ২০১৯

প্রায় শিক্ষার্থীই বিবিএ-এমবিএ করার ক্ষেত্রেই বেশি আগ্রহী হয়ে উঠছে। আবার দেখা যায়, অন্য কোনো বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি লাভের পর নামিদামি ব্যবসায় প্রতিষ্ঠানে ভালো বেতনে চাকরি পেতে অনেকেই এমবিএ ডিগ্রি নেয়ার কথা ভাবেন।

একসময় বিশ্বে শুধু এমবিএ ডিগ্রি অর্জনের ব্যবস্থা ছিল, যেখানে যোগ্য ও উচ্চপদস্থ একজন ব্যক্তি একটা পর্যায়ে গিয়ে এমবিএ ডিগ্রি অর্জন করে এবং প্রতিষ্ঠানকে সামনে এগিয়ে নেন। কিন্তু অনেক প্রতিষ্ঠানগুলো দেখল এমবিএ খুব ব্যয়বহুল একটি ডিগ্রি। তাই তারা জোর দিল বিবিএ করতে হবে।

বিবিএতে কিছু বেসিক জিনিস শিখানো হয়, যা দিয়ে মোটামুটি স্বাভাবিক কাজগুলো হয়ে যায়। আগে বেশি টাকা খরচ করে একটি প্রতিষ্ঠান এমবিএ ডিগ্রিধারী ব্যক্তিদের নিত, কিন্তু এখন বিবিএ শেষ করা শিক্ষার্থীদের নিয়ে নিচ্ছে। সোজা কথা বলতে গেলে, বিবিএতে প্রাথমিক জ্ঞান থাকে ব্যবসায় প্রশাসন বিভাগে আর এমবিএ বিশদ তথ্য ও জ্ঞানের শাখা। এমবিএ একটি প্রফেশনাল ডিগ্রি।

ওয়ার্ল্ডের ভালো বিশ্ববিদ্যালয়গুলো দুই থেকে তিন বছরের প্রফেশনাল অভিজ্ঞতা ছাড়া এমবিএ করার সুযোগ দেয় না। একজন ব্যক্তি একটা প্রফেশনে কয়েক বছর কাজ করার পর যখন বুঝতে পারবে আরো বেশি নলেজ অর্জন করা দরকার বা প্রতিষ্ঠানের উচ্চ পর্যায়ে থেকে নেতৃত্ব দিতে হবে, তখন সে একটি এমবিএ ডিগ্রি নিতে পারে।

তবে যারা কোনো চাকরির অভিজ্ঞতা ছাড়া এমবিএ করে যাচ্ছে, তাদের বিষয়টা হচ্ছে বিবিএ দিয়ে চাকরি পাচ্ছে না। তাই এমবিএ করে তারপর ফ্রেসার হিসেবে চাকরিতে ঢুকছে। যে বিবিএর পর চাকরি করে এরপর এমবিএ ডিগ্রি নিচ্ছে, সে খুব দ্রুত ক্যারিয়ারে উপরে উঠে যায়।

এমবিএ ডিগ্রিধারী সিএ বা আইসিএমএ ডিগ্রিধারী থেকে আলাদা। যারা সিএ বা আইসিএমএ ডিগ্রি নিচ্ছে, তারা অ্যাকাউন্টস বা অডিট সেক্টরে থাকছে। তারা কিন্তু ব্যবসা পরিচালনায় আসার কথা না, কিছু কিছু ক্ষেত্রে দেখা যায় সিএ করা ব্যক্তিরা প্রতিষ্ঠানের লিডিং পর্যায়ে রয়েছে, এ সংখ্যাটা কম।

এমবিএ হোল্ডাররা অ্যাকাউন্টস পরিচালনা করে না, কিন্তু অ্যাকাউন্ট হোল্ডারকে কাজের দিকনির্দেশনা দেন। আর কোনো প্রতিষ্ঠানে যদি কেউ ডিরেক্টর বা সিইও হতে চায়, সেক্ষেত্রে ম্যানেজমেন্ট, মার্কেটিং বা এইচআরএমের ওপর এমবিএ ডিগ্রি যুগোপযোগী সিদ্ধান্ত।

:: ক্যাম্পাস ডেস্ক

ক্যাম্পাস'র আরও সংবাদ
Bhorerkagoj